• ।। মিষ্টি নিয়ে বিব্রত  ।।
    Poetry

    ।। মিষ্টি নিয়ে বিব্রত  ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Misti Niye Bibrata

    সেদিন ছিল গুরুপুর্ণিমা, আমি যাচ্ছি

      অঙ্কের এক মাস্টারমশায়ের বাড়ীতে।

    আমার সঙ্গে আমার সতীর্থ গৌতমও

               যাচ্ছে আমার সাথে।

    স্যারের বাড়ীতে যাবার আগে

        আমরা কিনি ফুল আর মিষ্টি।

    জানিনা তখন, সেটাই বোধহয়,

                 বেদম অনাসৃষ্টি।

    যেখান থেকে যাচ্ছি,

                          সেটা খুব কাছেই।

    তাই আমরাও ওখানে

                          যাচ্ছি হেঁটেই।

    একটু পরেই পৌঁছে যাই

                 স্যারের বাড়ী।

    বাড়ীতে ঢুকে স্যারকে

                              ডাকাডাকি করি।

    খানিক পরেই স্যারের বৌ বেরিয়ে এসে বলে,

                       স্যার মারা গেছেন কয়েকদিন আগে।

    গুরুপুর্ণিমার দিনে হঠাৎ  গুরুর মৃত্যু সংবাদ শুনে

                     হতচকিত হয়ে যাই।  

    তখন মিষ্টি আর ফুল নিয়ে

                        কি করব বুঝতে পারি না।

    সামনে একটা টেবিলে ওগুলো রেখে

             স্যারের খবর নিয়ে বেরিয়ে যাই।

  • || সিঙ্গেল হওয়ার জ্বালা ||
    Poetry

    || সিঙ্গেল হওয়ার জ্বালা ||

    Audio File

    Single howar Jwala

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    ʼঅফিসে চলে এসʼ

                     ʼকালকে সকালেʼ।

    রোহিতের বস

                    রোহিতকে বলে।

    ʼস্যার কালকে আমার একটাʼ

                     ʼইমপর্ট্যান্ট কাজ আছেʼ।

    ʼআপনি বরং পূর্ণিমাদিকে বলুনʼ,

                 ʼসকালে চলে আসতেʼ।

    ʼনা ওর ছোট বাচ্ছা আছেʼ,

                    ʼএত দেরী করে বলা যায় না ওকেʼ।

    ʼতুমি ব্যাচেলর ছেলেʼ,

              ʼতোমাকে যখন তখন বলতে পারিʼ।

    ʼস্যার, আমি ব্যাচেলর বলে আমাকে আসতে হবেʼ?,

           ʼআমার কাজটাও তো খুব দরকারীʼ। 

    এরপরে রোহিতের সঙ্গে

                   বসের অনেকক্ষণের কথা কাটাকাটি।

    যার সমাপ্তিতে শেষ হʼল

                   ব্যাচেলর ছেলেটির চাকরীটি।     

  • || মহাজাগতিক ধ্বনি ||
    Poetry

    || মহাজাগতিক ধ্বনি ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Mahajagatik Dhwani

    Please visit my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    মহাবিশ্বে দুটি ব্ল্যাক হোলের

       ধাক্কা খেয়ে এক শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।

    অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন,

                   এ জাতীয় শব্দ হয়।

    দু হাজার পনের সালে মহাবিশ্বে

              গুনগুন ধ্বনি পাওয়া যায়।

    যাকে হ্যাম অফ দ্য ইউনিভার্স

                  নামে জানা যায়।

    এই মহাকর্ষজ তরঙ্গের আওযাজ

      পালসার টাইমিং এনালিসিস দিয়ে ধরা যায়।

  • || দুঃখ ও ঘুম পারানি গান  ||
    Poetry

    || দুঃখ ও ঘুম পারানি গান  ||

    Audio File

    Dukhkho o Ghum Parani Gaan

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    কেউ চায় না নিজের ইচ্ছেয়

               দুঃখ পেতে জীবনে।

    কিন্‌তু দুঃখের গান সবারই পছন্দ,

             কেন যে কে জানে।

    ব্যথার গান শুনতে সবার

                 অনাবিল সুখ।

    সবাই এ গানে এতই মজে যে

             কেউ হয় না বিমুখ।

    আবার বাচ্ছা চলে যায় নিঃছিদ্র ঘুমে

          মায়ের ঘুম পারানি গানে।

    বাচ্ছা থাকে নিশ্চিন্ত প্রশান্তিতে

          সুখ থাকে তার মনে।

  • || স্লিপ প্যারালিসিস ||
    Poetry

    || স্লিপ প্যারালিসিস ||

    Sleep Paralysis

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    ঘুম আর জেগে ওঠা

           এর মাঝের সময়টা ক্ষণস্থায়ী হয়।

    এই সময়ে মস্তিস্ক সক্রিয়,

              কিন্‌তু শরীর সক্রিয় নয়।

    এই ক্ষণস্থায়ী অবস্থাকেই

              স্লিপ প্যারালিসিস বলে।

    এই সময়ে মুখ থেকে

                কথাও বেরোয় না।

    হাত-পা ও ইচ্ছে মতো

                নাড়ানো যায় না।

    বুকের মধ্যে মনে হয়

              কিছু চেপে বসে রয়েছে।

    কথা বলতে চেষ্টা করলেও, শোনা যায় –

        কোনোও গোঙানির আওয়াজ হচ্ছে।

    এই সময়ে অনেকের

                হ্যালুসিনেশন হয়।

    কোনোও কিছুর ভয় পাওয়ার

                অভিজ্ঞতা হয়।

    আগে এই অবস্থা দেখলে

          সবাই বলতো, ʼওকে ভূতে পেয়েছেʼ।

    এখন এই নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে

    অনেকেরই চিকিৎসা করে উপকার হয়েছে।

  • || ডক্টরস ডে ২০২৩ ||
    Poetry

    || ডক্টরস ডে ২০২৩ ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Doctor’s Day, 2023

    উনিশশো তেইশের

                ডক্টরস ডে আজ।

    তাঁরা সত্যিই ভগবানের মতো

                এটা করেছে তাঁদের কাজ।

    মৃতপ্রায় অনেক মানুষ

                হসপিটালে আসে।

    তারা সুস্থ হয়ে বাড়ীতে ফেরে

                নতুন হয়ে বাঁচে।

    কত মানুষ নানান কষ্ট নিয়ে

           ডাক্তারের কাছে যায়।

    ওষুধ খেয়ে, অপরাশনে

           তারা ঠিক হয়ে যায়।

    ভগবান মানুষকে প্রাণ দিয়েছেন

       সেই প্রাণ রক্ষা করেন ডাক্তারবাবুরা।

    যে প্রাণ প্রায় বেরিয়েই যাচ্ছিল

      ডাক্তারবাবুরা ধরে আনেন সেই প্রাণভোমরা।

    সব ডাক্তারবাবুদের প্রণাম জানিয়ে

           শেষ করি আমার কবিতা।

    আগামী জন্মে ডাক্তার হʼতে চাই

                         যদি হয় মোর যোগ্যতা।