Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • || অমরনাথ যাত্রা  ||
    Poetry

    || অমরনাথ যাত্রা  ||

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Amarnath Jatra

    অমরনাথের যাত্রা শুরু হয়

                পহেলগাম থেকে।

    সেখান থেকে চন্দনবাড়ী পৌঁছাই

          পাকদন্ডি দিয়ে হেঁটে হেঁটে।

    চন্দনবাড়ীতে সবাই থাকে

            রাতটুকু কাটাতে।

    আবার হাঁটা, আবার হাঁটা,

           পৌঁছোই শেষনাগেতে।

    সেদিন পূর্ণিমা, শেষনাগে পৌঁছাই

         শেষনাগ-লেকের সামনে যাই।

    প্রায়ান্ধকারে শেষনাগ-লেকে পরিবেশকে

        মোহময় করেছে চাঁদের আলোর রোশনাই।

    শেষনাগ লেকের নীল জলে

             সাদা সাদা বরফ ভাসছে।

    সাদা বরফগুলো প্রতিফলনে নীল জলে

         চুমকির মতো অসাধারণ লাগছে।

    এরপর শুতে চলে গেছি

            প্রকৃতির ওই মোহময়তা মেখে।

    সকালে উঠে শেষ দিনের যাত্রা শুরু হয়

           শেষনাগ থেকে পঞ্চতরণীর পথে।

    একটু হাঁটার পরে দেখি

          সামনে বিশাল পাহাড়।

    পাহাড়ের নাম মহাগুনাস,

         পাহাড়টি আছে বরফের চাদরে ঢেকে।

    তার ওপর দিয়ে রাস্তা চলে গেছে

                    পঞ্চতরণীর দিকে।

    সূর্যের আলোর প্রতিফলনে

            এত চকচক করছে,

    যে কালো সানগ্লাসেও

            চোখ ঝলসে যাচ্ছে।

    হঠাৎ তুষার বৃষ্টি শুরু হয়, তুলোর মতো বরফ

      সর্বাঙ্গে পরে সব সাদা হয়ে যাচ্ছে।

    হাতে লাঠি থাকা সত্তেও

             পা পিছলে যাচ্ছে।

    মিনিট দশেক এইভাবে কাটার পর

            শেষ হয় কষ্টকর যাত্রা বৃষ্টিতে।

    আরও কিছুক্ষন হাঁটার পরে

           আমরা পৌঁছাই পঞ্চতরণীতে।

    একটু রেস্ট নিয়ে, আরেকটু হেঁটে

         পৌঁছাই অমনাথ গুহার সামনে।

    গুহার ভেতরে ঢুকে দেখি

         অমরনাথদেবের বিশাল বরফের মূর্তি।

    পাশে পার্বতী ও গনেশের

              আরও দুটি বরফের মূর্তি।

    মূর্তির সামনে জুতো খুলে

             সবাই পুজো দেই।

    সেখানে খালি পায়ে

          বেশীক্ষন দাঁড়ানো যায় না।

    কারণ পায়ের নিচে বরফে পা জমে

       পায়ের নিচে কোনোও সেন্স পাচ্ছি না।

    অনেকক্ষন অপলক দৃষ্টিতে

        অমরনাখজীকে দর্শন করি।

    তারপর আস্তে আস্তে

        সবাইমিলে বেরিয়ে পরি।

    জয় অমরনাথজী।

  • || গান শুনতে এ আই  ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || গান শুনতে এ আই  ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Gaan Shunte AI

    সমঝদার গান পাগল মানুষের

              নয়েস একেবারেই না-পছন্দ।

    সবাই শুনতে চায়

           পরিস্কার ভাবে সুর, তাল ও ছন্দ।

    এআই ইমারসিভ এক্সপিরিয়েন্স তো দরকার

              গানের মধ্যে ডুবে যেতে।

    বর্তমান প্রজন্মের মানুষেরা

              অনেক কিছু চায় গান শুনতে।

    কনভার্সেশনাল এআই-কে বলতে হবে

              কোন গান চান শুনতে?

    সে সত্যি সত্যি হাজির করবে

              আর আপনার কান তা শুনবে।

    অনেকে আবার স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম

              খোঁজেন গান শুনতে।

    গান শুনলে কি হয়?

