Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • ভারতের বিশ্বকাপ বিজয়
    Poetry

    ভারতের বিশ্বকাপ বিজয়

    To listen to the same, please click the following YouTube Video:

    src=”https://youtu.be/sbaqvX9Ywn8″

    ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তৃতীয় বার

                                জয় করলো নিজের দেশে।

    নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ফাইনালে হারার দুঃস্বপ্ন

                                 থেকে মুক্তি পেয়ে অবশেষে।

    গতবছর ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা

                          ফাইনালে জিতে শুয়ে মাটি চাপড়েছিলেন।

    এবছর ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব

                          পিচের মাটি কপালে, মুখে লাগিয়েছেন।

    ভারত প্রথম আয়োজক দেশ যে

                            নিজের দেশে বিশ্বকাপ জিতেছে।

    সেই হিসেবে ভারত

                           ইতিহাসকে ডিফিট করেছে।

    ইতিহাসকে পালটে ভারত

                            পরপর দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে।

    ভারত সেই হিসেবে

                           ইতিহাসকে রিপিট করেছে।

    ভারতের কোনও ম্যাচে যখন

                           নাছোড়বান্দা ব্যাটসম্যান দাঁড়িয়ে পড়েছে।

    ক্যাপ্টেনের কপালের ভাঁজ মুছতে

                           বুমরা তাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আউট করেছে।

    ফাইনালেও সেই একই রকমভাবে

                       ক্যাপ্টেনের ডাকে বল করেছে।

    চার-চারটি উইকেট নিয়ে

                       ম্যান-অফ-দি-ম্যাচ হয়েছে।

    তার আগে ভারত প্রথমে ব্যাট করে

                   কুড়ি ওভারে দুশো পঞ্চাশ রান করলো।

    সঞ্জু রূপকথার সুপার হিরোর মতো

                   রাজকীয় উননব্বই রান উপহার দিল।

    ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে সাতানব্বই রান

          সেমিফাইনালে আবার উননব্বই রান করলো।

    ফাইনালে আবার উননব্বই রান করে

            ম্যান-অফ-দি-সিরিজ প্রাইজ পেল।

    এদিন ভারত বিশ্বকাপে রেকর্ড

                      দুশো পঞ্চান্ন রান করলো।

    আর নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে সবচেয়ে

                      বড় ব্যাবধানে ছিয়ানব্বই রানে হারালো।

    ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনি

                  প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।

    তারপর ২০২৪ সালে রোহিত শর্মা

                   ২০২৬ সালে সূর্যকুমার যাদব জিতলেন।

  • ।।  কন্যা সন্তান  ।।
    Poetry

    ।।  কন্যা সন্তান  ।।

    To listen to the same, please click the following YouTube Video:

