Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • || মন কি বলে? ||
    Poetry

    || মন কি বলে? ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Mon ki bole?

    মন তো বলে

         সব সময় ভালো কাজ করে যাও।

    মনের ইচ্ছা হয়

         সবারই মনগুলো ভালো করো দাও।

    কিন্‌তু বাস্তবের ঝামেলায় পড়ে

           মনের ইচ্ছামতো কাজ তো হয় না।

    মন বলে, এসব কোরোনা, এসব কোরোনা,

              এটাই হয় তখন মনের বায়না।

    মন যখন ভাবে,

            এখন একটু মজা করলে কেমন হয়।

    কিন্‌তু অনেক সময়েই

              বাস্তবিক ক্ষেত্রে উল্টোপাল্টা হয়।

    মন ভাবে, আজ সকালে

        মর্নিং-ওয়াকে তাড়াতাড়ি ফিরে এলে হবেনা।

    কিন্‌তু একটু পরেই বৃষ্টি শুরু হয়

              মর্নিং-ওয়াকে যাওয়াই হয়না।

    এমনি করে মনের চিন্তা আর বাস্তবিক কাজে

               ফারাক থেকে যায়।

    এসব থেকে মনটা চুপ করে থাকলেও

               সেটা যে খারাপ হয়ে যায়।

    আবার অনেক সময় মনের হিসেব মতো

                 বাস্তবের কাজগুলো হয়।

    তখন খুশিতে মন উদাসী হাওয়ায়

                   পাখা মেলতে চায়।

    মন উল্টোপাল্টা বায়না করলে

             বুদ্ধি মনকে শান্ত করে।

    মনকে বুদ্ধি বোঝায়, ওই কাজের ফল ঠিক হবেনা,

         তাই সে তার বায়না ছাড়িয়ে হাল ধরে।

    প্রকৃতির সৌন্দর্য্য যেখানে অপার

           সেখানে শিশুমন আসে ফিরে,

    মন প্রকৃতির সৌন্দর্যের উপলব্ধি নিয়ে

                  খুশিতে ওঠে ভরে।

    প্রকৃতির ব্যাপকতা দেখে

      মন নিজেকে দেখে ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্রের মতো।

    নিজের ক্ষমতা ও শক্তিকে দেখে

               ধুলোকণার ক্ষমতা যত।

    নদীর স্রোত বড় বড় বোল্ডারকে

                বয়ে নিয়ে যায় অবলীলায়।

    স্রোতের শক্তি দেখে মন আশ্চর্য্য হয়,

              প্রকৃতির অসীম ক্ষমতায়।

    তবে মনটা ভালো রেখে

         যে শান্তিতে জীবন নির্বাহ করে,

    পৃথিবীটা তার কাছে

                স্বর্গ হয়ে পরে।

  • || খোঁজা ||
    Poetry

    || খোঁজা ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Khonja

    খুঁজছি তো,

            কিন্‌তু পাচ্ছি না।

    কি খুঁজছি?,

            তা তো বলতে পারব না।

    আসলে আমি বোধহয়

                 খুঁজছি নিজেকে।

    সেই এত ʼআমিʼ-র মধ্যে

                         কোন আমি-কে চাই,

    সেটাই তো

                     বলতে পারছি না।

    ব্যাপারটা একটু পরিস্কার করে

                                     খুলে বলি।

    আমি যেটা খোঁজার জন্য

                               নিষ-পিষ করছি,

    সেটাই কোথায় খপ করে

                           ধরতে পারছি?

