-
।। টিভি ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobitaa
TV
টিভির দিকে তাকিয়ে দেখি
ভোটে এক দলকে হারিয়ে অন্য দল জিতছে।
বাজি ফাটানো, মিষ্টিমুখ
এ সব কান্ড চলছে।
এখন আবার বিজ্ঞাপন
একের পর এক চলে।
এরা চ্যানেলগুলোর প্রাণ ভোমরা
সত্যি কথাই বলে।
খেলা আছে আজকে আবার
আই পি এলের ফাইনাল।
ওই দলটাই জিতবে
খবরটা তো ভাইরাল।
এদিকে ঠাকুমার কান্নাকাটি শুরু হয়েছে
সিরিয়ালে হিরোর এক্সিডেন্টে।
সিরিয়ালগুলো সব সময়েই
খেলা করে দর্শকদের সেন্টিমেন্টে।
ওয়ার্ল্ডকাপ ফাইনালের মতো
খেলা যখন আসে।
ঘরে, ক্লাবে, হোটেলে ভীড় জমে
টিভির চারপাশে।
বাইরের রাস্তা হয়
একেবারে সুনশান।
স্ট্রাইক হলো আজকে নাকি
দেখছি না কোনও যান।
কোনও দিন কোনও সেলিব্রীটির
স্পেশাল খবর পেতে।
সবার আগ্রহ বেড়ে যায়
তার সব কিছু জানতে।
পুজোর সময় বেজায় মজা
সব চ্যানেলে।
বিশেষ প্রোগ্রাম শুরু হয়ে যায়
সকালে বিকালে।
মুভি চ্যানেলগুলো ব্যস্ত এখন
নতুন সিনেমা দেখাতে।
দর্শকেরা দেখছে সে সব
মজা করে বাড়ীতে।
পরীক্ষার আগে স্পেশাল ট্রেনিং
কিছু চ্যানেল দেখায়।
ছাত্র-ছাত্রীরা সে সব দেখে
সত্যিই উপকৃত হয়।
টিভি কিনবে? এল ই ডি, ফোর কে
নাকি প্লাজমা টিভি চাই?
ও এল ই ডির দামটা বেশী
কিন্তু বেস্ট হʼল ওটাই।
-
|| দৃষ্টি ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sight
মানুষ দেখতে পায়
কুড়ি ফুট দূরের জিনিষ।
কারো কারো চোখ খারাপ
তার দৃষ্টি দশ বা পনের ফুটেই শেষ।
কিন্তু আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না
এমন অনেক কিছু আছে।
ব্যাকটেরিয়া বা মলিকুল দেখা যায় না
সেটা থাকলেও ধারে কাছে।
পাখি মানুষের থেকে
অনেক শার্প দেখে।
আলোর আলট্রা ভায়োলেট ফ্রিকোয়নসিতে
যাতে মানুষ দেখতে পায় না, সেটা পাখি দেখে চোখে।
বৈজ্ঞানিক মতে, পাখির দৃষ্টিশক্তি
মানুষের থেকে প্রায় আট গুণ ক্ষুরধার।
ঈগল পাখি অনেক দূর থেকে
ধরে তার শিকার।
অন্ধকারে পেঁচা খুব সহজে
দেখতে পায়।
তবে দৃষ্টিশক্তি সকালের থেকে
রাত্রে অনেক কমে যায়।
মানুষ কম দৃষ্টিশক্তি নিয়েও
পশুপক্ষীদের ডমিনেট করে।
এটা সম্ভব কারণ মানুষের অনেক বেশী
চিন্তা ও বুদ্ধির জোরে।
চর্মচক্ষে মানুষের ক্ষমতা কম
কিন্তু মানস চক্ষে সে করে বিশ্বজয়।
তাই সে ভগবানের শ্রেষ্ঠ জীব
নেই তার কোনও কিছুতেই ভয়।
মেডিক্যল সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স
মানুষ আজ পৌঁছেছে কত ওপরে।
এ তো ভাবনার অতীত
দশ বছর আগেও, এ ছিল কল্পনার বাইরে।
মানুষের ভিসনের জোরে
সে এ সব করতে পারছে।
তাই চর্মচক্ষুতে নয়, চিন্তা ও কল্পনাশক্তি দিয়ে
সে বিশ্বজয় করছে।
-
।। হাঁটা ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
ডাক্তারবাবুরা বলেন,
ʼডিনার খেয়ে এক মাইল হাঁটোʼ।
যদিও শরীর ঠিক রাখতে
সকালবেলার হাঁটা নয় খাটো।
কেউ আবার বিকেলবেলা
বা সন্ধ্যেবেলায় হাঁটতে যায়।
শরীর চর্চা করতে হাঁটা দরকার
এতে শরীরের অনেক গন্ডগোল কমে যায়।
জীবনের পথে তো
আমরা হেঁটেই চলেছি।
সেই কোন সকালে হাঁটা শিখে
এ রাস্তা, ও রাস্তা দিয়ে হেঁটেই যাচ্ছি।
ইন্জিন যতদিন চালু থাকবে
হাঁটতেই হবে বিভিন্ন পথে।
সে হাঁটা পায়ে পায়ে না হাঁটলেও
যেতে হবে রথে।
কতবার হোঁচট খেয়ে
কত কি হয়েছে।
সাময়িক বিরাম দিয়ে
পথ বদলেছে।
কত কিছু শিখলাম
এই হাঁটতে গিয়ে।
কত মানুষকে বুঝলাম
এর মধ্যে দিয়ে।
কেউ বা বন্ধু হয়ে
হাত বাড়ালো।
কেউ আবার পড়ে যাওয়া দেখে
ফিক করে হেসে চলে গেল।
ফিক করে হাসা লোকটা
যদি সত্যিই বন্ধু হোত?
