-
|| বরফ গলা ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Melting of ice
বরফ গলে নদীর স্রোতে
ঢেউ হয়ে যায় অনেক বেশী।
মনের বরফ গললে দেখ
হাসি, হাসি আর হাসি।
কান্নার এই বহিঃপ্রকাশ
কষ্ট গুলো যাচ্ছে ধুয়ে।
ধুলো ময়লা কত কি স্রোতে মিশছে
ওই বরফ ক্ষয়ে ক্ষয়ে।
এখন দেখ স্বচ্ছ জল
বইছে মনের আবেগে।
ঝলমলে ঐ মনের আকাশ
নতুন করে স্ব্প্ন জাগে।
এত সুন্দর, এত নির্মল
এত আলো তো দেখিনি।
আজ দিনটা খুবই ভাল
আগে কেন আসেনি?
ভাগ কোরো না, সবটাই নাও
সব খুশিটাই তোমার জন্য।
মনের এই সুখানুভূতি
সত্যিই যে অনন্য।
রোদ ঝলমলে আকাশে দেখ
বইছে বাতাস মৃদুমন্দ।
ফুলগুলো সব খেলা করে
আজ যেন বসন্ত।
সকাল পেরিয়ে দুপুর হʼল
বাড়ছে বেলা পলে পলে।
এগিয় চলো আপন পথে
শান্তির স্পর্শ মনের আঁচলে।
-
|| মনের শান্তি ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Peace of Mind
মানুষের জীবনে সুখ, দুঃখ আর আনন্দ
সবই আছে।
এই নিয়েই আমরা থাকি
নানা কাজে।
দুঃখের কবলে পড়ে যখন মন
ব্যতিব্যস্ত হয় জীবন।
কিছু মানুষের বাড়ে কষ্ট
কিছু সম্পর্কের টানাপোরেন।
কষ্ট, যন্ত্রণা এসবের মধ্যে
সে বিহ্বল হয়ে পড়ে।
রাস্তা খোঁজে তখন
নিজেকে মুক্ত করবে কি করে?
শান্তি, শান্তি আর শান্তি
মানুষ খোঁজ করে শান্তিকে।
বিক্ষিপ্ত এই মনটাকে একটু আরাম দিতে
ছাড়তে চায় সব কষ্টকে।
শান্তির প্রথম ধাপ
ক্ষমা করাতে।
কিন্তু এটা করবো
কার কার কাছে?
প্রথমে ক্ষমা করতে হবে নিজেকে
আমার শত্রুতা যাদের সাথে আছে।
তারপর ক্ষমা করতে হবে
সেই সব মানুষকে যারা শত্রুতা করেছিল।
এর পর সব ঝামেলা মিটলো
সবাই শান্তি পেল।
তাই পারস্পরিক শত্রুতা শেষে
সবার মুখে হাসি।
মনের সব কষ্ট আর চাপ মুক্ত হয়ছে
সবাই তাই খুশি।
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মজবুত বন্ধনও
ওই ক্ষমা ম্যাজিক।
পারস্পরিক ক্ষমাই জন্ম দেয়
আ্যাডজাস্টমেন্টের টেকনিক।
এই অটুট বন্ধনই
ভালবাসার জন্ম দেয়।
যা তাদের জীবন
আলোয় আলোয় ভরে যায়।
-
|| মানুষ ও গাছ ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Human being & Plant
মানুষ বাঁচে গাছের সঙ্গে
কে বাঁচায় কাকে?
গাছ দেয় অক্সিজেন
আমরা কার্বন ডাইঅক্সাইড দিই তাকে।
কার্বন ডাইঅক্সাইড বিষ পরিবেশকে
নির্মল করে গাছ সেই বিষ শুষে নিয়ে।
তারপর সে তৈরী করে খাবার
সূর্যের আলো দিয়ে।
সেই গাছ বড় হয়ে
ফুল দেয়, ফল দেয় মানুষকে।
নিজের দেহটাকেও দিয় দেয় মানুষকে
তার খাবার তৈরী করতে।
মানুষ ফল খেয়ে
তার থেকে বীজ বার করে।
সেই বীজ আবার পোতা হষ মাটিতে
নতুন গাছ ওঠে মাটি ফুঁড়ে।
প্রাণ ফিরে পায় গাছ
মানুষের হাত ধরে।
এই বিবর্তন চলছে
যুগ যুগ ধরে।
-
|| পজিটিভ মাইন্ডসেট – সেভেন প্রমিসেস ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Positive Mindset – Seven Promises
ভাল করে বাঁচতে গেলে
ভাল মন দরকার।
ভাল মন চায় আবার
ভাল কিছু করার।
# তাই দিন শুরু হোক
কোনও পজিটিভ নোটে।
এমন কিছুলিখতে হবে
যাতে মনের হাসি ফোটে।
# একটা কাজ করতে হবে
যার শেষটা হবে ভাল।
ভাল কাজে মনটা দিলে
মনটা দেখবে আলো।
#দুঃখ আছে মনের ভেতর
চিন্তা করো সেটা।
নিজে একটু আলাদা হʼলে
হাসির খোরাক ওটা।
# হেরে গেছো বলে দুঃখ কেন
হারের পরেই আসে জয়।
কাজের ভুলটা ঠিক করলে
হবেই তোমার এ কাজে বিজয়।
# মনের মধ্যে নেগেটিভ যা আছে
একটু খানি পালটে দাও
নতুন কাজটা হবেই পজিটিভ
আমার কথাটা মিলিয়ে নাও।
# পুরোনো কথাটা ভাবছো কেন
অতীত থেকে শিক্ষা নাও।
নতুন সকাল, নতুন রোদে
নতুন কাজে মন দাও।
# ভাল কাজের বন্ধু খোঁজো
ভাল মেন্টরও দরকার।
কাজের সঙ্গী ভাল পেলে
সবাই দেবে পুরস্কার।
সাতটা প্রমিস হোলো এবার
কবে থেকে করবে শুরু?
