Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • || ডিজিট্যাল ডিটক্সিফিকেসন ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || ডিজিট্যাল ডিটক্সিফিকেসন ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Digital Detoxification

    খুব ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত

                 মনে হচ্ছে নিজেকে?

    সত্যি সত্যি যদি অনেক বেশী

                 কাজ করে থাকেন,

    তাহলে এটাতো নরম্যাল,

                বিশ্রাম নিতে পারেন।

    যদি সে সব কিছু না হয়ে থাকে

        তাহলে তো ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

    এ ছাড়াও আজকের দিনে

                 আরও একটা প্রবলেম আছে।

    যেটাতে আমরা সত্যি সত্যিই

                  পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ছি।

    আমাদের আজকের দিনে

       কম্পিউটার, মোবাইল, ল্যাপটপ, টিভি,

    আরও কতকি হতে পারে

                 আজকের ডিজিট্যাল দুনিয়ায়।

    এগুলো দেখতে দেখতে

                  আমাদের চোখ হচ্ছে ক্লান্ত।

    আর আমরা হয়ে পরছি

                   পুরোপুরি শ্রান্ত।

    এর থেকে বাঁচার উপায়

                  ডিজিট্যাল ডিটক্সিফিকেসন।

    সপ্তাহে একদিন বা দিনে কয়েক ঘন্টা

             ডিজিট্যাল দুনিয়া থেকে দূরে থাকুন।

    বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনকে

             জানিয়ে দেবেন আপনার সিডিউল।

    ঐ সব সময়ে, নিজের সব দরকারী কাজ করুন

                শুধু দূরে রাখুন মোবাইল।

    নিজের স্ট্রেস কমালে

               আপনি হয়ে উঠবেন তরতাজা।

    মনে হবে পাখীর মতো

               আপনিও আকাশে উড়তে পারেন।

  • || এ আই গার্লফ্রেন্ড ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || এ আই গার্লফ্রেন্ড ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    AI Girlfriend

    এসে গেল এ আই গার্লফ্রেন্ড

             আপনার মোবাইল আ্যাপে।

    আপনার পছন্দ মতো

              আপনিই বানাবেন তাকে।

    খেমন দেখতে, সে কোন কোন

                বিষয়ে কথা বলবে,

    সবই আপমাকে

            ঠিক করে দিতে হবে।

    অমেরিকার তেইশ বছরের একটি মেয়ে

                এটি বানিয়েছে।

    গার্লফ্রেন্ডের নাম কারিন মার্জো

       সে এখানে ভার্চুয়াল ইমেজ হয়ে থাকবে।

    তার সঙ্গে চ্যাট করে

            কথাও বলতে পারেন।

    তবে সেক্ষেত্রে চার্জ হবে

             প্রতি মিনিটে এক ডলার।

    এটি করতে সবথেকে আগে

           তৈরী করতে হবে এক ʼঅবতারʼ।

    এই অবতারের সুবিধা হলো

                          সে কোনোও গিফ্ট চাইবে না। 

    মন ভোলাতে আপনাকে

              গানও  গাইতে হবে না।

    যে সমস্ত মানুষ নিঃসঙ্গতায় ভোগেন

            তাদের জন্যই এগুলো করা হয়েছে।

    আরো কয়েকটি এ আই গার্লফ্রেন্ড হলো-

     পিকসো, ইয়ান্ডার, কাপ্‌লএআই জুলি, ইভা ও রেপ্লিকা।

    কিছ আ্যাপে গার্লফ্রেন্ডের জায়গায়

                   হতে পারে বয়ফ্রেন্ড।  

  • || মনের গতি প্রকৃতি  ||
    Poetry

    || মনের গতি প্রকৃতি  ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Moner Gati Prakriti

    মনের গতি মেপেছেন?

