Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| সাধুবাবা ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sadhubaba
একটি লোকের সঙ্গে
এক সাধুর দেখা হʼল।
সাধু তাকে বললো, ʼভাল মানুষ হও বাবাʼ,
বলে চলে গেল।
অনেকদিন পরে কোনও এক ঘটনাচক্রে
লোকটি চুরি করলো ও জেলে গেল।
হাজতবাসের সময় কাটিয়ে
লোকটি জেল থেকে ছাড়া পেল।
আবার রাস্তায় সেই সাধুবাবার
সঙ্গে লোকটির দেখা হʼল।
সাধুবাবা আবার বললো, ʼভাল মানুষ হও বাবাʼ,
বলে আবার চলে গেল।
রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে
তার বেশ খিদে পাচ্ছিল।
তার পকেটে দশ টাকা ছিল
তাই দিয়ে সে একটা পাউরুটি কিনল।
হঠাৎ একটা ভিখিরি
তাকে পাউরুটিটা চাইল।
ভিখিরিটা বললো, ʼসে দুদিন কিছু খায়নিʼ।
শুনে সে পাউরুটিটা ভিখিরিকে দিয়ে দিল।
একটু পরে রাস্তায়
তার এক বন্ধুর সাথে দেখা হʼল।
বন্ধু তাকে সঙ্গে করে
তার কারখানায় নিয়ে গেল।
কারখানার মালিক তাকে
কারখানাতে একটা কাজ দিল।
পরে তাকে থাকার জন্য
এক যায়গায়ও ব্যবস্থা করে দিল।
নতুন ঘরে রাত্রে শুয়ে শুয়ে
সে সকালবেলার কথা ভাবছিল।
হঠাৎ সাধুবাবার কথা মনে পরতে
তার মনে হʼল, সে কি ভাল মানুষ হলো?
-
|| পরিক্রমণ ||
Audio File Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Parikraman
একটি মানুষ জন্মায় পৃথিবীতে
হাতে নিয়ে অনেক কাজ।
সে ক্রমে ভুলতে থাকে
তার যা ছিল করার আজ।
সে তার নিজের পরিবেশে
হয়ে ওঠে অন্য এক মানুষ।
হয়ত সে আজ নিজেরই বিপরীত-মনস্ক
নেই কোনও তার হুঁশ।
অন্য আরেকজন, শুরু থেকেই কাজ করে,
নিজের কাজের লিস্ট দেখে।
যেমন কাজে পাঠানো তাকে
তেমন কাজই চলতে থাকে।
ওপরওলা পাঠায় যখন
ভাল কাজের লিস্ট দিয়ে।
কেউ হয় ডাকাত, কেউ মনিষী
আপন কাজের পথে এগিয়ে।
ফাইনাল রেসাল্ট শেষের দিনে
জানতে গারে নিজেরটুকু।
অচিনপুরের যাত্রী সে আজ, রেজাল্ট হাতে
করে পরের যাত্রার হিসাবটুকু।
-
|| নিঃশর্ত ক্ষমা ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Nirshata Shama
সব রঙ মিশে যে রঙ হয়
সেটা তো সাদা।
তাই সবাই যে রূপে দেখে তোমায়
তুমি তো সেই রূপী নও দাদা।
অনেক অন্ধকারে তো কাটালে জীবনে
আর ঘেট না কাদা।
হিংসাবৃত্তি ছাড়ো এবারে
মনটা আনো ভালো কাজে।
এখনও কুকাজ বন্ধ না করলে
সামনে তোমার বিপদ নাচে।
রাতের কালো ধুয়ে ফেলো
অনেক ভালো কাজ তো আছে।
মানুষ হʼয়ে জন্মেছ যখন
তুমি মানুষ হʼয়ে ওঠো।
মনের সব আত্মগ্লানি ভুলে
ভালো রাস্তায় ছোটো।
দুঃখ তোমার কমবে এতে
ভুল শোধরাতে জোটো।
রাতের পরেই আসে যে দিন
সেই দিনে নিজের মুখটা দেখে নাও।
কালো রাতের, কালো কাজের
নিঃসর্ত ক্ষমা চাও।
শুভ্র আলোয় শুভ্র মনে
দেবাঞ্জলি আজ দাও।
-
||হ্যারি পটার ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Harry Potter
হ্যারি পটার বাঙালী সাজে
করছে ভুবন মাত।
নতুন লুকে পুরোনো সব কাজ
করে যাচ্ছে আজ।
এ আই-এ তৈরী পোষাকে
হ্যারি দারুন মানানসই।
অন্য সবাইও চেন্জ করেছে
হ্যারির পোষাকের মতোই।
ঝাঁটার পিঠে আকাশ ভ্রমন
কিম্বা পাহাড়ে ওঠার যাদু।
মানুজন এসব দেখে
আবার হচ্ছে কাবু।
তরোয়াল নিয়ে যুদ্ধ করা
কিম্বা আগুনের গোলা ছোঁড়ায়,
ভিলেনরা সব কুপোকাত
হচ্ছে হেলা ফেলায়।
-
|| এত অন্ধকার কেন? ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Eto Andhakar Keno
মানুষের এত হিংসা কেন?
