Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
ইচ্ছাপূর্তি – দ্বিতীয় পর্ব
Audio File:
( এই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ইচ্ছাপূরণ অবলম্বনে রচিত )
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
ইচ্ছা ঠাকরুন দেবী ছেলেকে বললেন
তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হবে।
কাল থেকে তুমি বাবা হয়ে
বাবার সব কাজ করবে ।
একই রকম ভাবে বাবাকে বললেন
তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হবে।
কালকে থেকে তুমি
ছেলের স্কুলে পড়তে যাবে ।
সুবল বাবুর রাত্রে ঘুম হয় না
ভোরের দিকে একটু ঘুমোতে পারেন ।
সেদিন কেমন করে ঘুমিয়ে পরলেন
ভোরবেলা ঘুম ভেঙ্গে লাফ দিয়ে নামলেন।
তার চেহাড়া ছোটো হয়ে গেছে
ভাঙ্গা দাঁতগুলো সব আবার বেরিয়েছে ।
পোষাক আশাক সব কেমন
অনেক বড় বড় হয়ে গেছে ।
সুশীলচন্দ্র অন্যদিন ভোরবেলা উঠে
দৌড়াত্ব করে বেড়ায় চারিদিকে ।
আজ ভোরবেলায় চোখটা কেমন লেগে গেছে
সুবলের চেঁচামেচিতে ঘুম ভাঙ্গে তাতে ।
জামা কাপড়গুলো যেন এক্ষুনি সব ছিঁড়ে ফেটে যাবে
এমনই এঁটে গেছে।
শরীর কেমন বেড়ে গেছে, মাথায় টাক,
মুখে কাঁচাপাকা গোঁফ দাড়ি হয়েছে ।
সুশীলের আজ গাছে চড়তে
কোনও ইচ্ছাই করছে না ।
সামনের পুকুরে ঝাপ দিতে বা
কাঁচা আম খেতেও মন চাইছে না ।
সুশীলের মনে হলো, খেলাধুলো একদম
ছেড়ে দিলে ঠিক হবে না ।
সামনে আমড়া গাছে উঠে
আমড়া পাড়লে মন্দ হয় না।
গতকাল সে কাঠবিড়ালির মতো
গাছে উঠে আমড়া খেল।
কিন্তু নতুন বুড়ো গাছে উঠতে গিয়ে
ধপাস করে নিচে পড়ে গেল ।
-
ইচ্ছাপূর্তি – প্রথম পর্ব
( এই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ইচ্ছাপূরণ অবলম্বনে রচিত )
Audio File:
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
সুশীলচন্দ্র ছিল সুবলচন্দ্রবাবুর
সন্তান একমাত্র ।
নাম অনুযায়ী ছেলেটির
সুশীল স্বভাব ছিল না বিন্দুমাত্র ।
আকছাড় নানান মানুষের
অভিযোগ আসত যখন তখন ।
সামলাতে সুবল বাবুর
প্রাণান্তকর অবস্হা সর্বক্ষণ ।
একদিন হঠাৎ সুশীলের
স্কুলে না যাবার ইচ্ছা ।
স্কুলে আজ ভূগোল পরীক্ষা
এ ছাড়া বোস বাড়ীতে বাজী পোরানোর মজা ।
সবটা চিন্তা করে সে
বিছনায় পরলো শুয়ে ।
তার নাকি দারুন পেট ব্যথা
কি করে বেরোবে এই কষ্ট নিয়ে ।
বাবা সবটা বুঝতে পেরে
পাঁচন নিয়ে হাজির হলো ।
পাঁচনের নাম শুনে
সুশীলের পেট ব্যথা উড়ে গেল ।
বাবা বললো, তোমার পেটব্যথা
তুমি শুয়ে থাক চুপটি করে ।
পাঁচন খাইয়ে বাবা চলে গেল
ঘরের দরজা বন্ধ করে ।
সুশীল কাঁদতে কাঁদতে
একটি কথা মনে মনে ভাবে ।
কাল যদি আমি বাবা হয়ে যাই
সে ইচ্ছামতো সব কাজ করতে পারবে ।
এদিকে বাবা সুবলবাবু ভাবতে থাকেন
তার ছেলেবেলার কথা ।
বাবা- মাযের আদরে তার
পড়াশুনা না হবার ব্যথা ।
তিনি ভাবেন যদি ছেলের মতো
আবার স্কুলে যেতে পারে।
ভাল পড়াশুনা করে
মনের ব্যথাটা সারাতে পারে ।
ইচ্ছা পূরণের দেবী
