• || সময় পাব না, ওই কাজটা আছে ||
    Poetry

    || সময় পাব না, ওই কাজটা আছে ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Samay Pabo na, Oi Kaajta Aache

    কাজ তো আমরা অনেক করি,

                 সকাল থেকে রাত্রি।

    একটু নিয়ম মানলে পরে

                কাজ মনে হবে এক রত্তি।

    প্রাকৃতিক কাজ – ঘুমোনো, খাওয়া, …..

              এসব না করলে উপায় নেই।

    রুটিন কাজ – দাঁত মাজা, অফিস যাওয়া ….

               এগুলো তো করতে হবেই।

    আরজেন্ট কাজ আসেই সবার

          কারো বিয়েতে যাওয়া, কারও বা অন্য কিছুই।

    মেন্টেন্যান্স কাজ সবাইকেই করতে হয়

                   যখন তার সময় থাকে তখনই।

    এসব ছেড়েও, কারো রিকোয়েস্টে

                    অন্য কাজেরও সময় চাই।

    কেউ বলবে, আমি দারুন ব্যস্ত,

                  আমার দম ফেলারও সময় নেই।

    একটা উপায় আছে কিন্‌তু

                 নতুন কাজটা করার।

    নিজের হাতেই সবার আছে

                 কাজের গতি বারাবার।

    সব কাজে সমান

                 কনসেনট্রেশন লাগে না।

    তাই সেসব কাজ মেকানিক্যালি করলে

               সময় বাঁচাতে অসুবিধা হয় না।

    এছারা প্রোআ্যাকটিভলি কোনোও কাজ

               আগামী দিনগুলোর জন্য করলে আগে,

    কাজটি অনেক সহজ হয়ে যায় এবং

                     সময়ও অনেক কম লাগে।

    অনেকে আবার কিছু কাজ ফেলে রেখে

                লেজারের পিছনে ছোটা অভ্যাসই।

    কিন্‌তু কাজ ফেলে রেখে লেজার করা

                     একেবারে নিয়ম বিরুদ্ধই।

    তাই অভ্যাসটা যদি হয়

                নতুন কাজটা করে দেবার।

    সব কাজই ঠিকমতো হবে

        সঙ্গে মন ভাল হবে নিজের ও সবার।

  • || রাম ডাক্তার ||
    Poetry

    || রাম ডাক্তার ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Ram Dakter

    রামবাবু একটি প্রত্যন্ত গ্রামে

                    করেন ডাক্তারী।

    ছʼফুট দু ইন্চি লম্বা মানুষটি

                                   দেখতে খুবই রাশভারী।

    তার গলার আওয়াজটিও

                                   বেশ গমগমে।

    এম.বি.বি.এস পাশ করে

                                 ফেরেন নিজের গ্রামে,

    ছেড়ে দিয়ে শহরের

                                লোভনিয় চাকরী।

    তাঁর মতে, নিজের চিকিৎসা দিয়ে

                    গ্রামের মানুষদের সেবা করা বেশী দরকারী।

    গ্রামে যে মানুষগুলো থাকে

                                তারা বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।

    সত্যিই অসুখ করলে

                           এখানে সবাই খুব অসহায়।

    আবার শহরে চিকিৎনা করতে গেলে

                               লাগে অনেক সময়।

    এছাড়া টাকা পয়সাও

                                অনেক বেশী খরচ হয়।

    এখানে আশেপাশের গ্রামেও

                                    ভাল ডাক্তার নেই।

    তাই সবাই ছুটে আসে

                              এই রাম ডাক্তারের কাছেই।

    ধন্বত্বরি ডাক্তার উনি

                            সব রোগেরই চিকিৎসা করেন।

    কম খরচে, কম ওষুধে

                              পেসেন্টকে সুস্হ্য করেন।

    দূরের গ্রাম থেকে কল এলে

                    ওনার ঘোড়া দিগ্বিজয় ছাড়া তিনি যান না।

    আবার কাদা মাটির রাস্তায়

                     চট করে অন্য কিছু মেলেও না।

    এছাড়া রাত বারটা, ভোর চারটে,

               কোনোও সময়ই উনি কাউকে ফেরান না।

    পেসেন্টের আর্থিক অবস্থা বুঝে

                               তিনি তাঁর ফিস ছেড়ে দেন।

    এমন কি তারা বাড়ীতে দিয়ে

                                  কি খাবে তারও খোঁজ নেন।

    তার প্রেস্ক্রাইভ করা ফল, দুধ কেনার অক্ষমতা বুঝলে

                                 তিনি টাকাও দিয়ে দেন।

    তাই এই জেলায় গরীব মানুষের কাছে

                                রাম ডাক্তার ভগবান।

  • || কথা না কাজ ||
    Poetry

    || কথা না কাজ ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Kotha na Kaaj

    কোনটি বেশী জরুরী,

                   কখা না কাজ।

    কাজকে সবাই এগিয়ে দেবে

