Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| সাদা জবা ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sada Joba
কদর বেশী লাল জবারই
মায়ের পায়ে দেবে বলে।
আমার ঠাঁই যে দেবাদি দেব,
আর মাধবেরই চরণতলে।
রাধারানী, সরস্বতী মাও
চান য়ে আমায়,
তাই আমার কদর
কম কি হয়?
কোন গাছটা লাগাবে তুমি
বাড়ীতে ফুল পেতে হলে?
আমার গাছে ফুল পাবে গো
রোজ সকাল হʼলে।
দুটো গাছই চাই আমাদের
দুটোই লাগবে পুজোতে।
আমি কিন্তু রাখবো দুজনকে
পাশাপাশি টবেতে।
-
।। গান শোনা। ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Gaan Shona
গান শুনতে স্টিরিও, মোবাইল
আর লাগে রেডিও।
টিভিতে থেলা, সিরিয়াল চলে
আর চলে নাচ-গানও।
চোখ বন্ধ করে গান শোনাতে
মজা যেমন আছে,
তেমনি মজা পাবে কি আর
সঙ্গে চটকদারী নাচে।
গানের সঙ্গে নাচ দেখাটাই
চলছে এখন জমজমাটি।
রবীন্দ্রসংগীত শুনতে গেলে
বেষ্ট আমার স্টিরিওটি।
-
|| চড়কের মেলা ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Charaker Mela
চৈত্র্য সংক্রান্তিতে চড়কের মেলা
একটা বড় মাঠে বসেছে।
মাঝখানে বিরাট গাছের খুঁটি করে
ওপরে লম্বা বাঁশ বাঁধা আছে।
একটু পরে সন্যাসীরা ওই
বাঁশে নিজেদের বেঁধে ঘুড়়বে।
চারিদিকে কত মানুষ তাদের
বিভিন্ন পসরা নিয়ে এসেছে।
ওখানে গরম গরম জিলিপি সবাই
ভীড় করে খাচ্ছে।
পাশে পাপড়ের দোকানে বড়রা পাপড় কিনে
ছেলেমেয়ের হাতে একটা করে ধরিয়ে দিচ্ছে।
তার পাশেই একটা মাটির পুতুলের
দোকান হয়েছে।
বিভিন্ন দেব-দেবীর অনেক মূর্তি আর
ছোট ছোট সুন্দর পুতুল আছে।
একটা বাচ্ছা মেয়ে অনেকক্ষণ ধরে
একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে।
কত ছেলেমেয়েরা বড়দের সঙ্গে এসে
কোনোও পুতুল বা মূর্তি কিমে নিয়ে যাচ্ছে।
সেই বাচ্ছা মেয়েটি সব দেখছে
দূর থেকে তাকিয়ে তাকিয়ে।
কিন্তু তার সাহস হচ্ছে না দোকানদারের
সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে গিয়ে।
দোকানদার দেখতে পেয়েছে
দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্ছা মেয়েটাকে।
মেয়েটির মায়াবী মুখ দেখে
সে তাকে হাত নেড়ে ডাকে।
ʼতুমি কিছু কিনবেʼ?
ʼদেখছো দাঁড়িয়ে অনেকক্ষন ধরে ʼ।
ʼআমার কাছে তো বেশী পয়সা নেইʼ,
ʼতাই কিনবো কেমন করেʼ?
ʼতোমার কি পছন্দ বলোʼ
ʼআমি তোমায় কম দামে দেবʼ।
ʼদেখ আমার ভিক্ষা করে পাঁচ টাকা হয়েছেʼ
ʼতাতে মুড়ি কিনে খাবʼ।
ʼআর তো পয়সা নেইʼ,
ʼতাই কিনবো কেমন করেʼ?
দোকানদারের খুব মায়া হয়
মেয়েটার ওপরে।
সে বল্ল, ʼতোমার কি পছন্দ বলোʼ,
ʼআমি এমনিই দেব তোমাকেʼ।
ʼআমার ওই নাড়ু গোপাল চাইʼ,
ʼদেবে আমাকেʼ?
