• || অনেক কাজ – পারব না ||
    Poetry

    || অনেক কাজ – পারব না ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Anek Kaag – Parbo na

    অনেক কাজ আছে আমার,

                যেতে পারবো না।

    কি যে করি এখন

           ভাবতেও পারছি না।

    অফিসে আগে আমার

                তিনতে কাজ ছিল।

    তারপর চার, পাঁচ, ছয়

                এত কাজ বেড়ে গেল।

    ডবল কাজ

            কি ভাবে যে করি?

    সবগুলো শেষ করে

            তারপরে যাব বাড়ী।

    মনের সব ʼনাʼ  গুলো

              এক জায়গায় লেখা যাক।

    প্রত্যেকটা ʼনাʼ কে ʼহ্যাঁʼ করতে

                           কি করতে হবে কাজ।

    সেটা করতে বড় কাজগুলো

                            কয়কটা ছোটো ছোটো কাজে ভাঙ্গতে হবে।

    এবারে ছয়টা কাজের

                  একরকম ভাঙ্গা কাজগুলো একসঙ্গে করতে হবে।

    একরকম কাজ এক সঙ্গে করলে

                                   অনেক তাড়াতাড়ি হবে।

    বাকী বিভিন্ন কাজগুলো দেখে

                        কিছু সর্টকাট পাওয়া যাবে।

    কাজের সঙ্গে নিজের বুদ্ধি লাগালে

                          কাজটা আরও সহজে হবে।

    কিছু কাজ প্রোআ্যাকটিভলি করলে

                   কাজটা অনেক তাড়াতাড়ি হবে।

    কোনও একটা রিসোর্স না থাকলে

                               অন্য কোনোও রিসোর্স নিতে হবে।

    যতটা কাজ নতুন রিসোর্সে হয়

                                 সেটা করে যেতে হবে।

    এভাবে মানুষ তিনটে থেকে

                               করতে পারে ছয়টা কাজ।

    ছয়টা থেকে হতে পারে সাতটা বা আটটা

                                সত্যিই মাথায় পড়বে না বাজ।

    মনে ভাবতে হবে ʼআমি করতে পারিʼ

                        তখন দেখা যাবে সব কাজ হয়ে যাচ্ছে।

    সময় বাঁচিয়ে সব কাজ হচ্ছে

                            মনের খুশিতে নিজেকে ফ্রী মনে হচ্ছে।

  • ।। প্রকৃতির শব্দ ।।
    Poetry

    ।। প্রকৃতির শব্দ ।।

    Sound of Nature

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    পশু-পক্ষীী গাছপালা, জল হাওয়া

                 আছে প্রকৃতির কোলে।

    নানান শব্দ সৃষ্টি হয় অবিরত

            এদের নানান কাজের ফলে।

    একটি প্লাস্টিক পাত্রের ওপরে

                  জল যখন পড়ে।

    ড্রাম বাজানো আওয়াজ হয়

                                     সবারই মনে ধরে।


    নায়েগ্রা বা হুড্রু ফলসে

               কেউ বেড়তে গেলে।

    শুধু ড্রাম নয়, অনেক বাজনার

             আওয়াজ সেখানে মেলে।

    পাহাড়ের ওপর থেকে

             জলস্রোত মাটিতে যাচ্ছে।

    প্রচন্ড সেই আওয়াাজে

             সব আওয়াজ চাপা পড়েছে।

    জঙ্গলে  হাওয়র শোঁ শোঁ শব্দ।

    বর্ষাকাালে ব্যাঙের ডাকের শব্দ।

    মৌমাছি ও বিভিন্ন কীট-পতঙ্গের শব্দ।

    পাখীর ডাকের বিভিন্ন শব্দ।

    পশুদের ডাকের শব্দ।

    • এ সব আমাদের চেনা।

    মন খোঁজে কোথায় একটা শব্দ পাই

                   যা আমাদের অচেনা।

    প্রকৃতির যে লক্ষ লক্ষ

                           অচেনা শব্দ আছে।

    একটি  নতুন শব্দ শুনে

                                   ছুটি তারই পাছে।

    সব শব্দ নয় সবার জন্য

                              মানুষও শোনেনা অনেক শব্দ।

    কোনো এক শব্দে হরিণ ছোটে

                              ব্যাঘ্র মশাই তখন জব্দ।


  • || নায়েগ্রা ফলস ||
    Poetry

    || নায়েগ্রা ফলস ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Niagara Falls