    আমি বরং মনের

                           ছবিগুলো দেখাই।

    আসলে খোঁজার স্পীড

                            এত বেশী,

    মন দাঁড়াচ্ছেই না

                           কোনোও জায়গায়।

    যা দেখাচ্ছে সেগুলো

                           আমার পছন্দ নয়।

    তাই একটা ছবি

                            দেখিয়েই ফুরুত।

    আবার অনেক দূরের একটা ছবি

                        দেখিয়ে আবার ফুরুত।

    আপনারা কয়েকটা ছবি

                     দেখলেই বুঝতে পারবেন।

    কি হবে আমার

                     প্রবলেমের সলিউসন।

    এখন যেটা দেখছি সেটা

                আমি তখন প্রাইমারীতে পড়ি।

    বাবাকে হেড-মাস্টারবাবু

                              স্কুলে ডেকেছেন।

    বাবা ওনার ঘরের বাইরে

                               অপেক্ষা করছেন।

    দেখা হতে উনি বললেন,

                  ʼআপনার ছেলের প্রোমোশন নিয়ে কথা বলতে চাইʼ।

    ʼওর রেসপন্স ও পরীক্ষার খাতা দেখে মনে হয়েছে যেʼ

      ʼওকে আমরা ক্লাস টু থেকে ক্লাস ফোরে প্রোমোট করতে চাইʼ।

    বাবা এটাতে রাজী হলেন না।

                বল্লেন, ʼএতে ভীত ঠিক থাকবে নাʼ,

    ʼওকে ক্লাস থ্রীতেই প্রোমোট করুনʼ।

        আমার ডবল প্রোমোশন পাওয়া হলো না।

    এখন আবার সিধে নেপাল।

      আমরা সবাই মিলে পশুপতি টেম্পলে

                                 যাব বলে বেরিয়েছি।

    রাস্তায় কি এক কারণে

                           আমি দলছুট হয়ে গেছি।

    পশুপতি টেম্পলে ঘুড়লাম

              সবাইকে ছেড়ে একা একা।

    আরও কয়েকটা জায়গায় গেলাম

                        সেই একা একা।

    হোটেলে ফিরে

                     আবার সকলের সাথে দেখা।

    এ ছবিটা অনূপ জালোটার

                         গানের প্রোগ্রাম নজরুল মঞ্চতে।

    বৌ, ছেলেমেয়েদের সবার সাথে

                                    গেছি গান শুনতে।

    অসাধারণ সেই সব  ভজনগুলো

                                  একের পর এক হচ্ছে।

    ভাললাগার শেষ সীমায় পৌঁছে

                                 সময়টা পার হচ্ছে।

    এখন মেয়েরা তো কেউই থাকে না এখানে

               দুজনেই থাকে আমেরিকাতে।

    ওদের সেই ছবি দেখে মনে পড়ছে ওদের কথা

        আজ রাত্রেই ভিডিও কলে দেখতে হবে ওদেরকে।

    হঠাৎ এসে গেল সেই বিষাদময় ছবি

                                    মায়ের শেষ যাত্রা।

    মা নিশ্চিন্তভাবে শুয়ে আছে, সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুর

                                     আর পায়ে লাল আলতা।

    আমি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে,

                                      ভাবছি মায়ের নানান কথা।

    এ ছবি আমেরিকায় হলিউডে

                   ওয়ার্নার ব্রাদার্সের স্টুডিওতে ঘোরা।

    হ্যারি পটার্সের শুটিংয়ের বিভিন্ন

                        জায়গাগুলোতে যাওয়া।

    মেয়ের সেই ঝাঁটার পিঠে চেপে

                        আকাশে ওড়ার ভিডিও শুট করা।

    আবার ছোটোবেলায়

                     সেই চোরের কান্ড বাড়ীতে।

    আওযাজ শুনে আমরা

                           চুপিচুপি এসে দেখি,

     দরজার পাশ দিয়ে সে

                          দরজা খুলতে চেষ্টা করছে।

    এটা করতে সে

                        তার খানিকটা হাত ঢুকিয়েছে।

    আমার সাহসী মা যখন

                       লাঠি দিয়ে মারলো তার হাতে।

    চোর  ʼওহ্ʼ বলে পালায়

                              এই আঘাতে।

    বাস্তব ছবি হোলো

                  আমাকে লাঞ্চ খেতে ডাকছে।

    বাধ্য হয়ে তাই মনের ছবি দেখা

                         বন্ধ করতেই হচ্ছে।

  • || ছাতাটা কোথায় গেল? ||
    Poetry

    || ছাতাটা কোথায় গেল? ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Chatata Kothay Gelo

    ʼছাতাটা কোথায় গেলʼ?

    ʼছাতাটা দেখেছ ʼ? ʼএই তো ছিলʼ।

    ʼতুমি তো ছাতাটা নাওই নিʼ, বউ বলে।

    ʼএই নাও, ওটা জায়গাতেই ছিলʼ।

    রমেন বাবু গজগজ করতে করতে

              বাজারের দিকে হাঁটা দিলেন।

    একটা মোটর বাইক পাশে এসে দাঁড়ায়।

                       ʼকি রে কেমন আছিসʼ?

