• || কঠিন কাজ ||
    Poetry

    || কঠিন কাজ ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Kathin Kaaj

    ʼবন্ধ করো তোমার কাজʼ, গৌরী বলে।

    ʼগোটা পাহাড়টাই তো ভেঙে ফেললেʼ।

    রামরতন কাঠফাটা রোদ্দুরে

                                   পাহাড় ভেঙে যাচ্ছে।

    ওর স্থির বিশ্বাস,  এই গাহাড়ের

                                   নিচে জল আছে।

    রাজস্থানে একটা ছোট্ট ঘরে

                                  রামরতন আর গৌরী থাকে।

    রামরতন শেষ কয়েক মাস ধরে

                                          পাথড় ভাঙ্গছে।

    রামরতনের ঘরের সামনে

                                 একটা ছোট্ট পাহাড় আছে।

    সেই পাহাড়ে কেউ আসে না

                                   ওটা পরিত্যাক্ত হয়ে পরে আছে।

    গৌরী বোঝে না,

                        রামরতনের কান্ড কারখানা।

    পাহাড় ভেঙ্গে জল কি করে আসবে

                              তা গৌরীর অজানা।

    আশেপাশের মানুষজন জানে

                                    রামরতনের মাথার ঠিক নেই।

    কিন্‌তু রামরতনের বদ্ধমূল ধারনা

                                  সে পাহাড়ের নীচে জল পাবেই।

    সেদিনও রোদের মধ্যে

                         হাম্বল দিয়ে সে পাহাড় ভাঙ্গছে।

    গৌরী দূরে ঘরে

                       ব্যস্ত নানান কাজে।

    রামরতন ছুটে এসে গৌরীকে বল্ল,

                                 ʼগৌরী জলের আওয়াজ পাচ্ছিʼ।

    গৌরী কিছুই বুঝলো না,

                                    ভাবলো মাথার ব্যামোটা বেড়েছে।

    রামরতন আবার ফিরে গেল

                                       পাথড় ভাঙ্গার কাজে।

    তারপর পাঁচদিন ধরে চলে

                                   ওই পাথড় ভাঙ্গার কাজ।

    হঠাৎ জল বেরিয়ে আসে

                                    ফোয়ারার মতো।

    রামরতন চিৎকার করে বলে,

                                 ʼগৌরী জল দেখʼ।

    ততক্ষনে আশেপাশের সবাই

                                      ছুটে আসে সেখানে।

    জল দেখে সবাই উল্লসিত

                      কেউ কেউ জলের পাত্র নিয়ে আসে সেখানে।

    কঠিন কাজ রামরতন করে গেছে

                                           অবিশ্রান্ত ভাবে।

    কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে

                                      আজ সে ফল পেয়েছে।

    মানুষ যখন কোনোও কাজ

                              তার বুদ্ধি ও মন দিয়ে করে যায়,

    ভগবানও বোধহয়

                           তার হাত ধরে তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

  • || মিউজিয়াম অফ ফেলিওর ||
    Poetry

    || মিউজিয়াম অফ ফেলিওর ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Museum of Failure

    নিউইয়র্কে এই নামে

               একটি মিউজিয়াম আছে।

    এখানে অনেক ব্যর্থতার

                প্রদর্শন করা আছে।

    পৃথিবীতে বিভিন্ন বিষয়ে

              যত রিসার্চ হয়,

    তার বেশীরভাগ শেষ হয়

               সেই ব্যর্থতায়।

    কিন্‌তু ওই সব ব্যর্থতার সোপান দিয়েই

              মানুষ সাকসেসে পৌঁছায়।

    তাই যে মনস্তত্ববিধ এই মিউজিয়ামের সৃষ্টিকর্তা

              তাঁর মন ছিল অন্য চিন্তায়।

    কোনোও কোনোও মানুষ ব্যর্থতার সারনী দেখে

                 মনে করবে চেষ্টা আর চেষ্টা।

    এটাই মূলমন্ত্র কোনও জন্ম দেবে

                 এক  সার্থক প্রচেষ্টার।

    বিভিন্ন কোম্পানীর ব্যর্থতার কাজ

               এখানে দেখানো হয়েছে।

    এই মিউজিয়ামের স্রষ্টা দাঁড়িয়েছেন

                   ব্যর্থতার পাশে।

    এই মিউজিয়ামে সব ভিসিটররা

          তাদের ব্যর্থতার কাহিনি লিখে যান।

    এই মনস্তত্ববিধ বিশ্বাস করেন যে একদিন

    কোনোও ইন্সপায়ার্ড ভিসিটর সার্থকতার কাহিনি লিখবেন।

  • || নিজের শরীরের – সব জানেন? ||
    Poetry

    || নিজের শরীরের – সব জানেন? ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Do you know your body fully?

