Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| রাম ডাক্তার ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Ram Dakter
রামবাবু একটি প্রত্যন্ত গ্রামে
করেন ডাক্তারী।
ছʼফুট দু ইন্চি লম্বা মানুষটি
দেখতে খুবই রাশভারী।
তার গলার আওয়াজটিও
বেশ গমগমে।
এম.বি.বি.এস পাশ করে
ফেরেন নিজের গ্রামে,
ছেড়ে দিয়ে শহরের
লোভনিয় চাকরী।
তাঁর মতে, নিজের চিকিৎসা দিয়ে
গ্রামের মানুষদের সেবা করা বেশী দরকারী।
গ্রামে যে মানুষগুলো থাকে
তারা বিনা চিকিৎসায় মারা যায়।
সত্যিই অসুখ করলে
এখানে সবাই খুব অসহায়।
আবার শহরে চিকিৎনা করতে গেলে
লাগে অনেক সময়।
এছাড়া টাকা পয়সাও
অনেক বেশী খরচ হয়।
এখানে আশেপাশের গ্রামেও
ভাল ডাক্তার নেই।
তাই সবাই ছুটে আসে
এই রাম ডাক্তারের কাছেই।
ধন্বত্বরি ডাক্তার উনি
সব রোগেরই চিকিৎসা করেন।
কম খরচে, কম ওষুধে
পেসেন্টকে সুস্হ্য করেন।
দূরের গ্রাম থেকে কল এলে
ওনার ঘোড়া দিগ্বিজয় ছাড়া তিনি যান না।
আবার কাদা মাটির রাস্তায়
চট করে অন্য কিছু মেলেও না।
এছাড়া রাত বারটা, ভোর চারটে,
কোনোও সময়ই উনি কাউকে ফেরান না।
পেসেন্টের আর্থিক অবস্থা বুঝে
তিনি তাঁর ফিস ছেড়ে দেন।
এমন কি তারা বাড়ীতে দিয়ে
কি খাবে তারও খোঁজ নেন।
তার প্রেস্ক্রাইভ করা ফল, দুধ কেনার অক্ষমতা বুঝলে
তিনি টাকাও দিয়ে দেন।
তাই এই জেলায় গরীব মানুষের কাছে
রাম ডাক্তার ভগবান।
-
|| কথা না কাজ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Kotha na Kaaj
কোনটি বেশী জরুরী,
কখা না কাজ।
কাজকে সবাই এগিয়ে দেবে
এখন দেখা যাক।
বাচিক শিল্পী হলে
কথা বলাটাই তো তার কাজ।
আবার রঙের মিস্ত্রি হলে
রঙ করাটাই তার কাজ।
তাই সমান-সমান,
দুটোই সমান দরকারী।
এখন কখন কোনটা প্রয়োজন
সেটা জানাটাই বেশী জরুরী।
একটি ছেলে তখন সে
ম্যাথসে অনার্স পরীক্ষা দেবে।
একটা সময় সে ঠিক করলো
কথা বলা বন্ধ করবে।
দিনের পর দিন
সে ইসারায় কথা বলে।
অঙ্ক করা ও তার চিন্তায়
এইভাবে তার দিন চলে।
পুরো এনার্জির বেশীর ভাগটাই
সে অঙ্কের জন্য খরচ করে।
এতে প্রিপারেশন তো ভাল হলো
সময়টা ঠিক খরচ করে।
তাতে তার পরীক্ষায় তো নিশ্চয়ই
সুফল হলো,
কিন্তু বেশ কিছুদিন কথা না বলায়
কথা বলায় গন্ডগোল হলো।
আগের মতো এক নাগারে
তার কথা বলতে অসুবিধা হয়।
নতুন যারা তাকে দেখলো, তারা ভাবলো
এর গন্ডগোল আছে কথা বলায়।
মাস খানেক পর
ব্যাপারটা ঠিক হলো।
এ যে কথা বলতে পারে
এটা সবাই বুঝলো।
তাই যেটি দরকার
সেটিই করুন।
মানুষের এনার্জি লিমিটেড,
তাই সেটির সঠিক খরচ করুন।
-
|| টাইটানিক ও টাইটান ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Titanic o Titan
টাইটানিকের মতো টাইটানও ধ্বংস হলো
দু হাজার তেইশে।
কʼদিন আগে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ
দেখতে গেল পাঁচজন।