    ʼভালʼ। তুই কেমন আছিসʼ?

    বন্ধু ছাতাটা রমেনবাবুর হাত থেকে নিয়ে,

                               খুলে আবার ধরিয়ে দিলেন।

    ʼছাতা নিয়ে যাবিʼ,

            ʼআবার রোদ্দুরও লাগাবিʼ,

     ʼমানেটা কিʼ?

    ʼহ্যাঁ, তাই তোʼ,

                        ʼরোদ্দুর ভালই উঠেছেʼ।

    ʼবাড়ীতে তো প্রাণান্তকর অবস্হাʼ,

                       ʼযা গরম পড়েছেʼ।

    ʼতুই কোন দিকে যাবিʼ?

                       ʼআমি বাজারে যাবʼ।

    ʼগাড়ীতে বোসʼ

             ʼবাজারের কাছে নামিয়ে দেবʼ।

    রমেনবাবু ছাতাটা বন্ধ করে,

                               বাইকে বসলেন।

    ʼবর্ষা এখনোও আসছে নাʼ

                               ʼবৃষ্টির দেখা নেইʼ।

    বর্ষাকাল তো আসেনি বাবা,

                                 ʼবল, বৃষ্টি নেইʼ।

    ʼতুই নাম, আমি ডানদিকে যাবʼ।

    রমেনবাবু বাইক থেকে নামলেন।

    ʼবাইʼ, বন্ধু চলে গেল।

    রমেনবাবু আরেকটু হেঁটে বাজারে পৌঁছুলেন।

    ʼকুমড়ো কত করেʼ?

                              ʼবাবু ষাট টাকা কিলোʼ।

    ʼবলিস কিʼ?

                  ʼষাট টাকা কিলোʼ?

    ʼএক কিলো দেʼ,

             ব্যাগ বাড়িয়ে সবজি নিলেন।

    ʼউচ্ছে কত করেʼ?

                     ʼআশি টাকাʼ।

    ʼএক কিলো দেʼ,

                       ʼএই নে একশো চল্লিশ টাকাʼ।

    উচ্ছে নেবার সময়,

                           ছাতাটা গেল পড়ে।

    আরও কিছু সবজি নিয়ে

                         রমেনবাবু চললেন ফিরে।

    একটু পরে বাড়ী পৌঁছুলেন

                       মুখে এক প্রশান্তি।

    ʼদেখ তোমার সব সবজি এনেছিʼ,

                       ʼএবার তো খুশিʼ?

    ʼহ্যাঁ, সে তো হলোʼ,

                       ʼকিন্‌তু তোমার ছাতা কইʼ?

    তাইতো, এত সাবধানে রাখি

                         তবু সেই হারিয়ে যায়।

    রমেনবাবু আবার

                       বাজারে পৌঁছুলেন।

    এক একটা সবজির দোকানে

        জিজ্ঞেস করেন, ʼআমার ছাতাটা দেখেছোʼ?

    ঘুরতে ঘুরতে উচ্ছেওলার কাছে দেখলেন,

                       ছাতাটা একপাশে পড়ে আছে।

    সযত্নে ছাতাটা তুলে নিয়ে বলেন,

                ʼআমি জানিই না, তোর এখানে পড়ে আছেʼ।

    ছাতা মাথায় দিয়ে

                         বাড়ী দিকে চললেন।

    এই ছাতাটা বারবার

                         কেন হারিয়ে যাবে?

    ভাবলেন, এটাকে হাতে নয়

           কোনোও ব্যাগে নিয়ে হাঁটতে হবে।

  • || জম্বি অ্যাটাক ||
    Poetry

    || জম্বি অ্যাটাক ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Zombie Attack

