• ।। ভিটামিন,এর স্বল্পতা ও খ্যাদ্যাভ্যাস ।।
    Poetry

    ।। ভিটামিন,এর স্বল্পতা ও খ্যাদ্যাভ্যাস ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Vitamins, its deficiency & food

    আমাদের দেহের বৃদ্ধিতে

                 দরকার ভিটামিন।

    পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধেও

                 খেতে হয় প্রতিদিন।

    সুষম খাবারে

            এগুলো আমরা পাই।

    নিয়ম মতো খাবার খেলে

            শরীরে যা দরকার তা পেয়ে যাই।

    বিষয়টি খুবই জটিল

         তাই সাধারণ তথ্যটুকই থাকবে এখানে।

    বেশী কিছু জানতে গেলে

         ডাক্তার বা খাদ্য বিশেষজ্ঞ চাই সেখানে।

    ভিটামিন এ

    সুষ্ক ত্বক আর চোখের

             নানান সমস্যা এড়াতে,

    দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে

              এটি হবেই খেতে।

    রাত কানা হয়

              এর অভাবে।

    গলা ও বুকের রোগ হবে না

               এটির যোগে।

    সন্তান কামনায় পিতা মাতার

                 এটি খুবই জরুরী।

    ক্ষত তাড়াতাড়ি ঠিক করতে

                                   সত্যিই দরকারি।

    এটা  ডাল, দানা শস্য, গাজর

                                ও নানান শাক সবজী,

    মাছ, ডিম ও মাখন

                          খেতে হবে ডুবিয়ে কব্জি।

    ভিটামিন বি ওয়ান

    বদহজম,পেটের নানাান সমস্যাা,

                                     আর বেরিবেরি,

    ঘুমের অ্সুবিধায়য

                               এটি খুব দরকাররী।

    ওজন কমে যাওয়া,  ক্লান্ত হওয়াও
                                         এর অভাবে।