তারা যে সাবমেরিনে করে দেখতে গেল
তার নাম টাইটান।
উনিশশো বারো সালে
টাইটানিক ধ্বংস হয়।
আর দু হাজার তেইশে, তাকে দেখতে গিয়ে
টাইটানও শেষ হয়ে যায়।
টাইটান সাবমেরিন বিস্ফোরণে
চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়।
বিস্ফোরণের কারণ
জানা যাবে পরে।
টাইটানের পথ-প্রদর্শক জাহাজ
বিচ্ছিন্ন হয় শুরুর পোঁনে দু ঘন্টা পরে।
এটা সম্ভবত প্রধান কারণ
হলেও হতে পারে।
টাইটানিকের ধ্বংসে
এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছিল।
টাইটানেও আরেক দম্পতি, পাইলট এবং
তার স্ত্রীর মৃত্যু হলো।
টাইটানিকের মৃত দম্পতির গ্রেট গ্রেট গ্র্যানচাইল্ড,
টাইটানের পাইলটের স্ত্রী ছিল।
তাই অভিশপ্ত টাইটানিকের
যে দম্পতির মৃত্যু হয়,
সেই পরিবারেরই একশো এগারো বছর পর
আরেক দম্পতির মৃত্যু হলো।
-
|| ঝড় ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Jhar
এই কালবৈশাখীর ঝড়ে
উড়িয়ে নিয়ে যাক সব কলুষতা।
যত শুকনো ডালপালা আছে
শেষ হোক সব মলিনতা।
ঝড়ের শেষে-
বৃষ্টি নামুক অঝোরে।
শুকনো ডালে দেখা দিক
সবুজের প্রাণস্পন্দন।
ঝলমলিয়ে উঠুক পৃথিবী,
সর্বত্র হোক দৃষ্টিনন্দন।
মানুষ প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিক,
থাকুক মুখে তার হাসি।
রঙিন এই পৃথিবীর ছবি,
আমরা সবাই ভালবাসি।
-
|| আলো ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Alo
এত অন্ধকার কেন?
মানুষে মানুষে এত হানাহানি,
এত বিদ্রুপ, এত কানাকানি?
সিংহাসনের দিকে ল্যলুপ দৃষ্টি,
এরাই কি বিধাতার সৃষ্টি?
সূর্য্যের তো এত আলো…
পৃথিবীতে সেটা কোথায় গেল?
তবুও এত অন্ধকার কেন?
মানুষ নিজের হাত, নিজেই দেখতে পাচ্ছে না.
এ পৃথিবী নিঃচিহ্ন হবে যেন।
কবে আসবে সেই আলোর দিশারী?
কবে পৌঁছুবে সেই আলো?
প্রতিটা প্রাণে তাঁর পদধ্বনি অনুরণিত হবে.
ঘুচবে পৃথিবীর যত কালো।
পৃথিবী উদ্ভাসিত হবে সেই আলোতে,
মানুষের নতুন প্রাণ জন্ম নেবে।
সবুজের সুঘ্রাণে চারিদিক ম ম করবে,
মানুষ বাঁচবে।
-
|| সুপার-মুন ও ব্লু-মুন ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Super-moon o Blue-moon
আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে
অনেকেরই ভাল লাগে।
সেই সব মানুষের জন্য সুখবর জানাই
একটু আগে ভাগে।
পৃথিবীর চারদিকে চাঁদ ঘুরছে
উপবৃত্তাকার পথে।
তাই খুব কাছাকাছি চলে আসে
কখনও ঘুরতে ঘুরতে।
সেই চাঁদ অনেক বড়
অন্যদিনের থেকে।
সুপার-মুন হয় তখন
বিজ্ঞানীদের মতে।
কোনও কোনও মাসে
পূর্ণিমা হয় একবার নয় দুবার।
ব্লু-মুন তাকেই বলে
রঙটা একই থাকে সে বার।
তিন জুলাই, দুই আগস্ট আর
উনত্রিশে সেপ্টেম্বরে,
সুপার-মুন হবে এবার
বিজ্ঞানিরা মনে করে।
দুই আর একত্রিশ আগস্টে
পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যাবে।
ঐ দিনে ব্লু-মুন
সবাই দেখতে পাবে।

