    নামকরা এক স্কুল থেকে

                ফোন আসে পুলিশ স্টেশনে।

    ʼআমাদের বড় বিপদ, বাঁচান আমাদেরʼ

             ʼনইলে আমরা সবাই মরতে পারি প্রাণেʼ।

    ছাত্র, শিক্ষক সবাই জানায়

                            তাদের বিপদের কথা।

    পুলিশেরা ভাবে মজা করছে

                         নাটক-বাজী এটা।

    শেষমেশ এক বিরাট পুলিশ বাহিনী

                                   আসে স্কুলের কাছে।

    দেখে, সত্যিই সব বন্দুকবাজেরা

                                    স্কুলটা ঘিরে আছে।

    তারা কালো মাস্ক পরে আছে

                      আর কালো জামা-প্যান্ট।

    চোখ দুটো শুধু বেরিয়ে আছে

                           মনে হয় ওরা ব্লান্ট।

    গুলি করছে এদিক ওদিক

                          মুখে কোনোও কথা নেই।

    পুলিশের মাইকের ঘোষনায়

                      ওদের কোনোও গ্রাহ্য নেই।

    পুলিশ যখন করলো গুলি

                           মরলো না তো কেউ।

    একটু আধটু সরে গেল

                            হোলো কিছু হৈ চৈ।

    পুলিশ বোঝে এবাবে হবে না

                              ভাবতে হবে অন্য কিছু ।

    প্ল্যান করে তারা, কি করা যায়

                              লাগতে হলে ওদের পিছু।

    হেলি-কপ্টার থেকে কʼজন পুলিশ

                             জাম্প দিল ওই স্কুলের ছাতে।

    দেখল  ওরা ছাতের মধ্যেও

                              লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আছে।

    এগিয়ে এসে কামড়াচ্ছে ওরা,

                               পুলিশ পড়ছে ঢলে।

    আজব ব্যাপার, পুলিশেরা কামড় খেয়ে

                               যাচ্ছে ওদের দলে।

    মানুষ নয় ওরা, দানব মনে হয়

                            কেউ কেউ আবার জম্বি বলে।

    মানুষের মতো দেখতে ওরা

                            আবার খেতেও যায় মানুষ পেলে।

    পুলিশদের মিটিং হয়

                           বড়কর্তাদের সাথে।

    এটা শহরের বিপদ

                বাঁচাতে হবে স্কুলের সবাইকে।

    স্কুলের মধ্যে সবাই আটকে

                             দরজা জানালা বন্ধ।

    দিনের বেলাতেও আলো জ্বলছে

                             মুখে সবার আতঙ্ক।

    বোম্বিং স্কোয়ার্ড চলে আসে এখানে

                      চারিদিকে বোম্বিং করে।

    লোহার বর্মে পুরো ঢেকে

                 কিছু পুলিশ ঢোকে ভেতরে।

    দেব-দেবী ছবি দেখিয়ে

                            ওরা কিছুটা ঘায়েল হয়।

    এরপর পুলিশের বাইরের অ্যাটাকে

                            ওরা সবাই মারা যায়।

    এভাবে বাঁচে একটা স্কুল

                                আর শহরের সম্মান।

    পুলিশের বুদ্ধিতে বাঁচল সবাই,

                            আর  কত মানুষের প্রাণ।

    বিঃ দ্রঃ – এটি একটি দক্ষিন কোরিয়ার বিখ্যাত ওযেব সিরিজ ʼঅল অফ আস আর ডেডʼ অবলম্বনে।

  • || পৃথিবীর আকাশে এক উজ্বল জ্যোতিষ্ক ||
    Poetry

    || পৃথিবীর আকাশে এক উজ্বল জ্যোতিষ্ক ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    A Brightest Star in the Sky

    বিনেপয়সার স্কুলে ভর্তি হয়

                    এক গরীব ঘরের ছেলে।

    পেটের টানে দুবছরেই

                 শেষ হয়, তার পাঠ স্কুলে।

    মা লিলি রিফু করে প্রতিবেশীদের জামায়

        ছেলে চার্লি নাচ করে এক ভিখিরির গানের তালে।

    এমনি করে খাবার জোটায়

                  মা আর দুই ছেলে।

    ভিখিরি দেখে গান সে গায়

                 কিন্‌তু পয়সা চার্লি পায়।

    তাই সে কাজ থেকে

               চার্লির বিদায় হয়ে যায়।

    অভাব থেকে

        চার্লি ভাবে কি করবে এখন?