           বেশিরভাগ উত্তর ডি-স্ট্রেং হয়।

    অফিসের কাজের চাপের থেকে

            এতে মন হাল্কা হয়।

    কিছু মানুষ আবার বলেন,

        এতে রোমান্টিক সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয়।

  • || হোয়াটসঅ্যাপ পিঙ্ক স্ক্যাম  ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || হোয়াটসঅ্যাপ পিঙ্ক স্ক্যাম  ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Whatsapp Pink Scam

    হোয়াটসঅ্যাপের একটি বার্তা

        পিঙ্ক থিম ডাউমলোড করতে বলছে।

    এ বার্তা ভারতের কিছু শহরে

              কিছু মানুষের কাছে এসেছে।

    সবুজ, সাদা, কালো দেখ দেখে

              মানুষের একঘেয়ে হয়ে গেছে।

    তাই তার জায়গায় পিঙ্ক দেখে

              অনেকেই ডাউনলোড করেছে।

    হোয়াটসঅ্যাপের রঙ গোলাপি হতেই

          ফোনের সবকিছু হ্যাকারদের হাতে।

    আপনার ব্যাঙ্ক-ডিটেলস, সব পাসওয়ার্ড, ওটিপি

              সবকিছুই তাদের কাছে।

    সঙ্গে সঙ্গে অ্যনড্রয়েড ফোনের সেটিংস থেকে

        অ্যাপে গিয়ে পিঙ্ক অ্যাপ আন-ইন্সটল করতে হবে।

    বা আই ফোনে

        পিঙ্ক অ্যাপ আন-ইন্সটল করতে হবে।

  • || চিন্তা করে কাজ করা ||
    Poetry

    || চিন্তা করে কাজ করা ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Chinta kore kaaj kora

    ʼবাবা এ চলবে নাʼ,

                  ʼএকে হটাওʼ।

    দেখ আমার মনে হচ্ছে, এ বলছে,

                       ʼআমাকে বাঁচাওʼ।

    ʼনা বাবা, এত স্লোʼ,

           ʼকোনোও কাজ হবে না একে দিয়েʼ।

    এই কথোপকথন কোনোও মানুষকে নিয়ে নয়,

                 বাড়ীর ডেস্কটপ কম্পিউটার নিয়ে।

    ছেলের কথা,

           টেন-ফিফটি গ্রাফিক্স কার্ডে চলবে না।

    তাকে পালটে সিক্সটিন-সিক্সটি কার্ড না লাগালে

                কম্পিউটার ফার্স্ট হবে না।

    বাবা ছেলেকে বলে,

                 পুরোনো কার্ডটা টিউন্ড হয়ে গেছে কম্পিউটারে।

    এটাকে চেন্জ করলে

                  কোনোও আনফোরসিন প্রবলেমও হতে পারে।

    এর পর বেশ কয়েক মাস

                             কেটে গেছে।

    কম্পিউটারও দিব্বি

                    কাজ করে যাচ্ছে।

    একদিন ছেলে বলে,

            ʼবাবা সিক্সটিন-সিক্সটি কার্ডটায় বাগস আছেʼ।

    ʼতাই কোম্পানী ওটাকেʼ

                        ʼউইথড্রো করে নিচ্ছেʼ।

  • || রেডিও ||
    Poetry

    || রেডিও ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Radio

    কানু-মিনুর মা রেডিওটাকে

        এক আছার মারে, সেটা ভেঙ্গে যায়।

    রেডিওটা ভালই চলছিল

        সেটা একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।

    কানু স্কুলে পড়ে, কিন্‌তু সে

         সার্কিট দেখে রেডিও করতে চায়।

    ওর একটা পাতলা বই আছে

        সেটা দেখে দেথে রেডিও বানানো যায়।

    রেডিও সাড়ানো কাকুর কাছে

            সে রেডিওর কম্পনেন্টগুলেো চিনেছে।

    এখন বাজার থেকে ওগুলো কিনে এনে

          ও অ্যাসেমব্লি করার কথা ভাবছে।

    বাবার কাছে টাকা নিয়ে ও গ্র্যান্ট স্ট্রীটে গিয়ে

            সব কম্পনেন্টগুলো যোগার করে।

    এবারে সেগুলো সারকিটে যা আছে

              সেই মতো সোল্ডার করে।

    পুরোনো রেডিওর স্পীকারের সঙ্গে

            কানেক্ট করে রেডিও বাজে।

    কানু খুব খুশি, তার নতুন রেডিওর জন্য

      ভল্যুম কন্ট্রোল ছাড়া, বাকী সব ঠিকঠাক আছে।

  • || একটি সৎ মানুষ ||
    Poetry

    || একটি সৎ মানুষ ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Ekti Sat Manush

    ʼরতনকে আমার হʼয়েʼ,

                ʼএকশো সতের টাকা দিয়ে দিসʼ।

    এ কথা বলতে বলতে রামকিঙ্কর বাবু

                            অ্যামবুলেন্সে উঠলেন।

    ভাইপোর সঙ্গে তিনি এখন

                           হসপিটালে যাচ্ছেন।

    পাড়ার ডাক্তার ওনার বুকের ব্যথা পরীক্ষা করে

           ইমিডিয়েটলি হসপিটালে যাবার পরামর্শ দিয়েছেন।

    অ্যামবুলেন্সে বুকের যন্ত্রণা নিয়ে

                             ক্ষীণ গলায় বললেন ভাইপোকে,

    ʼআমি ফিরবো কি ফিরবো না ঠিক নেইʼ,

                    ʼমাছওলার বাকী টাকাটা দিতে হবেʼ।