    আমরা সত্যই সম্ভবতঃ জানিনা

         ভগবান আমাদের কতটা ʼইউনিকʼ বানিয়েছেন।

    বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন উপায়ে কষ্ট করে

                নিজের কাজের ʼইউ এস পিʼ দেখাতে চান।

    আমরা জন্ম থেকেই যে কতটা ʼইউনিকʼ

                                সেটা আমরা খেয়াল করি না।

    আমাদের শরীরের অনেকগুলি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ

            অন্যদের থেকে যে আলাদা, তা হয়ত জানি না।

    একজনের কান

                      অন্য একজনের থেকে আলাদা।

    কানের বাইরের দিকে পাতায় অজস্র উঁচু নিচু আছে,

          যা একজনকে অন্যজনের থেকে আলাদা করে।

    চোখের ʼআইরিসʼ বা চোখের তারার রঙ

                                          আলাদা আলাদা।

    দুই যমজ ভাই-বোনেদেরও

                      একজনের থেকে অন্যজন আলাদা।

    মানুষের  হাঁটা এক এক জনের

                                       এক এক রকম হয়।

    কোনোও মানুষের হাঁটা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করলে

          সে যতই মেক-আপ করুক, তাকে চিনে নেওযা যায়।

    দুটি মানুষের জিভ

                       কখনওই এক রকম হয় না।

    জীভের সাইজ আলাদা আলাদা হয়

             জীভের ভেতরে লক্ষ লক্ষ উঁচু নিচু আছে, যা আলাদা।

    গলার স্বর দুটি মানুষের

                                 একে বারে এক হয় না।

    যা কাছাকাছি মনে হলেও

                                 এক বলা যায় না।

    আমাদের যে দু-পাটি দাঁত আছে

                                         তা সত্যিই আলাদা।

    দাঁতের শেপ, সাইজ, বিন্যাস

                                          সবই আলাদা।

    চোখের রেটিনা তো

                            পাশওয়ার্ডের কজ করে।

    তাই এটি একটি মানুষকে

                         অপরের থেকে আলাদা করে।

    ফিংগারপ্রিন্ট যে ইউনিক

                                   সেটি সর্বজনবিদিত ।

    তাই এটি একজনের থেকে

                     অন্যজনকে আলাদা করে।

  • || আমাজন মিরাকেল ||
    Poetry,  Stories

    || আমাজন মিরাকেল ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Amazon Miracle

    এটি একটি সত্যি ঘটনা

    আমাজনের গভীর জঙ্গলে প্লেন এক্সিডেন্টে

                     প্লেনটা ভেঙ্গে পরে।

    বেঁচে যায় চারটি শিশু

                আর সবাই প্রায় মারা যায়।

    সেনাদল পৌঁছায় সেখানে

              খুঁজতে জীবিত মানুষদের সন্ধান।

    কুকুর ছোটে এদিক ওদিক

              খুঁজতে কোথায় আছে প্রাণ।

    একটি কুকুর এসে পরে

                  ওই শিশুজের কাছে।

    কিন্‌তু সে ফেরার রাস্তা ভুলে গিয়ে

                  থাকে ওদেরই পাশে।

    শিশুদের মাঝে একজন নʼবছুরে কিশোর

                       আর একজন তের বছুরে কিশোরী।

    অন্য দুজন ছোটো হলেও

                      খেলাতে বেশ সমজদারী।

    ঘন আমাজনের জঙ্গলে দিনের বেলাতেও

                       অনেক জায়গায় আলো পৌঁছায় না সেখানে।

    চারিদিকে হিংস্র জন্তু-জানোয়ার

                                আর কীট-পতঙ্গের বাস যেখানে।

    শিশুরা যেটুকু খাবার আশপাশ থেকে যোগার করেছিল

                         তা তাদের কয়েকদিনেই শেষ হয়ে গেল।

    তারপর ওদের গাছের ফল, পাতা আর শিকরই

                                      একমাত্র খাবারের সংস্থান হʼল।

    শিশুরা জঙ্গলের আশেপাশেই বড় হয়েছে, তাই ওরা গাছের

                                  ফুল, ফল, পাতা, শিকরের সঙ্গে পরিচিত।

    ওরা মায়ের কাছে গল্প শুনেছে যে জঙ্গলে একা ঘুরতে নেই,

         আর বিপদে পরলে ভগবানকে ডাকতে, ভগবানই বাঁচাবেন।

    ওরা যা পেত তাই খেত আর

                                       ভগবানকে সবসময় ডাকতো।

    এই ভাবে চল্লিশ দিন কাটানোর পরে

                      সেনাদলের রেসকিউ টিম ওদের উদ্ধার করে।

    শিশুদের বাঁচানোর পরে

             ওদের বাবার কাছে টিম পৌঁছে দেয়,

    বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার পরে

              ছেলেটি  ছলছল চোখে বাবাকে বলে,               

      ʼবাবা মা আর নেই, মা মারা গেছে ʼ।

  • || পজিটিভ থাকুন আর প্রাণ খুলে বাঁচুন ||
    Poetry

    || পজিটিভ থাকুন আর প্রাণ খুলে বাঁচুন ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Be Positive & Lead a Loving Life