    তাই ঢেঁকি ছাটা চাল, ডাল, ফুলকপি, গাজর

                          ও ডিমের কুসুম খেতে হবে।

    ভিটামিন বি

    এর অভাবে চোখ, ত্বক ও স্নায়ুতন্ত্র

              সমস্যায় পরে।

    জিভে ও ঠোঁটে ঘা,

        আর ঘা হয় মুখের ভেতরে।

    খেতে হবে শাক –

            পালং, কলমী ও নটে।

    অঙ্কুরিত ছোলা খেয়েও

             এর ঘাটতি মেটে।

    ভিটামিন সি

    ঠান্ডা লেগে জ্বর হলে

            ডাক্তারবাবু দেন ভিটামিন সি।

    দাঁত পড়া, মারী ও ত্বকের রোগে, আ্যানিমিয়া,

        ও হজমের রোগে খেতেই হবে এটি।

    চুলের নানা সমস্যা ও নাক ডাকা

                এটি খেলে ঠিক হয়।

    স্কার্ভি রোগও এর প্রভাবে

                  কমে যায়।

    পেয়ারা, আপেল লেবু,

            পেঁপেও খেতে হবে।

    টমেটো, আমলকি

              এগুলোরও দরকার পরবে।

     ভিটামিন ডি

    সূর্যদেবের আশীর্বাদে

               আমরা ভিটামিন ডি পাই।

    রিকেটস, হাড়ের ঘনত্ব কমা, ক্যানসাার, হার্ট ও

             ডায়বেটিকের জন্য এটি অবশ্যই চাই।

    খেতে হবে দুধ, মাখন ও

                    ডিমের কুসুম।

    কর্ড লিভার তেল, মাসরুম

                  খাওয়া যায় হরদম।

    ভিটামিন ই

    এটির অকুলান হʼলে

                              নার্ভ ও মাসেলের ক্ষতি হʼয়।

    এর থেকে আরও সমস্যা – হজমের, হাঁটা চলায়

                                               ও রাত্রে দেখায়।

    সূর্য্যমুখী ও সয়াবিন তেল, পালং শাক,

                 পী-নাট ও তার মাখন।

    খাও কুমড়ো আর আ্যালমন্ডস

                     যখন তখন।

    ভিটামিন কে

    এটির কমে রক্তক্ষরণ ও হাড়ের

                 বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

    অস্টিওপোরোসিস এবং হার্টের রোগের

                      প্রবণতা বাড়ে।

    সবুজ শাকশব্জি, বাঁধাকপি

                    খাওয়া দরকারী।

    বরকোলি, লেটুস, কিউয়ি,

                    ব্লু ও ব্ল্যাক বেরীও উপকারী।

    সংক্ষেপে এখনেই শেষ করি

         ভিটামিন ও খাবার দাবাড়ের খবর।

    খাদ্য-বিষারদের সাহায্য নেওয়া যায়

             দিনের খাদ্য-তালিকার হিসেব পত্তর।

  • ।। ভয় ।।
    Poetry

    ।। ভয় ।।

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Bhoy

    মানব মনে আবেগে সুখ দুঃখের

    আরেক দোসর ভয়।

    এটি বেড়ে গেলে বুদ্ধিভ্রংশে

    নানান বিপদ হয়।

    ভয়ের দোসর দুঃখ

    অতি ভয়ে এসে পরে।

    রাতদিন সেই চিন্তায়

    কুঁরে কুঁরে মন মরে।

    ভয়ের উদ্রেগ দেখি তার চোখে

             তার নানা আচরণে।

    এই ভয় জন্ম নেয়

                বিভিন্ন কারণে।

    কোনো কিছু হারাবার ভয়

                  আসে দুঃচিন্তায়।

    অপরাধী ভয় পায় তার অপরাধ

             ধরা পড়বে এই চিন্তায়।

    আবার অনেকগুলো ভয়ের

              কারন একটি ভয়ের উৎস।

    সেই ভয়গুলো তাড়া করলে মনে

              মানুষটি হয়ে পড়ে অপ্রকৃতিস্থ।

    খ্যাপা কুকুরে কামড়ালে

                  জলাতঙ্ক হয়।

    তখন সে জল দেখলেই

                  ভয় পায়।

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞেরা

             খোঁজেন ভয়ের উৎস।

    কথাবার্তা বলে বেরিয়ে পড়ে

                 আসল রহস্য।

    উৎস থেকে বেড়িয়ে পরে

                 কোনোও পুরোনো ঘটনা।

    পুনরাবৃত্তি করতে তিনি

                সৃস্টি করেন নাটক রচনা।

    এই নাটকে দেখানো হয়

                  কোথায় সে যুক্ত।

    নাটকের বিশ্লেষনে

            সে হয় ভয়টি থেকে হয় মুক্ত।

    এসব ঘটনা আমাদের

                  সকলেই জানা।

    কিন্‌তু ভয় থেকে

                নিষ্কৃতির পথ আছে নানা।

    ভয়কে ছেড়ে নিজের পথে এগোনো

                      একটি উপায়।

    আরেকটিতে ভয়ের সামনে এগিয়ে

                   তাকে করো জয়।

    বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

                  দেখিয়েছেন ভয় মুক্তির পথ।

    ভয় থেকে তুমি অভয়ের মাঝে

                  আমার নতুন জীবন দাও।

    সুখ, দুঃখ, স্বার্থ, সংশয় ছেড়ে

              থাকি সত্য, শান্তি মঙ্গলময় কাজে।

    দীনতা ছেড়ে যেন মুক্তি খুঁজি

               অমূল্য অক্ষয় ধনের মাঝে।

    রবীঠাকুরের সেই ʼতুমিʼ

                        আমাদের প্রভু বা ঈশ্বর।

    আমাদের একমাত্র অবলম্বন

                                তিনি অবিনশ্বর।

  • ।। একটি গাছের কথা ।।
    Poetry

    ।। একটি গাছের কথা ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Ekti Gacher Katha

    মালীর ঘরে

    আরে করছ কি মালী ভাই

                   আমার যে লাগে।

    যত্ন করে বড় করেছ

         পাতা পচা সার খাইয়েছো আগে।

    কিনতু এখন কি করবে

                 আমাকে নিযে?

