-
ভারতের বিশ্বকাপ বিজয়
To listen to the same, please click the following YouTube Video:
ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তৃতীয় বার
জয় করলো নিজের দেশে।
নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ফাইনালে হারার দুঃস্বপ্ন
থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে।
গতবছর ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা
ফাইনালে জিতে শুয়ে মাটি চাপড়েছিলেন।
এবছর ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব
পিচের মাটি কপালে, মুখে লাগিয়েছেন।
ভারত প্রথম আয়োজক দেশ যে
নিজের দেশে বিশ্বকাপ জিতেছে।
সেই হিসেবে ভারত
ইতিহাসকে ডিফিট করেছে।
ইতিহাসকে পালটে ভারত
পরপর দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
ভারত সেই হিসেবে
ইতিহাসকে রিপিট করেছে।
ভারতের কোনও ম্যাচে যখন
নাছোড়বান্দা ব্যাটসম্যান দাঁড়িয়ে পড়েছে।
ক্যাপ্টেনের কপালের ভাঁজ মুছতে
বুমরা তাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আউট করেছে।
ফাইনালেও সেই একই রকমভাবে
ক্যাপ্টেনের ডাকে বল করেছে।
চার-চারটি উইকেট নিয়ে
ম্যান-অফ-দি-ম্যাচ হয়েছে।
তার আগে ভারত প্রথমে ব্যাট করে
কুড়ি ওভারে দুশো পঞ্চাশ রান করলো।
সঞ্জু রূপকথার সুপার হিরোর মতো
রাজকীয় উননব্বই রান উপহার দিল।
ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে সাতানব্বই রান
সেমিফাইনালে আবার উননব্বই রান করলো।
ফাইনালে আবার উননব্বই রান করে
ম্যান-অফ-দি-সিরিজ প্রাইজ পেল।
এদিন ভারত বিশ্বকাপে রেকর্ড
দুশো পঞ্চান্ন রান করলো।
আর নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে সবচেয়ে
বড় ব্যাবধানে ছিয়ানব্বই রানে হারালো।
২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনি
প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।
তারপর ২০২৪ সালে রোহিত শর্মা
২০২৬ সালে সূর্যকুমার যাদব জিতলেন।
-
।। কন্যা সন্তান ।।
To listen to the same, please click the following YouTube Video:
সুমনার একটি মেয়ে
নাম তার মীরা।
ছোট্ট মেয়ে, লম্বা গড়ন
দুষ্টুমিতে সেরা।
পড়াশুনাতে ভালই সে
কথা শোনে বড়দের।
তাই মিষ্টি মেয়ে পায় সবার আদর
সবার কাছেই সে পছন্দের।
এরপর বছর দুয়েক কেটে গেছে
সন্তান সম্ভবা হয়েছে সে আবার।
ছোট্ট ভাই আসবে মীরার
মনের সুপ্ত স্বপ্ন তার।
ভর্তি হলো সে নার্সিং হোমে
লেবার পেনে সে কাতর।
ভগবানকে ডাকে সবসময়
ছেলেই যেন হয় তার।
একদিন পরেই জন্ম নেয়
সুমনার সেই সন্তান।
একি, আবার মেয়ে হলো
চিন্তার হয় অবসান।
দেখতে শুনতে ভালই সে তো
মীরার মতই টুকটুকে।
বাড়ীর সবাই হা-হুতাস করে
কারো অপছন্দ নয় এই মেয়েকে।
নতুন মেয়ের নাম হলো
মীরার বোন রানী।
শান্তশিষ্ট স্বভাব যে তার
দিদির নয়নের মনি।
পড়াশুনায় দুজনেই ভাল
সেরা যে যার ক্লাসেতে।
খেলাধুলোয় ভালই মীরা
কিন্তু বোন বসে পরে আঁকতে।
ক্লাস নাইনে উঠে মীরা
ঠিক করে পড়বে সায়েন্সে।
রানীর পছন্দ সাহিত্য, ইতিহাস
তাই সে পড়ে় আর্টসে।
স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে মীরা
পড়তে যায় ইন্জিনিয়ারিংয়ে।
রানী শুরু করে তার পছন্দের সাবজেক্ট
ইংরাজীতে অনার্স নিয়ে।
ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে
মীরা চাকরি পায় ইসরোতে।
রানী ইংরাজীতে অনার্স শেষ করে
ভর্তি হয় সে আর্ট কলেজে।
দুবছর পরে এখন ইসরো মীরাকে
রকেট লচিং স্টেশনের ইনচার্জ করেছে।
রানী দেশে বিদেশে নিজের ছবির শো করে নিজে
বিখ্যাত আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সুমনার আজ মনে পরে
রানীর জন্মের সময়ের দিনটি।
মন খারাপ হয়ে গেছিল সেদিন
জেনে কন্যা সন্তান জন্মের খবরটি।
এখন রোজই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়
ছাপা হয় তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের।
আজ তার দুই মেয়ে দুই রত্ন
শুধু কোলকাতার নয় সারা ভারতের।