    প্রকৃতির এক অসাধারণ সৌন্দর্য্য

                    এই নায়েগ্রা ফলস।

    এটি একটি বিশাল মনোমুগ্ধকর

                    সুন্দর স্থান।

    দুটি দেশ – আমেরিকা ও কানাডার

                    বাড়িয়েছে মান।

    জলপ্রপাতের যে প্রাকৃতিক শব্দ

         তা বাইরের সব আওয়াজকে ঢেকে দেয়।

    রাত্রে যখন এর ওপর লাল, নীল এবং গোল্ডেন কালারের

         আলো পড়ে তখন দৃষ্টি অপলক হয়ে যায়।

    এটি গঠিত তিনটি ফলসের সমাহারে।
    আমেরিকার আমেরিক্যান ফলস ও

                                      ব্রাাইডাল ভেল ফলস একধারে।

    কানাডার হর্স সু ফলস,

                                সবচেয়ে উঁচ, অন্যধারে।

    বিশাল এই ফলসে প্রতি সেকেন্ডে পঁচাশি হাজার কিউবিক ফুট

                                     জল আছরে পরে।

    পাহাড়ের গ্লেসিয়াররের জল গলে

                                     এর প্রবাহ সৃষ্টি করে।

    বিখ্যাত এই ফলসের সৌন্দর্য্য ছাড়াও

              এটি  বিপুল পরিমানে হাইড্রো-ইলেকট্রিসিটিও  উৎপন্ন করে।

    ক্ষমতা অনুযায়ী, এটি চার মিলিয়ন কিলো ওয়াট

                               জল বিদ্যুত তৈরী করতে পারে।

    মানুষের ঢল নেমে যায়

                               নায়েগ্রা ফলস দেখতে।

    আামেরিকার নিউইয়র্ক বা কানাডার অন্টারিও থেকে

                            যেতে হবে এর দেখা পেতে।

  • ।। চকচকে ছবি ।।
    Poetry

    ।। চকচকে ছবি ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Chakchake Chobi

    ছবি আঁকতে বসলাম। কি ছবি?

    আমার দেখা পুরোনো ছবি।

    পুরোনো পিকচার ফ্রেমের মতো

    ধুলো পরে আছে সেই সব অতীতে।

    আমার দেখা ছবি।

    আমার সেই সব পুরোনো ছবি।

    ওটা কি সেরা ছবি? তা বলা যায় না।
    অতীতে কোদাল চালিয়ে,

    তাকে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করতে হবে।

    এটাই মনের বায়না।

    প্রথমে ট্রেন, তারপর গাড়ী।

    যাচ্ছি হায়দারাবাদ থেকে পুরী।

    পুরী  পৌঁছোলো বিকেল বিকেলে।

    নেমে দেখি সামনে মহাসমুদ্র।

    আামার সঙ্গে আমার বোনেরা।

    সঙ্গে নাটকের কলাকুশলীরা।

    নামকরা নাট্যদলের সঙ্গী আমি।

    শো ছিল হায়দারাবাদে,

    সেখান থেকে ফিরছি বাড়ী।

    বাড়ীর পথে পুরী।

    সেদিন আবার দোল।

    রাস্তায় এখানে সেখানে রঙ পরে।
    সামনে বিরাট সমুদ্রের হিল্লোল।

    কেউ কেউ সোজা ছুট দিলো,

    সমুদ্রে পা ভেজাতে।।

    কেউ কেউ স্নানের সামগ্রী নিয়ে চললো,

    সমুদ্রে স্নান করতে।

    আমরা ভাইবোনেরা ঠিক করলাম,

    স্নান করবো না।

    আমাদের একটাই সুটকেশ।

    তার চাবি ভেতরে রেখে, বন্ধ টেপা তালা।

    তাই আমাদের জামা কাপড় না পাওয়ার কি জ্বালা।

    সমুদ্রে পা ভিজিয়ে একটু আধটু খেলা।

    এই হলো আমাদের সমুদ্র- স্নান ঐ বিকেলবেলা।

    তারপর ছবি। বিভিন্ন রকম, বিভিন্ন কায়দায়।.

