• || পজিটিভিটি ||
    Poetry

    || পজিটিভিটি ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Positivity

    ইংরাজী কথায়

               বাংলা কবিতা।

    এটাই বোধহয় এ্যপ্রোপিয়েড

           আমি দেথাতে চাই যে ছবিটা

    প্রখমে অঙ্ক দিয়ে বলি

           আমার ভাবনার কথাটা।

    জীবনের সঙ্গে দারুন বন্ধুত্ব অঙ্কের

             দেখুন তাদের মিলটা।

    চারটে ভালো কাজের পর, একটা তোমার খারাপ হʼলে,

                                    তিনটে তোমার ভালো কাজ হয়।

    তেমনি দুটো ভলো কাজের পর, আরও একটা ভালো করলে

                                   তিনটে তোমার ভালো কাজ দাঁড়ায়।

    তাই জীবনের যোগ-বিয়োগটা

                   অঙ্কের যোগ-বিয়োগের সঙ্গে মিলে যায়।

    তেমনি গুন-ভাগটাও

                           একইভাবে মিলে যায়।

    তাই ভালো কাজ করলে ও ভালো কথা বললে,

                 ভালো ঊগলব্ধিতে  জীবনটা চলবে তরতর করে।

    পজিটিভ কাজে ও কথায়

           পজিটিঙ রেসাল্টে মনটা থাকবে ভরে।

  • || শরীর ও মন ||
    Poetry

    || শরীর ও মন ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Shareer o Mon

    মানুষ নিজের কষ্টের বোঝা

              নিজেই বয়ে বেরায়।

    সেই কষ্ট বইতে বইতে

              সে হাঁপিয়ে যায়।

    মনের সেই কষ্ট

             শরীরে এসে পড়ে।

    তখন মনের সঙ্গে

             শরীরও খারাপ হয়ে পরে।

    শরীর ও মন

            দুটি জমজ বোনের মতো।

    একজনের কষ্টে

            অন্যজনের হয় ক্ষত।

    তাই শরীর ভালো রাখতে

                মন ভালো রাখতে হবে।

    আর মন ভালো রাখতে হলে

                 শরীর ভালো রাখতে হবে।

    দুজনেই যখন প্রাণবন্ত হবে

          তখন জীবন গতিময় হবে।

    খুশির হাত ধরে

       জীবন এগিয়ে যাবে সার্থকতার পথে।

  • || ʼআমিʼ মানুষ ||
    Poetry

    || ʼআমিʼ মানুষ ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    ‘Ami’ Manush

    ʼআমিʼ মানুষদের

                         সবকিছুই ʼআমিʼ ঘিরে।

    পৃথিবীতে এমন কিছু নেই

                         যা তাদের হাতের বাইরে।

    এরা এত বেশী ʼআমিʼ কেন্দ্রীক যে

         সমগ্র পৃথিবীই ওই আমির চারদিকে ঘোরে।

    তাদের একটু উৎসাহ দিলে

              তারা ʼআমিʼর সমুদ্রে ভেসে যায়।

    দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে

               অফুরন্ত গল্পের স্রোতে খেই হারিয়ে যায়।

    সমাজে এইসব ব্যাক্তি

                সবার কাছে হাস্যস্পদ হয়।

    ওদের ঠিক করতে

               মাথার ব্যামো ঠিক করতে হয়।

  • || কুকুরের কয়েকটি আচরণ ||
    Poetry

    || কুকুরের কয়েকটি আচরণ ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Kukurer Kichu Acharan

    কুকুর কাঁদে

          য়খন তার ক্ষিদে পায়।

    এছাড়াও তার যখন

             কোনোও কষ্ট হয়।

    বাড়ীতে কেউ মারা গেলে

         তার বিয়োগ ব্যখাায় সে কাঁদে।

    প্রাকৃতিত বেগেও, সে ছোটাচুটি করে

        আর কুঁই কুঁই করে কাঁদে।

    মনিবের রাগে সে কষ্ট পেলে

       কোনোও এক জায়গায় লুকিয়ে থাকে।

    আবার কখনও কখনও, মনিবের রাগ কমাতে

       তার পায়ে পায়ে ঘুরে বেরাতে থাকে।

    আবার মনিবের ওপর সে রেগে কোনোও কুকর্ম করলে

           সে মনিবের কাছে আসে না।

    তবুও কুকুরের মতো এত ভাল বন্ধু

                মানুষের আর একটিও মেলে না।

  • || বাবাকে জানলো পনেরো বছর পর ||
    Poetry

    || বাবাকে জানলো পনেরো বছর পর ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Babake Janlo Panero bachar por

    পনেরো বছর আগে, সপ্না জন্ম দিল

                 এক টূইন ডটারের।

    অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনিক সেন্টারে

                  জন্ম হʼল তাদের।

    সেন্টার স্বামীর শুক্রানুর বদলে

          অন্য লোকের শুক্রানু প্রতিস্থাপিত করে।

    সেই গন্ডগোল জানা গেল

             প্রায় পনেরো বছর পরে।

    সরকার ফাইন করেছে

              এক লক্ষ টাকা ডিরেক্টরকে।

    আর তিরিশ হাজার টাকা

             অপরাধী ডাক্তারকে।

    পনেরো বছর পর, মেয়ে দুটি জানলো খবর

                   তাদের নতুন বাবার।

    কিন্‌তু কি অপরাধ ছিল মেয়ে দুটির আর

                  তাদের পুরোনো বাবার?

  • || টাইটানে রুবিক্স কিউব ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || টাইটানে রুবিক্স কিউব ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Titane Rubix Cube

    উনিশ বছরের এক কিশোরের

              শখ রুবিক্স কিউব নিয়ে।

    বারো সেকেন্ডে সল্ভ করতো সেটা

              সবাইকে তাক লাগিয়ে।

    বাবার অনুরোধে টাইটানে সে গিয়েছিল

                  এ্যাডভেন্চার করতে।

    তার মনে ছিল, বারো হাজার ফুট নিচে

             বারো সেকেন্ডে রুবিক্স সল্ভ করবে সে।

    বাবার কাছে একটা ভালো ক্যামেরাও কেনে সে

                   এ কাজটা রেকর্ড করতে।

    এ কাজটায় বিশ্বরেকর্ড করে

                  গিনেস বুকে নাম লেখাতে।

    আটলান্টিকের ধ্বংসাত্বক বিস্ফোরণে

                   প্রান গেল সবার।

    সাগরের অতলে ধ্বংস হলো তার ইচ্ছা

              গিনেস বুকে নাম লেখাবার।