    মায়ের গয়না বিক্রি হয়ে যায়,

             চেয়ার টেবিলও চলে যায়।

    দাদা সিডনি গান গায়,

         আর চার্লি নাচ করে রাস্তায় রাস্তায়।

    তখন মজার মজার কান্ড ঘটিয়ে

                  চার্লি পয়সা পায়।

    চার্লি বোঝে, রোজগারের জন্য

               হাস্য-কৌতুকেই পয়সা।

    তার মনে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর

       গাছপালা, মেঘ, নদী আর ভালবাসা।

    সিডনি করে গান,

        আর চার্লি নাচ করে একটি ব্যান্ডে।

    এক শিক্ষক চার্লিকে পছন্দ করেন

                  তার এক নাটকে।

    নাটকে কুকুরের গন্ধ শোঁকা, নেকড়ের কাজকর্ম

               চার্লি হয় খুব জনপ্রিয় এসবে।

    এক সাহেব নিয়ে যায় তাকে

                  তার কমেডি শোতে।

    পরে চার্লি বোঝে, নাটকে অভিনয়ের জন্য

         গান ও ফিটনেস খুব জরুরী বিষয়।

    তাই এই দুই বিষয়ে মন দেয়

               নিজেকে পারদর্শী করায়।

    তারপর অভিনয়ের জন্য

                তিনি যান আমেরিকায়।

    সেখানে তাঁর হাতেখড়ি

                সিনেমার পরিচালনায়।

    এরপর পুরোটাই – এক ইতিহাস

               লেখা আছে স্বর্ণাক্ষরে।

    নির্বাক চলচিত্রের অভিনয় আর পরিচালনায়

           চার্লি চ্যাপলিন পৌঁছান শিখরে।

  • || কঠিন কাজ ||
    Poetry

    || কঠিন কাজ ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Kathin Kaaj

    ʼবন্ধ করো তোমার কাজʼ, গৌরী বলে।

    ʼগোটা পাহাড়টাই তো ভেঙে ফেললেʼ।

    রামরতন কাঠফাটা রোদ্দুরে

                                   পাহাড় ভেঙে যাচ্ছে।

    ওর স্থির বিশ্বাস,  এই গাহাড়ের

                                   নিচে জল আছে।

    রাজস্থানে একটা ছোট্ট ঘরে

                                  রামরতন আর গৌরী থাকে।

    রামরতন শেষ কয়েক মাস ধরে

                                          পাথড় ভাঙ্গছে।

    রামরতনের ঘরের সামনে

                                 একটা ছোট্ট পাহাড় আছে।

    সেই পাহাড়ে কেউ আসে না

                                   ওটা পরিত্যাক্ত হয়ে পরে আছে।

    গৌরী বোঝে না,

                        রামরতনের কান্ড কারখানা।

    পাহাড় ভেঙ্গে জল কি করে আসবে

                              তা গৌরীর অজানা।

    আশেপাশের মানুষজন জানে

                                    রামরতনের মাথার ঠিক নেই।

    কিন্‌তু রামরতনের বদ্ধমূল ধারনা

                                  সে পাহাড়ের নীচে জল পাবেই।

    সেদিনও রোদের মধ্যে

                         হাম্বল দিয়ে সে পাহাড় ভাঙ্গছে।

    গৌরী দূরে ঘরে

                       ব্যস্ত নানান কাজে।

    রামরতন ছুটে এসে গৌরীকে বল্ল,

                                 ʼগৌরী জলের আওয়াজ পাচ্ছিʼ।

    গৌরী কিছুই বুঝলো না,

                                    ভাবলো মাথার ব্যামোটা বেড়েছে।

    রামরতন আবার ফিরে গেল

                                       পাথড় ভাঙ্গার কাজে।

    তারপর পাঁচদিন ধরে চলে

                                   ওই পাথড় ভাঙ্গার কাজ।

    হঠাৎ জল বেরিয়ে আসে

                                    ফোয়ারার মতো।

    রামরতন চিৎকার করে বলে,

                                 ʼগৌরী জল দেখʼ।

    ততক্ষনে আশেপাশের সবাই

                                      ছুটে আসে সেখানে।

    জল দেখে সবাই উল্লসিত

                      কেউ কেউ জলের পাত্র নিয়ে আসে সেখানে।

    কঠিন কাজ রামরতন করে গেছে

                                           অবিশ্রান্ত ভাবে।

    কয়েক মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে

                                      আজ সে ফল পেয়েছে।

    মানুষ যখন কোনোও কাজ

                              তার বুদ্ধি ও মন দিয়ে করে যায়,

    ভগবানও বোধহয়

                           তার হাত ধরে তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।