তার মনের মধ্যে এতটুকু
জায়গা যদি আমার জন্যে থাকতো?
তাহলে পৃথিবীতে সবাই
সবার বন্ধুত্বের সম্পর্ক পাতাতো।
সেই একসঙ্গে হাসা
লাফিং ক্লাবের মতো।
মানষের দুঃখ, কান্না
এসব থাকতো না।
সে একটা মজার দেশ
ভাবাই যায় না।
কিন্তু তুমি হাঁটো
হাঁটতেই হবে।
থেমে যেও না
হাঁটো নিজের পথে।
-
|| টাইম মেশিন ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Time Machine
মাঝে মাঝে মনে হয়
টাইম মেশিনে চড়ে পিছনে গেলে বেশ হয়।
অনেক না পারা কাজ
তখন হবে অবলীলায়।
যা পারিনি কোনও দিনও
সে সব কাজ হবে এক তূড়িতে।
লাল নীল সবুজের রোশনাইতে
মন ভরে থাকবে খুশিতে।
অঙ্ক – সায়েন্স – কম্পউটার সায়েন্স
এগুলো ছিল আগের পছন্দ।
এবারে তো সংস্কৃত পড়ব
মহাকাব্যের শ্লোক পড়ে হবে আনন্দ।
ডাক্তার বাবুর কাছ ছুটতে হয়
এখন শরীর খারাপ হলে।
হোমিওপ্যাথি নয়, চিকিৎসা করব
চেম্বারেতে পেসেন্ট এলে।
অভিনয়টা করেছি
একটু একটু এই জন্মে।
বড় অভিনেতা হয়ে
প্রাইজ পাব নিজের কর্মে।
সেই যে ঝগড়া হলো পাড়ায়
আমার তখন ক্লাস নাইন।
এখন ঝগড়া হবে না তো
দিন যাবে সত্যি ফাইন।
যে সব কাজ করতে পারিনি
পরিবারের জন্য।
এবারে সেটা করেই ছাড়বো
কাজটা হবে অনন্য।
চাকরি করে কাটিয়েছি
এই জন্মে সব সময়ে।
এখন হব বিজনেসম্যান
বিখ্যাত প্রোডাক্ট বানিয়ে।
দিনের বেলা এসব ভাবলে
সেটা তো হয় দিবা-স্বপ্ন।
বর্তমানে ফিরে আসতে চাই
চিরদিনের জন্য।
-
|| রান্না ।।
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Cooking
দু অক্ষরের শব্দ দুটি
কত যে বড় হতে পারে,
শেফই জানেন কত শত কাজ
আছে এই পরিসরে।
এক এক রান্না, এক এক রকম,
সঙ্গে আছে নানা উপকরণ।
পাত্রও লাগে নানান রকম
পাল্টে যায় যে কাজের ধরন।
বড়ি ভাজতে লাগে তেল
রসগোল্লায় দুধ।
বিরিয়ানিতে কি না লাগে
যোগাড়ে রাঁধুনি নাস্তানাবুদ।
সবজি কাটা, মশলা করা
মাংসতে আবার ম্যারিনেড।
নুন, লঙ্কার গন্ডগোলে
রান্নাটি হয় থার্ড গ্রেড।
জিরে বাটা লাগবে কোথাও
ঠিক তাপ লাগবে উনুনে।
কেক করত নানান জোগাড়
বেকিং হবে ওভেনে।
চাটনি করতে টমেটো ভাজা
পটল ভাজার মতো নয়।
নাভিশ্বাষ উঠবে এবার
উল্টো পাল্টা যদি হয়।
-
|| মেশিন মানুষকে মানছে না ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Machine is not obeying his master
মানুষ করেছে মেশিন
এখন সেই মেশিন নিয়ে ব্যাতিব্যস্ত।
আমার কথা না শুনলে
ʼকি করিʼ – এই নিয়ে ত্রস্ত।
হার্ডওয়ার – সফ্টওয়ারের যুদ্ধ
অনেক আগে থেকে ।
হার্ডওয়ার অনেক এগিয়ে
তাই ওরাই সব সময়ই জেতে।
এ আইয়ের গডফাদার
গুগুল ছেড়েছেন চিন্তায়।
মানুষের ভবিষৎ নিয়ে আশঙ্কিত তিনি
ভাবছেন আগামী দিনে কি হয়।
যন্ত্রের বুদ্ধি আর মানুষের চেতনা
এরা কি পরস্পরের সহযোগী?
মানুষ যন্ত্রকে দিনে দিনে বুদ্ধিমান করেছে
সেই বুদ্ধির ডেটাবেস হচ্ছে চেতনার উপযোগী।
কিনতু এ যেন এক সরু গলি
যেখানে এগুনো যায়, বেরোনো যায় না।
মানুষের অগ্রগতি সেই গলিতেই
তাই এগোনোই যাবে, পিছোনো যাবে না।
মানুষ যে যন্ত্রগুলো যন্ত্রকে দিয়েছে
সেই সমন্বিত বুদ্ধিই এ আই।
সেই বুদ্ধির জোরে, মানুষকে অমান্য করছে
এই চিন্তায় সে ভাবে, ʼকোথায় পালাইʼ।

