ʼকি করবে তুমি নাড়ু গোপালেরʼ
ʼমূর্তি নিয়েʼ।
ʼআমি পুজো করবো গোʼ
ʼওই বাগানের ফুল দিয়েʼ।
দোকানদার তাকে
নাড়ু গোপালের মূর্তিটা দিয়ে দেয়।
ʼএকটু দাঁড়াও, আমি আসছিʼ, বলে পাশের দোকান থেকে
মেয়েটিকে পাউরুটি আর ঘুঘনি এনে দেয়।
মেয়েটি খাবার পেয়ে
গোগ্রাসে খেয়ে তা শেষ করে দেয়।
তারপর পাশের দোকান থেকে হাত ধুয়ে
নাড়ু গোপাল হাতে নিয়ে চলে যায়।
দোকানদার মনে মনে ভাবে
এই সওদাতে হʼল না কোনোও রোজগার।
কিন্তু মনে হচ্ছে
লাভ হʼল দেদার।
-
|| হোয়াটঅ্যাপে এক চার তিন দুই ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Whatsapp e 1432
হোয়াটঅ্যাপে একটি ছেলের সঙ্গে
একটি মেয়ে চ্যাট করছে।
কথাগুলো চলছে
সব কোড ল্যাঙ্গুয়েজে।
ছেলেটি লিথলো,
এক-চার-তিন।
মেয়েটি উত্তর দিল,
এক-চার-তিন-দুই।
বুঝলেন কিছু?
আমিতো বুঝিনি।
এক-চার-তিন মানে
আই লাভ ইউ।
আর এক-চার-তিন-দুই মানে
আই লাভ ইউ টু।
তেমনি বি এ ইউ মানে
বিসনেস অ্যাস ইউজুয়াল।
এল ও এল মানে
লাফিং অউট লাউডার।
শেষে আমি বলি,
ʼটি ওয়াইʼ, থ্যাঙ্ক ইউ।
-
।। কন্যা সম্প্রদান ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Kanya Sampradan
রীতা জাতীয়দলে
একজন নামকরা ফুটবল প্লেয়ার।
সে এক গ্রামের মেয়ে
তার বাবা শহরে ঠিকাদার।
বিকাশ বাবু তার কোচ
ছোটবেলা থেকে।
রীতার ফুটবলে আগ্রহ দেখে
তাকে নিয়েছেন ডেকে।
বিকাশবাবু ছেলেদেরও খেলা শেখান,
তবে সেটা অন্য সময় থেকে।
ছেলেদের দলে কমল
খুব ভাল প্লেয়ার।
রীতার আবার স্পেশাল বন্ধু সে
দুজনে একসঙ্গে প্র্যাকটিস করে আবার।
বিকাশবাবু সব শুনে
দুই বাড়ীর সঙ্গে কথা বলেন।
দুগক্ষই রাজী জেনে
ওদের বিয়ের ঠিক করেন।
সব স্টুডেন্টরা তার ছেলে মেয়ের মতো
দেন কথোনো গাড়ীভাড়া, কখোনো খাবার।
ইন-ডিসিপ্লিন কাজকর্ম দেথলে
বকুনিটাও আছে তার আবার।
বিয়ের দিনে সবাই আসে
সবারই খুব আনন্দ।
রীতার বাবা-মা বলে বিকাশ বাবুকে,
রীতাকে আপনি সম্প্রদান করুন,
সেটাই আমাদের পছন্দ।
ছাত্রীকে সম্প্রদান করে
কর্তব্য করেন বাবার।
আশীর্বাদ করেন রীতাকে
মেয়ের মতোই ওনার।
-
।। মিষ্টি নিয়ে বিব্রত ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Misti Niye Bibrata
সেদিন ছিল গুরুপুর্ণিমা, আমি যাচ্ছি
অঙ্কের এক মাস্টারমশায়ের বাড়ীতে।
আমার সঙ্গে আমার সতীর্থ গৌতমও
যাচ্ছে আমার সাথে।
স্যারের বাড়ীতে যাবার আগে
আমরা কিনি ফুল আর মিষ্টি।
জানিনা তখন, সেটাই বোধহয়,
বেদম অনাসৃষ্টি।
যেখান থেকে যাচ্ছি,
সেটা খুব কাছেই।
তাই আমরাও ওখানে
যাচ্ছি হেঁটেই।
একটু পরেই পৌঁছে যাই
স্যারের বাড়ী।
বাড়ীতে ঢুকে স্যারকে
ডাকাডাকি করি।
খানিক পরেই স্যারের বৌ বেরিয়ে এসে বলে,
স্যার মারা গেছেন কয়েকদিন আগে।
গুরুপুর্ণিমার দিনে হঠাৎ গুরুর মৃত্যু সংবাদ শুনে
হতচকিত হয়ে যাই।
তখন মিষ্টি আর ফুল নিয়ে
কি করব বুঝতে পারি না।
সামনে একটা টেবিলে ওগুলো রেখে
স্যারের খবর নিয়ে বেরিয়ে যাই।

