                   এখন দেখা যাক।

    বাচিক শিল্পী হলে

          কথা বলাটাই তো তার কাজ।

    আবার রঙের মিস্ত্রি হলে

             রঙ করাটাই তার কাজ।

    তাই সমান-সমান,

            দুটোই সমান দরকারী।

    এখন কখন কোনটা প্রয়োজন

            সেটা জানাটাই বেশী জরুরী।

    একটি ছেলে তখন সে

              ম্যাথসে অনার্স পরীক্ষা দেবে।

    একটা সময় সে ঠিক করলো

              কথা বলা বন্ধ করবে।

    দিনের পর দিন

              সে ইসারায় কথা বলে।

    অঙ্ক করা ও তার চিন্তায়

              এইভাবে তার দিন চলে।

    পুরো এনার্জির বেশীর ভাগটাই

              সে অঙ্কের জন্য খরচ করে।

    এতে প্রিপারেশন তো ভাল হলো

               সময়টা ঠিক খরচ করে।

    তাতে তার পরীক্ষায় তো নিশ্চয়ই

                      সুফল হলো,

    কিন্‌তু বেশ কিছুদিন কথা না বলায়

             কথা বলায় গন্ডগোল হলো।

    আগের মতো এক নাগারে

              তার কথা বলতে অসুবিধা হয়।

    নতুন যারা তাকে দেখলো, তারা ভাবলো

              এর গন্ডগোল আছে কথা বলায়।

    মাস খানেক পর

              ব্যাপারটা ঠিক হলো।

    এ যে কথা বলতে পারে

              এটা সবাই বুঝলো।

    তাই যেটি দরকার

              সেটিই করুন।

    মানুষের এনার্জি লিমিটেড,

       তাই সেটির সঠিক খরচ করুন।

  • || টাইটানিক ও টাইটান ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || টাইটানিক ও টাইটান ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Titanic o Titan

    টাইটানিকের মতো টাইটানও ধ্বংস হলো

     দু হাজার তেইশে।

    কʼদিন আগে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ

                     দেখতে গেল পাঁচজন।

    তারা যে সাবমেরিনে করে দেখতে গেল

                     তার নাম টাইটান।

    উনিশশো বারো সালে

                 টাইটানিক ধ্বংস হয়।

    আর দু হাজার তেইশে, তাকে দেখতে গিয়ে

                 টাইটানও শেষ হয়ে যায়।

    টাইটান সাবমেরিন বিস্ফোরণে

    চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।

    বিস্ফোরণের কারণ

               জানা যাবে পরে।

    টাইটানের পথ-প্রদর্শক জাহাজ

           বিচ্ছিন্ন হয় শুরুর পোঁনে দু ঘন্টা পরে।

    এটা সম্ভবত প্রধান কারণ

               হলেও হতে পারে।

    টাইটানিকের ধ্বংসে

             এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছিল।

    টাইটানেও আরেক দম্পতি, পাইলট এবং

              তার স্ত্রীর মৃত্যু হলো।

    টাইটানিকের মৃত দম্পতির গ্রেট গ্রেট গ্র্যানচাইল্ড,

      টাইটানের পাইলটের স্ত্রী ছিল।

    তাই অভিশপ্ত টাইটানিকের

                 যে দম্পতির মৃত্যু হয়,

    সেই পরিবারেরই একশো এগারো বছর পর

               আরেক দম্পতির মৃত্যু হলো।

  • || ঝড় ||
    Poetry

    || ঝড় ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Jhar

    এই কালবৈশাখীর ঝড়ে

    উড়িয়ে নিয়ে যাক সব কলুষতা।

    যত শুকনো ডালপালা আছে

    শেষ হোক সব মলিনতা।

    ঝড়ের শেষে-

    বৃষ্টি নামুক অঝোরে।

    শুকনো ডালে দেখা দিক

    সবুজের প্রাণস্পন্দন।

    ঝলমলিয়ে উঠুক পৃথিবী,

    সর্বত্র হোক দৃষ্টিনন্দন।

    মানুষ প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিক,

    থাকুক মুখে তার হাসি।

    রঙিন এই পৃথিবীর ছবি,

    আমরা সবাই ভালবাসি।

  • || আলো ||
    Poetry

    || আলো ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Alo

    এত অন্ধকার কেন?

    মানুষে মানুষে এত হানাহানি,

    এত বিদ্রুপ, এত কানাকানি?

    সিংহাসনের দিকে ল্যলুপ দৃষ্টি,

    এরাই কি বিধাতার সৃষ্টি?

    সূর্য্যের তো এত আলো…

    পৃথিবীতে সেটা কোথায় গেল?

    তবুও এত অন্ধকার কেন?

    মানুষ নিজের হাত, নিজেই দেখতে পাচ্ছে না.

    এ পৃথিবী নিঃচিহ্ন হবে যেন।

    কবে আসবে সেই আলোর দিশারী?

    কবে পৌঁছুবে সেই আলো?

    প্রতিটা প্রাণে তাঁর পদধ্বনি অনুরণিত হবে.

    ঘুচবে পৃথিবীর যত কালো।

    পৃথিবী উদ্ভাসিত হবে সেই আলোতে,

    মানুষের নতুন প্রাণ জন্ম নেবে।

    সবুজের সুঘ্রাণে চারিদিক ম ম করবে,

    মানুষ বাঁচবে।