    ʼআরে করেছন কি? এটা তো রসগোল্লাʼ।

                  ʼখেয়ে ফেলুন টপ করেʼ।

    ʼডাক্তারের বারন? ছাড়ুন এক-আধ দিনʼ।

            ʼঅন্যদিন তো চলেন নিয়ম করেʼ।

    ʼনিজেকে একটু ভালোবাসুন,ʼ

              ʼনিয়ম ছাড়ুন মাঝে মাঝেʼ।

    ʼদেখবেন নতুন উদ্যমে আপনি চলেছেন,ʼ

               ʼআর মন বসছে সব কাজেʼ।

    ʼনিজেকে ভালোবাসুনʼ

             ʼদেখবেন সবাইকে ভালোবাসতে পারছেনʼ। 

    ʼমনের মধ্যে যত পুরোনো বিষ জমানো আছে,ʼ

                                   ʼতাকে ধুয়ে ফেলুনʼ।

    ʼলাল জামা পড়তে ইচ্ছা করছেʼ?

                   ʼকে কি ভাবছে না ভেবে, পড়ে ফেলুনʼ।

    ʼমনের নতুন কষ্ট? একটু সময় দিনʼ।

           ʼকʼটাদিন পরেই চলে যাবেʼ।

    ʼআরে কার সঙ্গে কমপেয়ার করছেনʼ?

        ʼনিজের গতকালের সঙ্গে নিজের আজকের কমপেয়ার করুনʼ।

    ʼনিজেকে পারফেক্ট করতে করতেʼ,

                              ʼনিজেই একদিন সোনা হয়ে উঠবেনʼ।

    ʼওটা পাবার চিন্তায় ঘুম বন্ধ?

            ʼহঠৎ একদিন পেয়ে যাবেনʼ।

    ʼ নিজের কাজ কনফিডেন্টলি করুনʼ,

                               ʼশক্তি আর সাহস নিয়েʼ।

    ʼমনটাকে কন্ট্রোল করে, হাসি বাখুন মুখে, ʼকʼদিন পরেইʼ

             ʼহাঁটবেন গোলাপের পাপরি বেছানো পথ দিয়েʼ।

  • || আ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিন্ড্রোম ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || আ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড সিন্ড্রোম ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Alice in Wonderland Syndrome

    বিখ্যাত গল্প আ্যালিস ইন ওযান্ডারল্যান্ড

    গল্পে আ্যালিসের আকার

             বদলে যেত খাবার পরে।

    একটি রোগ আছে

        যা সবসময় এই গল্পের পথ ধরে।

    নʼবছরের অস্ট্রেলিয়ার মেয়ে মাকে বলে,

       রাস্তার সব বাড়ীগুলো সব বড় হয়ে যাচ্ছে।

    তার আবার স্কুলে মনে হয়

                    টিচারের মাথাটা বড় দেখাচ্ছে।

    ইংল্যান্ডের আটচল্লিশ বছরের একজনের

              ছোটোবেলা থেকেই নিজের হাত দুটোকে বড় মনে হতো,

    আর আশেপাশের বাড়ীগুলোকে

                               খুব ছোটো মনে হতো।

    ওপরের দুটি ক্ষেত্রে

                   দুটি মানুষেরই   আ্যালিস রোগ হয়েছে।

    এই রোগ দৃষ্টি, শ্রবণ ও স্পর্শ ইন্দ্রিয়ের

                               প্রবলেম থেকে শুরু হয়।

    আবার কখনোও কখনোও দেখা বা শোনা

               এসবের ইলিউশনেও এ রোগের সৃষ্টি হয়।

    এটি কোনোও

                       মানসিক প্রবলেম নয়।

    বরং নিউরোলজিক্যাল বা

                        নার্ভের প্রবলেম থেকে হয়।

    আমাদের ব্রেনে ইলেকট্রিক্যাল আ্যাকটিভিটি

                           যখন অস্বাভাবিক হয়ে পরে

    তখনই এই রোগের

                           জন্ম হয়।

    মস্তিস্কের যে অঞ্চলে

                           দৃষ্টি ব বাহ্যিক সেন্স থাকে,

    সেখানে রক্তপ্রবাহ কম হলে

                         এই অসুখের সৃষ্টি হতে থাকে।

    কারো কারো ক্ষেত্রে, কোবিডের পরেই

                           এই রোগের সূত্রপাত হয়।

    স্ট্রোক, ব্রেন টিউমার, মৃগী, মাইগ্রেন

             এ সব থেকেও আ্যালিস শুরু হয়।

    স্কিৎসোফ্রেনিয়া, ডিপ্রেশন ও বিভিন্ন

                 ভাইরাস থেকেও এটি হতে পারে।

    তাই এর চিকিৎসা পদ্ধতি

                 বিভিন্ন রকম ভাবে করতে হতে পারে।