এত লোভ কেন?
দিশেহারা হয়ে মানুষ ছুটে বেরাচ্ছে
নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য।
একটি মানুষ নিজের সুবিধার জন্য
আরেক জনকে মারছে।
মানুষ বিদ্রুপ করছে সেইসব যুগাবতারকে
যাঁদের মানুষই ভগবানের মতো পুজো করছে।
এ কোন পৃথিবীতে আমরা বাস করছি
যেখানে চারিদিকে এত অনাচার।
এ কোন সকালবেলায় আমরা আছি
যা দেখে মনে হয় রাত্রের ঘুটঘুটে অন্ধকার।
কালো কলুষতা আর বিষে সূর্যের
শুভ্র আলো ঢাকা পরে যায়।
সেই কালো কলুষতার মেঘ কাটবে
মনুষ্যত্বের উত্তরণের আলোয়।
নতুন পৃথিবীতে থাকবে না অন্ধকার
মানুষের মনে সেই আলো দেখা দেবে।
নতুন প্রজন্মের হাত ধরে
পৃথিবী জীবনের আলোয় উদ্ভাসিত হবে।
-
|| টয় ট্রেন ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Toy Train
শৈল শহর দারজিলিং যেতে
মজার যাওযা টয় ট্রেনে করে।
শিলিগুড়ি স্টেশন থেকে দারজিলিং
এটা চলাচল করে।
দুরত্ব নয় খুব বেশী
প্রায় চুরাশি কিলোমিটার।
এই দুরত্বে ট্রেনটিকে ওপরে
উঠতে হয় দু হাজার আটান্ন মিটার।
অনেক জায়গায় ট্রেনের পাশাপাশি
গাড়ী চলে রাস্তায়।
দুʼদিকের যাত্রীর একে অন্যকে
হাত নেড়ে অভিনন্দন জানায়।
এটি দু-ফিট ন্যারো গেজ রেললাইনের
ওপর দিয়ে যায়।
বাইশশো আটান্ন মিটার ওপরে এটি
ঘুম স্টেসনে গিয়ে দাঁড়ায়।
ঘুম ভারতের সবচেয়ে উঁচু
রেলওয়ে স্টেশন।
দারজিলিং পৌঁছুতে ট্রেনটি আবার
নামে দুশো মিটারের মতন।
ট্রেনটি সুখনা জঙ্গলের
ভেতর দিয়ে যায়।
জঙ্গলের গাছপালা দেখতে
সবাই আনন্দ পায়।
রাস্তায় যেতে যেতে
আসে বাতাসিয়া লুপ।
সেটি দেখতে সবারই
দৃষ্টি থাকে লোলুপ।
আকাশ পরিষ্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘাও
দেখা যায় ট্রেনে বসে বসে।
হিমালয়ের রানিকে এত সহজে দেখে
সবাই ফোটো নেয় মনের সুখে।
প্রায় তিন ঘন্টা সময় লাগে
শিলিগুড়ি থেকে দারজিলিং পৌঁছুতে।
ইউনেসকো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট
তকমা দিয়েছে এটিকে।

