ইচ্ছা ঠাকরুন সবটা শুনতে পেলেন ।
বাবা ও ছেলের মনস্কামনা শুনে
তা পূরণ করার কথা ভাবলেন ।
-
রবীন্দ্রনাথের অঙ্ক শেখা
Audio File:
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
বয়েস তখন ষাট পেরিয়েছে ।
অঙ্ক শেখার আগ্রহ তাঁর
আদ্দেক বয়েসের এক যুবকের কাছে ।
চুপিচুপি কবি অঙ্ক শিখছেন
শেখাচ্ছেন ছাপোষা এক অঙ্ক শিক্ষক মন দিয়ে ।
গণিতশাস্ত্র গুলে খাওয়া মানুষটি
কবির আগ্রহ দেখে, শেখাতে ব্যস্ত তাঁকে নিয়ে ।
কবির ইচ্ছা ছিল
ডুব দিতে অঙ্কের মহাসাগরে ।
পরে তিনি বোঝেন, জটিল এই অন্তর্জাল
তার পছন্দের বাইরে ।
কবির কথায়, সায়েন্স না পড়ার জন্য
তাঁর গভীর দুঃখ ছিল ।
বিশেষতঃ অঙ্কের ওপর
কবির প্রবল অনুরাগ ছিল।
পড়াশুনা শেষ করতে
সেই যুবক পরে যান বিলেতে ।
তারপরে আসেন শান্তিনিকেতনে
ম্যাথ টিচারের চাকরিতে।
এ জন্য যুবকের মামা বিখ্যাত চিকিৎসক
ডঃ নীলরতন সরকার সুপারিশ করেন কবিকে ।
ডক্টর সরকারের ইচ্ছামতো
যুবক শান্তিনিকেতনে আসেন অঙ্ক শেখাতে ।
সেই সময়ে জালিয়ানওয়ালাবাগের গনহত্যা
কবির মনে সৃস্টি হয় গভীর ক্ষত ।
তাই কবি তাঁর লেখা ছেড়ে
হয়ে পরেন এক পাগলের মতো ।
প্রতিবাদী কবি ইংরেজের নাইট উপাধি
পরিত্যাগ করেন ইংরেজদের ওই কাজে ।
তখন তিনি পাঁচ মিনিটও বসে
মনোসংযোগ করতে পারেন না তাঁর লেখনিতে ।
অঙ্ক স্যার এগিয়ে এসে কবিকে বলেন
আপনি বলুন, আমি সব লিখব ।
এভাবে কাজ করে
লিপিকা কাব্যগ্রন্হটি হয় প্রকাশিত ।
মুদ্রিত লিপিকা দেখে কবি বলেন
অঙ্ক স্যার যতটা বিজ্ঞান সাধক, ততটাই উনি সাহিত্যিক ।
সেই অঙ্ক স্যারটি আর কেউ নন, শ্রী প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ
ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও বৈজ্ঞানিক ।
-
জন্ম মৃত্যু
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
একটি বছর, একটি দিন
একটি সময় ।
কেউ শুরু করে তার জীবন
কারো বা শেষ হয় ।
আজ যেমন মহানায়ক
উত্তমকুমারের মৃত্যুদিন ।
তেমনি এই দিনটি হলো
গায়ক সুবীর সেনের জন্মদিন ।
জন্মে শুরু আর মৃত্যুতে শেষ
এটাই জীবন মানুষের ।
শেষের মানুষ শুরু করে
উৎপত্তি হয় এক নতুন প্রাণের ।
চলছে এই পরিক্রমণ
পৃথিবীর পরিক্রমণের সাথে ।
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
আর জন্মতে আনন্দে মাতে ।
-
মানুষ রথ
Audio File:
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
শরীর-রূপী মানুষ রথ চলছে
এ রাস্তা, সে রাস্তা দিয়ে ।
আত্মা-রূপী দেবতা রথে উপবিষ্ট
এগিয়ে চলেছেন মুখে হাসি নিয়ে ।
ঘোড়া-রূপী মন টেনে নিয়ে যাচ্ছে
সে রথকে তার ইচ্ছামতো ।
রাস্তা ভাল হলে, ইন্দ্রীয়-রূপী লাগাম ছাড়াতেও
রাস্তায় যাচ্ছে ঠিকমতো।
আর রাস্তাটা খারাপ বুঝলে লাগাম টেনে
রথটাকে সময়মত থামাতে হচ্ছে ।
মন তখন খুঁজছে ভাল রাস্তার হদিশ
খুঁজে পেয়ে আবার রথের চাকা ঘুরতে শুরু করছে।
অবিশ্রান্ত এ পরিক্রমণ
ওই রথের নানান রাস্তা দিয়ে।