    সুমনার একটি মেয়ে

                    নাম তার মীরা।

    ছোট্ট মেয়ে, লম্বা গড়ন

                     দুষ্টুমিতে সেরা।

    পড়াশুনাতে ভালই সে

                         কথা শোনে বড়দের।

    তাই মিষ্টি মেয়ে পায় সবার আদর

                          সবার কাছেই সে পছন্দের।

    এরপর বছর দুয়েক কেটে গেছে

                       সন্তান সম্ভবা হয়েছে সে আবার।

    ছোট্ট ভাই আসবে মীরার

                        মনের সুপ্ত স্বপ্ন তার।

    ভর্তি হলো সে নার্সিং হোমে

                        লেবার পেনে সে কাতর।

    ভগবানকে ডাকে সবসময়

                         ছেলেই যেন হয় তার।

    একদিন পরেই জন্ম নেয়

                             সুমনার সেই সন্তান।

    একি, আবার মেয়ে হলো

                               চিন্তার হয় অবসান।

    দেখতে শুনতে ভালই সে তো

                             মীরার মতই টুকটুকে।

    বাড়ীর সবাই হা-হুতাস করে

                         কারো অপছন্দ নয় এই মেয়েকে।

    নতুন মেয়ের নাম হলো

                            মীরার বোন রানী।

    শান্তশিষ্ট স্বভাব যে তার

                             দিদির নয়নের মনি।

    পড়াশুনায় দুজনেই ভাল

                              সেরা যে যার ক্লাসেতে।

    খেলাধুলোয় ভালই মীরা

                              কিন্তু বোন বসে পরে আঁকতে।

    ক্লাস নাইনে উঠে মীরা

                            ঠিক করে পড়বে সায়েন্সে।

    রানীর পছন্দ সাহিত্য, ইতিহাস

                            তাই সে পড়ে় আর্টসে।

    স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে মীরা

                                পড়তে যায় ইন্জিনিয়ারিংয়ে।

    রানী শুরু করে তার পছন্দের সাবজেক্ট

                               ইংরাজীতে অনার্স নিয়ে।

    ইন্জিনিয়ারিং শেষ করে

                              মীরা চাকরি পায় ইসরোতে।

    রানী ইংরাজীতে অনার্স শেষ করে

                              ভর্তি হয় সে আর্ট কলেজে।

    দুবছর পরে এখন ইসরো মীরাকে

                         রকেট লচিং স্টেশনের ইনচার্জ করেছে।

    রানী দেশে বিদেশে নিজের ছবির শো করে নিজে

                          বিখ্যাত আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    সুমনার আজ মনে পরে

                            রানীর জন্মের সময়ের দিনটি।

    মন খারাপ হয়ে গেছিল সেদিন

                            জেনে কন্যা সন্তান জন্মের খবরটি।

    এখন রোজই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়

                   ছাপা হয় তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডের।

    আজ তার দুই মেয়ে দুই রত্ন

                  শুধু কোলকাতার নয় সারা ভারতের।

  • এটা খাব না ওটা খাব না
    Poetry

    এটা খাব না ওটা খাব না

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita (to view & listen the Video)

    Audio File:

    আরে একটাই তো জীবন

                একটাই তো প্রাণ।

    সবসময় এটা খাব না, ওটা খাব না

                কেন করে যান?

    মিস্টি খাওয়া বারন

            কারন ওটা খেলে ফ্যাট হবে।

    বেগুনি আর তেলেভাজাতে

                কোলেস্টরল বাড়বে।

    তেঁতো খাওয়া কষ্টের

               কিন্তু সুগারের রিগিং কমবে।

    ভোরবেলা খালিপেটে

               হলুদ, রসুন, মধু খেতে হবে।

    সুন্দর শরীর ও স্বাস্হ্য রাখতে

           এসব নানান নিয়ম মানতে হবে।

    যত কিলো ওজন, রোজ

             তত গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে।

    এমন সব নিয়ম রোজ মানতে মানতে

               প্রাণ দুর্বিসহ হবে একদিন।

    তখন নিয়ম ভেঙ্গে আনহেল্দি খাবার

           খাওয়া যেতে পারে দু-এক দিন।

    মানুষ কিন্তু মেসিন নয়

           তার মনও আছে একটা।

    জিভের ইছে মতো ফর্স্ট ফুডে

           পাখনা মেলে উড়বে সেটা।

    মানুষের শরীর ঠিক রাখতে

         দরকার পরিমিত হেল্দি আহার।

    তেমনি জল ও নিয়মিত

           ব্যায়াম করাও দরকার।

    তাই সুগার পেসেন্টদের

        ইচ্ছে হলে একটা রসগোল্লা পরুক পাতে।কয়েক কিলোমিটার হেঁটে নিন

                 সেটাকে ব্যালেন্স করতে।

    তাই ছাড়ুন, এটা খেলে কোলেশ্টরল

                  ওটা খেলে ফ্যাট।

    নোন্তা জিনিস খেও না

              শরীরের নানান বিভ্রাট।

    সবশেষে বলি, নিয়ম মেনেই চলতে হবে

                 সুস্বাস্হ্য নিয়ে বাঁচতে।

    মাঝে মাঝে শুনুন একটু

                 জিভের কথা রাখতে।

  • ত্রিদেবের ইচ্ছা
    Poetry

    ত্রিদেবের ইচ্ছা

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita (to view & listen the Video)

    Audio File:

    তিনটে ছেলে একটা মাঠে

        এক নির্জন জাযগায় বসে গল্প করছে।

    তাদের দেখে মনে হয়

         সবারই বয়েস বছর কুড়ি হয়েছে।

    শিব জটা নিয়ে দৃপ্ত ভঙ্গিতে

               তাকিয়ে কিছু ভাবছে।

    গোপাল চুলের চূড়ায়

               একটা ময়ূর লাগিয়ছে।

    আর শেষ ছেলেটি ব্রহ্মার হাতে

            কমন্ডুলুর মতো একটা পাত্র আছে।

    সবাই নিজেদের মতো

            কি যেন চিন্তা করছে।

    শিব বললো, গৃথিবীতে মানুষ

         বরো বেশি হিংস্র হয়ে গেছে।

    গোপাল বললো, ইর্ষা, লোভও

          মানুষ বড্ড হেশী বাড়িয়েছে।

    ব্রহ্মা বললো, এব সঙ্গে

          অনাচার সর্বত্র বেড়ে গেছে।

    কোনও পুজো বা মাঙ্গলিক কাজেও

            যা খুশি তাই করছে।

    দেখ আমি তো সত্ব, রজ ও তম গুণ

         সব কমবেশী করে পাঠাচ্ছি।

    ব্রহ্মার কখা শুনে গোপাল বললো,

        সামাজিক পরিবেশে তারা পাল্টাচ্ছে।

    তিনজনেরই ইচ্ছা পৃথিবীকে

             নতুন করতে হবে।

    হিংসা, হানাহানি এসব

            অনেক কমাতে হবে।

    আমি নেক্সট ছʼমাসের ডেসপ্যাচে

           সত্ব আর রজগুণটা একটু বাড়াচ্ছি ।

    তমগুনটা যতো গন্ডোগোলের কারন

           তাই  ওটা খানিকটা  কমিয়ে দিচ্ছি।

    ব্রহ্মা, ʼশুধু ডেসপ্যাচ ঠিক করলে

          তো আগামীটা ভাল হবেʼ।

    ʼকিন্তু এখন যারা ঘুরে বেরাচ্ছে

          তাদেরও তো ঠিক করতে হবেʼ।

    গোপাল ততক্ষণে বাঁশী বাজাতে

             শুরু করেছে একমনে।

    পৃধিবীর মানুষের রাগ, ইর্ষা

          আর হিংসা কমছে এই ধূনে।

    এরপর গোপাল যে ধূন শুরু করে

           লোভ কমিয়ে তাতেমনের জোর বাড়বে।

    গোপালের শেষ ধূনে

           মানুষের প্রেম ভালবাসার উন্মেষ হবে।

    শিব ততক্ষণে হাত নাড়িয়ে

          প্রচন্ড ঝড়ের সৃষ্টি করছে।

    ওই ঝড়ে কিছু খারাপ মানুষের

          মৃত্যুর ব্যাবস্থা হচ্ছে।

    এ এক কল্প কাহিনি

          যেখানে ত্রিদেব বড়ই চিন্তিত।

    কিন্তু পৃথিরীটা পাল্টে

          সত্যিই যদি এমন হতো?

  • ভারতের মেয়েদের ক্রিকেটে বিশ্বজয়
    Poetry

    ভারতের মেয়েদের ক্রিকেটে বিশ্বজয়

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita (to view & listen the Video)

    Audio File:

    দোশরা নভেম্বেরের মধ্যরাতে

           আরব সাগরের তীরে বিশ্বজয় হলো।

    ভারতের মেয়েরা সাউথ আফরিকাকে হারিয়ে

           ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেটে ট্রফি হাতে পেল।

    হরমনপ্রীত, স্মৃতি, জেমাইমা

      শেফালী, রিচা, দীপ্তি আর সবাই খেললো।

    সাউধ আফরিকার বাহিনীর সঙ্গে

        প্রাণপাতে ক্রিকেট-যুদ্ধে জয়ী হলো।

    মধ্যরাতে বিজয় উৎসবে ভারতে

        উদযাপন হলো দিওয়ালি আরেকটি।

    দীপ্তির শেষ বলে হরমনপ্রীত যখন ধরলো 

        ক্লার্কের সেই স্মরণীয় ক্যাচটি।

    প্রতিকা রাওয়েলের পা মচকালো

         শিকে ছিঁড়লো শেফালী ভার্মার।

    ফাইলালে সাতাশি রান আর দু-উইকেট নিয়ে

     মালিক হলো সে ম্যান অফ দি ম্যাচ তখমার।

    রিচা ঘোষের ঝোডো চৌত্রিশ রান

           এলো মাত্র চব্বিশ বলে।

    ভারতের মেয়েরা দুশো আটানব্ব্ই

           রান করলো সবাই মিলে।

    জেতার উদগ্র বাসনা নিয়ে

       ভারতের মেয়েরা এলো বল করতে।

    এই রান আটকাতে হবে

        কুড়ি ওভারে ম্যাচ জিততে।

    শেষ দুবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলে

           দুবারই হয়েছে হারতে।

    তাই দল পরিচালনার ফাঁকে বারবারই

           দেখা গেল হরমন ব্যস্ত ভগবানকে ডাকতে।

    ক্যাপ্টেন উলভার্টের শতরানের পর

     দীপ্তের বলে আমনজোৎ ক্যাচ ধরলো।

    ম্যাচের ভাগ্য আস্তে আস্তে

              ভারতের দিকে এগিয়ে এলো।

    সতীর্থদের সাফল্য এলো একেএকে

     এক এক করে ব্যাটসম্যানকে আউট করতে।

    এব পর দীপ্তির শেষ বলে

     ভগবান হরমনকে দিলেন উনিং ক্যাচ ধরতে।

    নবি মুম্বাইয়ে লেখা হলো

            ক্রিকেটের নতুন ইতিহাস।

    অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের পর

           বিশ্বজয়ী ভারত চতুর্থ দেশ।

    আরব সাগরের তীরে মধ্যরাতে

    ভারতের মেয়েদের ক্রিকেটের সূর্যোদয়।
    আগামী দিনে ক্রিকেটকে পেশা করতে

      ভারতের মেয়েরা হবে অকুতোভয়।

  • নতুন পৃথিবী
    Poetry

    নতুন পৃথিবী

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita (to view & listen the Video)

    Audio File:

    পৃথিবী কি ধ্বংস হবে

               পাঁচশো বছর পরে?

    তারপর নতুন পৃথিবী জন্ম নেবে

               একটু একটু করে?

    পৃথিবীতে দাবানলের মতো

                অবাঞ্ছিত উষ্ণায়ন বাড়ছে।

    সেই উষ্ণ বায়ুর প্রকোপে

                সৃষ্টির নিয়ম পাল্টাচ্ছে।

    সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে

                ক্রমে ক্রমেই।

    অ্যানটার্কটিকার পাহাড়ে

          বরফ গলছে দিনে দিনেই।

    সেই নতুন পৃথিবী

             কেমন হবে?

    সৃষ্টির অমোঘ লীলায়

         আবার কি মানুষ জন্মাবে?

    আজকে মানুষের হানাহানিতে

           সৃষ্টিকর্তাও বোধহয় উদ্বিন্ন।

    তাই নতুন মানুষের রূপ হয়ত বা

           হবে একেবারেই ভিন্ন।

    হিংসা থাকবে না

                আজকের মতো।

    রবীঠাকুরের তাসের দেশের মতো

          নিয়ম মানা হবে মজ্জাগত।

    তবে সেখানেও রানীবিবির মতো

            কারও মন হতে পারে চঞ্চল।

    কোনও এক আগন্তুকের আগমনে

            রাজাকে সামলাতে হবে সেই গন্ডোগোল।

    রেসারেসি থাকবে না

               সেই নতুন পৃথিবীতে।

    সবাই চলবে একই রাস্তায়

             নিয়মানুবর্তিতায় আর বুদ্ধিতে।

    নতুন রাস্তা দেখবে সবাই

               কোনও এক আগন্তুকের আগমন দিয়ে।

    কিন্তু সে রাস্তাও হবে

            মানবিকতাকে বিসর্জন না দিয়ে।

    বিঞ্জান সেদিন হবে

            শুধু মানুষের উপকারে।

    তাকে বিকৃত করে

            প্রয়োগ হবে না একেবারে।

    থাকবে না উচ্চ-নীচ, ভেদাভেদ

               মানুষের মধ্যে।

    দুর্বুদ্ধির ব্যাবহার হবে না

               সেই পৃথিবীতে।

    সবাই করবে তার

          নিজের পছন্দের কাজ।

    সেই নিয়ে কেউ কিছু বলবে না

          যেমন বলছে আজ।

    পৃথিবীর সমস্ত সম্পদে

            সবার হবে সমান অদিকার।

    তাই ঝামেলাও থাকবে না

            হবে না আজকের মতো হাহাকার।

    সেই পৃথিবীতে বাঁচতে কে না চায়

           নিজের মতো করে।

    মনে থাকবে সুখ, শান্তি

           আর সমৃদ্ধি জীবন ভরে।