জন্মদিনে, নতুন বছর কিম্বা কোনও বিশেষ দিনে কিম্বা জানো তার কাছে, যাকে মানো তোমার গুরু।
-
|| চ্যাটজিপিটি ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
ChatGPT
চ্যটজিপিটি হʼল
চ্যট জেনারেটিভ ট্রান্সফরমার।
এটা আমেরিকায় তৈরী
একটা এ আই সফ্টওয়ের।
আমেরিকার ওপেন এ আই কোম্পানী
এর জন্ম দিয়েছে।
নভেম্বর দু হাজার বাইশে
এটা রিলিজ হয়েছে।
চ্যটজিপিটি শুরু হয় আরেকটা সফ্টওয়ের
চ্যাটবট থেকে।
চ্যাটবট একটি কোম্পানীর
কাস্টমার সাপোর্টের কাজে লাগে।
এটি ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়জ প্রসসেসিং, মেশিন লার্নিং ও
এ আই ব্যবহার করেছে।
চ্যাটবটকে যা শেখানো হয়েছে
সেটাই সে বলতে পারে।
কিন্তু চ্যটজিপিটি যে কোনও বিষয় জানে
তাই অনেক ক্ষেত্রেই এটা ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফাইন্যানসিয়াল এক্সপার্টের বদলে
কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ করে।
তেমনি টিচারের জায়গায়
পড়াতেও পারে।
তবে কি মানুষের জায়গায়
চ্যটজিপিটি চলবে?
সেটা আগামী দিনে
মানুষই বলবে।
ক্লাসের লাস্টবয়কে মানুষ টিচার
জানে কি ভাবে শেখাতে হবে।
সেট কি এ আই সফ্টওয়ের দিয়ে
সম্ভব হবে?
ভগবানের সৃস্টি মানুষ আর
মানুষের তৈরী এ আই।
তাই বেশীরভাগ সময়ে মানুষই জিতবে
এটাই বলতে চাই।
-
।। সূর্য্য পৃথিবীকে গিলে খাচ্ছে ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sun is swallowing earth
মন খারাপ কেন?
পৃথিবী ধ্বংস হবে তাই?
এসব ভেবে কোনও লাভ নাই।
প্রশ্ন হচ্চ্ছে মানুষ কি এটা আটকাতে পারবে?
উত্তরটা তো ʼনাʼ, তাই ভেবে কি হবে?
দু হাজার কুড়ি সালে ক্যালিফোরনিয়ার এম আই টির
এক এস্ট্রোফিজিসিস্ট দেখেছেন –
একটা তারা সামনের গ্রহকে গিলে খাচ্ছে।
ভেঙ্গে চুরে নয়,আস্ত গ্রহটাকে গিলে ফেললো।
হঠাৎ তারার মধ্যে গ্রহটা চলে গেল ।
তারার নিজস্ব আলো আছে, গ্রহের নেই।
বয়েস হʼলে তারারা, একদিন মরবেই।
সেই সময়ে কাছের গ্রহদের খেয়ে সে আরও বড় হবে।
আর সেই সব বেচারা গ্রহের প্রাাণ যাবে।
এস্ট্রোনমিস্টদের গবেষণায় জানা যাচ্ছে –
এখন থেকে পাঁচ বিলিয়ন বছর পরে
পৃথিবীকে পেটে পুরে
সূর্য্য আরও বড় হবে।
আশার কখা এটাাই যে সূর্য্য
প্রথমে মঙ্গলকে তারপর শুক্রকে খাবে।
তরপর পৃথিবীর দিকে হাত বাড়াবে।
এখনও চিন্তা? এসব ছেড়ে, বাঁচুন।
ক্যলকুলেসনের তো কিছু ভুল হʼতে পারে,
তাই এবারে হাসুন।

