    ততক্ষণে মালী গাছটিকে তুলে

          একটি ছোট্ট টবে নেয় লাগিয়ে।

    মালী যায় বাজারে

    দাদা ভালো জবা গাছ

                নিয়ে যান না।

    বড় বড় অনেক ফুল ফুটবে

                এমন গাছ পাবেন না।

    অনেক পরে আসে একজন

              সে গাছটি কেনে, নেয় কিছু সার।

    বাড়ীর পথে হাঁটা দেয় বিপুল বাবু

              নতুন কালেকসন এটি তার।

    বিপুল বাবুর বাড়ী

    আবার গাছ আনলে

             বিপুল বাবুর স্ত্রী রেগে বলে।

    আরে এ জবা গাছটা খুব ভাল

             বড় বড় ফুল দেবে রোজ সকালে।

    তোমার তো এত গাছ আছে

              আবার নতুন গাছ কেন?

    না এবারে সার এনেছি

               কোনও অবহেলা হবে না জেন।

    বিপুল বাবুর যত্ন

    সময় নেই বিপুল বাবুর

                 মাঝে মাঝে বাগানে আসে।

    নতুন জবার জায়গা হʼল

                  পুরোনো জবাদের পাশে।

    নতুন একটা ভাল টবে

                  সব সার মিশিয়ে লাগায়।

    অনেক ফুল ফুটবে  এ গাছে

                এই মনের আশায়।

    কোন সারেতে কি হয়

               এসব নয় তার জানা।

    গাছের যত্নে সব সারই দেয়

               যা আছে তার আনা।

    জল দেয় সে রোজ

               একটু একটু করে।

    গাছের পাতা কুঁচকে যায়

                              বেশী জল পড়ে।

    গাছের এখনকার অবস্থা

    পাতা পচা  সার খেয়ে

              সে মালীর বা়ড়ীতে বড় হয়েছে।

    হঠাৎ এত সব খাবার পেয়ে

                        তার বদহজম হচ্ছে।

    জলও খাচ্ছে বেশি বেশি

                         তাই পাতা কুঁকরে যায়।

    সাদা পোকা এসে ধরে

                          ডগাগুলির গায়।

    আবার খুব গরমে

                        প্রাণ যখন তার আই ঢাই করে।

    জল পায় না সে সময় মতন

                                   শুকিয়ে সে মরে।

    গাছের শেষ কথা

    গরীবের ঘরে ছিলাম ভাাল

                      তার তো এত পয়সা নেই।

     যত্ন ছিলাম তার বাগানে

                সে বুঝতো কখন কি চাই।

    বিপুল বাবুর পয়সা আছে

                        নেই তার সময় ও জ্ঞান।

    নতুন গাছ আসবে আবার

                        বেঘোরে গেল মোর প্রাণ।

  • ।। গরম ।।
    Poetry

    ।। গরম ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Garam

    কি অসহ্য গরম

         টেম্পারেচার চল্লিশের ওপরে বেড়েছে।

    হাওয়াটাও তো এত গরম

                               গা যেন পুড়ছে।

    বাইরে বেরোনো দুঃষ্কর

                               নিউজে বলছে ঘরে থাকতে।

    সেটা সম্ভব কারো কারো পক্ষে

                                অন্যদের অফিসে হবে যেতে।

    ওয়ারেসের দরকার পড়ছে

                                      কারো কারো।

    না পেলে নুন-চিনি জল

                                     খেতে পারো।

    সূর্য্যদেবের তাপ

                        সত্যিই খুব বেশী।

    গা পোড়া রোদ্দুরে ভিটামিন ডি পেতে