কিছু জানা সে রাস্তা
আবার কিছু অজানা পথ পেরিয়ে।
জীবনের স্বপ্নপূরণ করছে মানুষ
রথ চালিয়ে ভাল রাস্তায় ।
কেউ বা আবার ইন্দ্রীয়ের তাড়নায়
রথ চালাচ্ছে কোন অজানায় ।
অচেনা দিশায় চলে বুঝতে পেরে
রথ ফিরছে পিছন পানে।
তখন রাস্তা শুধরে নিয়ে আবার যাচ্ছে
সেই পথে, যা সে জানে।
কেউ রথ ছোটাচ্ছে দুরন্ত গতিতে
নতুন নতুন রাস্তায় ।
নতুন রাস্তার পথিকৃত সে, অচেনা সেই পথের
উদ্ভাবন তার অদম্য ইচ্ছায় ।
ঈশ্বর-সন্ধানী মানুষ
ভালবাসা, ত্যাগ ও সেবার পথে রথ চালাচ্ছে ।
আসে পাশের অনেক রথ
তার পিছনে অনাবিল আনন্দে ওই পথে চলেছে ।
ভাল কাজে চলা মানুষ
পথ পাচ্ছে মসৃন, মোহময় ।
লাগাম হীন ইন্দ্রীয় তাড়িত মানুষের রথ
পৌঁছে যাচ্ছে বিপদ সংকুল রাস্তায় ।
রথ মাঝে মাঝেই তার গতি
করে চলেছে পরিবর্তন ।
কখনও আস্তে, কখনও জোরে
চলছে তার এই অবিশ্রান্ত গমন।
কাঙ্খিত পথে চলেছে একই ভাবে
জানা পথে দুরন্ত গতিতে ।
রাস্তায় রথের ভীড়ে জ্যামে পরে
কখনও সাময়িক থামাতে হচ্ছে তাকে ।
রথের এই পরিক্রমণের
শেষ কোথায় কেউ জানে না ।
শেষ দিনে এ যাত্রা শেষ করে
অবিনশ্বর আত্মা আর রথে থাকে না ।
আত্মা চলে যায় কোন অজানায়
মানুষের চোখের বাইরে ।
রাস্তার এক পাশে নিথর সেই চলন্ত রথ
পরে থেকে হারিয়ে যায় চীরদিনের তরে ।
ভাল পথের চলার রাস্তা
সোনায় মোড়া জ্বল জ্বল করে ।
হারিয়ে গেলেও সেই রথের উপাখ্যান
লেখা থাকে ইতিহাসের পাতা ভরে ।
-
Chocolates and Stardom – A Sweet Affair
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Audio File:
In Kolkata’s bustling streets, under an amber glow,
Film stars gather where the Hooghly’s waters flow,
With smiles as bright as the city lights,
They celebrate with chocolates, sweet delights.
Mithai shops adorned in festive attire,
Boxes of truffles, their hearts desire,
From Howrah Bridge to Park Street’s flair,
Chocolate whispers fill the air.
In Mumbai, where dreams are spun,
Stars under the Bollywood sun,
On Marine Drive, beside the sea,
Chocolate revelry is the decree.
From Juhu Beach to Bandra’s lanes,
Celebrity smiles, like sugar canes,
They raise a toast with cocoa finesse,
In the city of glamour, none can suppress.
On this day of cocoa’s embrace,
Stars shine bright in every place,
From Kolkata to Mumbai’s bay,
Chocolate bliss lights their way.
And as the night draws its curtain tight,
They reminisce, in the soft moonlight,
Of roles played and victories won,
With chocolate dreams under the sun.
So let’s raise our voices, in delight,
For chocolate, the starry night,
In Kolkata and Mumbai, hand in hand,
Let the sweetness of cocoa forever stand.

















