-
|| লালবাগচা রাজা ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Lalbagcha Raja
গনেশ পুজো দেখতে হʼলে
যেতে হবে মুম্বাইতে।
সারা শহরে মাতে সবাই
পুজো হয় সব বাড়ী-বাড়ীতে।
দক্ষিন মুম্বাইতে সবচেয়ে বড় পুজো
লালবাগচা রাজা।
গনেশজী হলেন
জ্ঞান, উন্নতি ও সৌভাগ্যের দেবতা।
তিনি মানুষের সমস্ত বিঘ্ন হরণ করেন
তাই তাঁর আরেকটি নাম বিঘ্নহন্তা।
লালবাগচা রাজার উচ্চতা
প্রায় চল্লিশ ফুটের মতো হয়।
ওনার বিসর্জনের সময়
বিরাট শোভাযাত্রা করে হয়।
-
|| অমরনাথ যাত্রা ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Amarnath Jatra
অমরনাথের যাত্রা শুরু হয়
পহেলগাম থেকে।
সেখান থেকে চন্দনবাড়ী পৌঁছাই
পাকদন্ডি দিয়ে হেঁটে হেঁটে।
চন্দনবাড়ীতে সবাই থাকে
রাতটুকু কাটাতে।
আবার হাঁটা, আবার হাঁটা,
পৌঁছোই শেষনাগেতে।
সেদিন পূর্ণিমা, শেষনাগে পৌঁছাই
শেষনাগ-লেকের সামনে যাই।
প্রায়ান্ধকারে শেষনাগ-লেকে পরিবেশকে
মোহময় করেছে চাঁদের আলোর রোশনাই।
শেষনাগ লেকের নীল জলে
সাদা সাদা বরফ ভাসছে।
সাদা বরফগুলো প্রতিফলনে নীল জলে
চুমকির মতো অসাধারণ লাগছে।
এরপর শুতে চলে গেছি
প্রকৃতির ওই মোহময়তা মেখে।
সকালে উঠে শেষ দিনের যাত্রা শুরু হয়
শেষনাগ থেকে পঞ্চতরণীর পথে।
একটু হাঁটার পরে দেখি
সামনে বিশাল পাহাড়।
পাহাড়ের নাম মহাগুনাস,
পাহাড়টি আছে বরফের চাদরে ঢেকে।
তার ওপর দিয়ে রাস্তা চলে গেছে
পঞ্চতরণীর দিকে।
সূর্যের আলোর প্রতিফলনে
এত চকচক করছে,
যে কালো সানগ্লাসেও
চোখ ঝলসে যাচ্ছে।
হঠাৎ তুষার বৃষ্টি শুরু হয়, তুলোর মতো বরফ
সর্বাঙ্গে পরে সব সাদা হয়ে যাচ্ছে।
হাতে লাঠি থাকা সত্তেও
পা পিছলে যাচ্ছে।
মিনিট দশেক এইভাবে কাটার পর
শেষ হয় কষ্টকর যাত্রা বৃষ্টিতে।
আরও কিছুক্ষন হাঁটার পরে
আমরা পৌঁছাই পঞ্চতরণীতে।
একটু রেস্ট নিয়ে, আরেকটু হেঁটে
পৌঁছাই অমনাথ গুহার সামনে।
গুহার ভেতরে ঢুকে দেখি
অমরনাথদেবের বিশাল বরফের মূর্তি।
পাশে পার্বতী ও গনেশের
আরও দুটি বরফের মূর্তি।
মূর্তির সামনে জুতো খুলে
সবাই পুজো দেই।
সেখানে খালি পায়ে
বেশীক্ষন দাঁড়ানো যায় না।
কারণ পায়ের নিচে বরফে পা জমে
পায়ের নিচে কোনোও সেন্স পাচ্ছি না।
অনেকক্ষন অপলক দৃষ্টিতে
অমরনাখজীকে দর্শন করি।
তারপর আস্তে আস্তে
সবাইমিলে বেরিয়ে পরি।
জয় অমরনাথজী।
-
|| গান শুনতে এ আই ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Gaan Shunte AI
সমঝদার গান পাগল মানুষের
নয়েস একেবারেই না-পছন্দ।
সবাই শুনতে চায়
পরিস্কার ভাবে সুর, তাল ও ছন্দ।
এআই ইমারসিভ এক্সপিরিয়েন্স তো দরকার
গানের মধ্যে ডুবে যেতে।
বর্তমান প্রজন্মের মানুষেরা
অনেক কিছু চায় গান শুনতে।
কনভার্সেশনাল এআই-কে বলতে হবে
কোন গান চান শুনতে?
সে সত্যি সত্যি হাজির করবে
আর আপনার কান তা শুনবে।
অনেকে আবার স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম
খোঁজেন গান শুনতে।
গান শুনলে কি হয়?
বেশিরভাগ উত্তর ডি-স্ট্রেং হয়।
অফিসের কাজের চাপের থেকে
এতে মন হাল্কা হয়।
কিছু মানুষ আবার বলেন,
এতে রোমান্টিক সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।
-
|| হোয়াটসঅ্যাপ পিঙ্ক স্ক্যাম ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Whatsapp Pink Scam
হোয়াটসঅ্যাপের একটি বার্তা
পিঙ্ক থিম ডাউমলোড করতে বলছে।
এ বার্তা ভারতের কিছু শহরে
কিছু মানুষের কাছে এসেছে।
সবুজ, সাদা, কালো দেখ দেখে
মানুষের একঘেয়ে হয়ে গেছে।
তাই তার জায়গায় পিঙ্ক দেখে
অনেকেই ডাউনলোড করেছে।
হোয়াটসঅ্যাপের রঙ গোলাপি হতেই
ফোনের সবকিছু হ্যাকারদের হাতে।
আপনার ব্যাঙ্ক-ডিটেলস, সব পাসওয়ার্ড, ওটিপি
সবকিছুই তাদের কাছে।
সঙ্গে সঙ্গে অ্যনড্রয়েড ফোনের সেটিংস থেকে
অ্যাপে গিয়ে পিঙ্ক অ্যাপ আন-ইন্সটল করতে হবে।
বা আই ফোনে
পিঙ্ক অ্যাপ আন-ইন্সটল করতে হবে।