                          কেউ হবে না রাজী।

    অন্যদিনে অনেকেই

                           ভালবাসে রোদ পোয়াতে।

    বাত এবং অন্যান্য রোগের প্রতিকারে

                    ভিটামিন ডির প্রয়োজন মেটাতে।

    এত গরম কেন

                         এ প্রশ্ন মনে আসেছে।

    বঙ্গোপোসাগরের জলীয় বাস্পের সঙ্গে

           পশ্চিমের ও উত্তর পশ্চিমের গরম হাওয়া মিশছে।

    এছাড়া সূর্য্যও বেশী গরম হচ্ছে

                                      নিউক্লিয়ার ফিউশন থেকে।

    এতে হাইড্রোজেন থেকে হচ্ছে হিলিয়াম

                         তাতে তাপ হচ্ছে তৈরী।

    ওকে, সায়েন্সের কচকচানি

                                    এবারে ছাড়ি।

    এত গাছ কেটে যদি হয় বাড়ী

                         পরিবেশ ঠান্ডা হবে কি করে?

    ইট কাঠ পাথরে

                           দিনে দিনে তাপ যাচ্ছে বেড়ে।

  • ।। টাইগার হিল ।।
    Poetry

    ।। টাইগার হিল ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Tiger Hill

    টাইগার হিল বললে

               সবাই এক ডাকেতেেই চেনে।

    অসাধারনণ সৌন্দর্য্য সে এক

                  একথা কে না জানে?

    দারজিলিং পৌঁছনোর দিন

                  রাস্তা থেকে দেখি।

    সূর্য্যাস্তের গোধুলি আভায়

                   চমকপ্রদ সেকি!

    একদিন পরে সকালবেলায়

                  টাইিগার হিলে যাই।

    দিনটা ছিল নভেম্বরের দু তারিখ

                   দু হাজার বাইশেই।

    আমাদের হোটেলটা ছিল

                  ম্যালের ওপরে।

    গাড়ী আসবে না ম্যাালর রাস্তায়

               গাাড়ী দাঁড়ালো ম্যালের মোড়ে।

    ভোর সাড়ে তিনটেয়

                                স্টার্ট করলো গাড়ী।

    রাস্তায় কি ভীষণ জ্যাম

                 কি যে আর করি।

    শামুকের গতিতে চলে গাড়ী

            পৌঁছোই ভোর পাঁচটায়।

    তথনও সূর্য্যদেবের দেখা নেই

                হননি উদয়।

    লাাল সূর্য্যদেব

             একটু পরেই দেখা দিলেন।

    ভাগ্যক্রমে সেদিন

        পরিস্কার আকাশে নেই মেঘ ভিলেন।

    একটু পরেই কান্চনজংঘার শৃঙ্গ

                           উদ্ভাসিত হʼল লাল আলোয়।

    ভোরের সেই ঠান্ডা পরিবেশে

                               সে দৃশ্য অসাধারন মোহময়।

    ক্রমে লাল আলো

                       ফিকে হতে হতে সাদা হয়েছে।

    দুধের মন সে রঙ

    বরফের ওপর পড়েছে।

    প্রতিফলনে সোনার মতো চকচক করছে

                           কান্চনজংঘার শৃঙ্গগুলো।

    অসাধারন সে ছবি,

                         একের পর এক ছবি তোলো।

    আশ মিটিয়ে ছবি তোলার পর

                         দেখি এক নেপালী মেয়ে কফি খাওয়াাচ্ছে।

    কফি খেলাম সবাাই  মিলে

                         তখন চোখ  বাারবার এ দৃশ্য  দেখছে।   

    ফেরার মধ্যে নেই

    তেমন কোন গল্প।

    গাড়ী পৌঁছোলো হোটলে

                   তখন ক্ষিদে পাচ্ছে অল্প অল্প।