    প্যাকেটে খাবার এলো।

    সুকনো বালির ওপরে বসে তা সাঙ্গও হোলো।

    ততক্ষণে সূর্য্যদেব বাড়ী যাবার পথে।

    অসাধারণ সে ছবি।

    গোধূলী আলোয় আকাশটা মোড়া।

    জলের ঢেউগুলোতে প্রতিফলনে রোশনাই।

    মনের ক্যামেরাতে সে ছবির জবাব নাই।

    আমাদের পোট্রেটগুলো হারিয়ে গেছে।

    কিন্‌তু মনের ক্যামেরার ছবিটা জ্বলজ্বল করছে।

    এবার ফেরার পালা।

    একে একে সবাই গাড়ীতে ফেরে।

    তারপর আমরা চললাম পুরী ছেড়ে।

    সেই গাড়ী, আবার ট্রেন।

    ট্রেনে ঘুমিয়ে, উঠে দেখি হাওড়া স্টেশন।

    গাড়ী করে বাড়ী একটু পরেই।

    এ ছবিটা এইটুকুই।

    একটু আধটু ভেঙ্গে গেছে কোদালে।

    তা হোক, এটাতো মনের মণিকোঠায় রাখা।

    চকচক করছে এটা, অন্য স্মৃতির মধ্যে ঢাকা।

  • ।। মন  খারাপ l।
    Poetry

    ।। মন  খারাপ l।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Mon Kharap

    মন ভাল নেই মনটা খারাপ।

               কি যে করি এখন।

    শরীরটাও তো কেমন কেমন

               বুড়ো মানুষের মতন।

    বুড়ো মানুষ নই তো আমি

                বয়স পেরোলো সত্তর।

    এই তো সেদিন স্কুল পেরোলাম

                 এক্ষুনি এই মাত্তর।

    স্কুল পেরিয়ে কলেজ গেলাম

                  অঙ্ক নিয়ে পড়তে।

    শেষ করে তো ইউনিভারসিটি

               আরেকটু বেশী জানতে।

    এসব করে ভাবতে বসি

               কি করা যায় এখন।

    ডক্টরেটটা করলে কি

              চাকরি পাব মনের মতন।

    মনের টানে কম্পিউটার সায়ান্সে

                  পড়াশুনা শুরু করি।

    শেষ করে তা ইউনিভারসিটির

                 অধ্যাপনায় হাতে খড়ি।

    শুরু হয় এরপর কম্পিউটার সায়ান্সে

                  পি এইচডির কাজ।

    একমাএ ছেলের দায়িত্বে

           চাকরি দরকার মনে হʼল আজ।

    মাথায় তখন একটাই চিন্তা

                                পি এইচ ডি আর চাকরি।

    একসঙ্গে চালাতে হবে

                এটা ভীষন দরকারি।

    বানিজ্যিক সংস্হায়

                 কাস্টমার সাপোর্টের কাজ।

    সিরিয়াস প্রফেসনলের ছুটির পরে তাই

             মাথা জুড়ে সেই চিন্তা আজ।

    পি এইচ ডির কাজ পিছিয়ে পিছিয়ে

                  শেষমেষ হʼল ভন্ডুল।

    ডক্টরেট পাওয়া অধরাই থাকে

                                  মন চাকরি নিয়েই মসগুল।

    উন্নতি হয় চাকরির

                               ছোটো থেকে অনেক ওপরে।

    বেস্ট প্রফেসনলের তকমা নিয়ে

                নেপাল ভ্রমণ পুরস্কারে।

    একটা থেকে অন্য সংস্থায়

                সেখান থেকে অন্য।

    কাজের নেশায় ছুটে বেড়াই

                সবাই করে ধন্য ধন্য।

    ইনডাসট্রি থেকে এডুকেসন

                  অবাধ গতি এল।

    অধ্যাপনায় শুরু করে

               অধ্যাপনাতেই শেষ হʼল।

    চুলের রঙ সাদা হʼল

                               আর আমি হলাম রিটায়ার্ড।

    বেকার লোকের দলে মিশে

                                     আমি এখন টায়ার্ড।

    এসব ভেবে মন ভাল নেই

                                    মাথাটাও একটু ধরেছে।

    আরও কতকি করার ছিল

                                     সেই সব মনে পড়ছে।

  • ।। পেন ।।
    Poetry

    ।। পেন ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Pen

    একটা পেন পার্কের ঝোঁপের মধ্যে কুড়িয়ে পেলাম।

                     এটা সেই ছোটোবেলার কথা।

    মা বললো, ʼরেখে আয় যেখানে পেলি সেখানেʼ।

                 রাখলাম, কিন্‌তু রইলো মনে ব্যথা।

    তারপর কʼবছর পর এলো পেন

                       পেনে লেখার  ইচ্ছা উঠল জেগে।

    সেই কালি ভরা পেনে লিখলে

                                     আঙুলে কালি যেত লেগে।

    কালি ভরা পেনের পর এল ডট পেন।

                 সে গুলোতে রিফিল ভরা যেত।

    কালী কমলেই রিফিলের মুখের কালি

           সাদা ইউনিফর্মে পড়ে পকেট কালো হতো।

    সে সব এখন অতীত।

                     পেন ইন্ডাস্ট্রি অনেক এগিয়েছে।

    এখন খুব কম দামে

                      ভাল ভাল পেন পাওয়া যাচ্ছে।

    স্কুল, কলেজ, ইউনিভারসিটিতে

                       বিভিন্ন পেন ব্যবহার করেছি।

    কিন্‌তু সেই ঝোঁপের মধ্যে পাওয়া পেনের

                       ছবিটা কি আজও ভুলতে পেরেছি?

    আগে সোনালী খাপওলা পেন

                        শোভা পেত কোটের বুক পকেটে।

    মোবাইল ফোন বা রুমাল নিয়েছে

                                           সেই জায়গাটিতে।

    পঞ্চাশ বছর আগে মানুষের

                  একটি পেনেই কাটতো তার কর্মজীবন।

    এখন কত শত পেন সেবা করে তার

           তারা পায় না, মানুষের আগের মতো যতন।