     এমন মেসিন হয় বলে তো আমার জানা নেই।

    কিন্‌তু অবসর সময়ে মনে হয় যে

              মন তো দারুন গতিময়।

    আবার মনকে শান্ত করে

         কনসেনট্রেট করলে কোনোও কিছুতে,

    মন সুবোধ বালকের মতো

        সেই একটা কিছু নিয়ে ভাবতে থাকে।

    আসলে মনকে বাঁধা খুব মুশ্কিল,

         হঠাৎ যে কত দূরে চলে যায়,

    তখন মনে কত শত মুখের ছবি

          এসে পরে মনের আকাশে।

    আবার বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে অনেক চেষ্টা করেও

        আপনি ধ্যানের হাজার চেষ্টা করলেও

    ওনার টিকি ধরতে ধরতে

         কোথায় যেন পালিয়ে যাবে।

    তখন হাজার মুখকে আর ছবি নিয়ে মন

        নিজের আকাশে ঘুরে বেড়ায়।

    থামতে বললে একটু সময়ের জন্য থেমে

              আবার ছুটে বেরায়।

    কোথাও বেড়াতে গিয়ে –

    আপনার চোখ যখন ভোরে কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গে বা

      পুরীর সমুদ্রে সূর্য্যের এক ডুবে হারিয়ে যাওয়া বা

    গাড়ীতে গাছের সারী বা ফুলের পাহাড় দেখতে ব্যস্ত.

    তখন মনের কিনারা পাবেন কি?

    নিস্বর্গে হারিয়ে যাওয়া মনকে একবার

         অন্য কাজ দিন,

    সে কর্ণগাত না করে লক্ষ লক্ষ মাইল দূরে চলে যাবে।

      আর আপনার স্মৃতিতে সুন্দর ছবি এঁকে দেবে।

    মনের ভ্রমণের গ্রাফ আঁকা সম্ভব নয়

      কারন গ্রাফ পেপারটা আকাশের মতো বড় চাই।

    তারপর এদিক ওদিক পালিয়ে গেলে

       কোথায় যাবেন তাকে খুঁজতে?

    মন যখন ভাল থাকে, তখন সে

      নানান সুখ স্মৃতি নিয়ে ঘুরে বেরায় আশেপাশে।

    আর কষ্টের দিনে, সেই দুঃস্বপ্নের স্মৃতি নিয়ে

        এক জায়গায় বসে থাকে।

    না আছে এদিক ওদিক ছোটা,

         না আছে বিভিন্ন ছবি দেখা।

    এক জায়গায় স্থির।

    আমরা যাদের পাগল বলি,

     তারা কেউ কেউ দিনরাত হাসছে

    কেউ আবার দিনরাত কাঁদছে।

    তাদের মনটাকে সুখস্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন থেকে বার করে

     ডাক্তারবাবুরা যখন অবাধ করতে পারেন,

    তখনই সে সুস্হ হয়ে

        স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।

    তাই মন ভাল রাখুন,

       মনকে ছুটতে দিন যেদিকে খুশি।

    মন ভাল থাকলে সব কাজ ঠিকঠাক হবে

     আর মুখে থাকবে সব সময় হাসি।

  • || একটি শিশুর ভবিষৎ জীবিকা ||
    Poetry

    || একটি শিশুর ভবিষৎ জীবিকা ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobitaa

    A Child’s Future profession

    শিশু যখন বড় হয়

     তার চিন্তায় স্কুলের পড়া তাকে ব্যস্ত করে।

    বাড়ীর পরিবেশ অনুযায়ী নানা কাজ ও

           খেলার চিন্তায় তার মনে থেকে ভরে।

    কোনোও শিশু গুরুজনদের চাপে ইচ্ছার বিরুদ্ধে

     পড়াশুনা বা কোনোও আ্যাকটিভিটিতে সময় দেয়।

    যা তার ভাল লাগে না, সেই কাজ করলে

       তার শরীর খারাপ বা সময় নষ্ট হয়।

    যদি গুরুজনেরা তার ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে কাজ দেয়,

      তবে সে মনের আনন্দে তা করে এবং সফল হয়।

    ক্লাস এইটের পরে য়খন ঠিক করতে হয়,

           কি পড়বে – সায়েন্স, কমার্স না আর্টসে?

    তখন তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে

           কি পড়লে তার ক্যারিয়ার ভাল হবে?

    বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই ম্যাথস ও সায়েন্স মার্কেসের ভিত্তিতে

       স্কুল ঠিক করে দেয় কোন স্ট্রীমে সে আসতে পারে,

    অনেক সময় গুরুজনদেরও মনে হয়

    সায়েন্স না গড়লে তার ভবিষৎ অন্ধকার হকে পারে।

    অনেকক্ষেত্রে কোয়ালিফিকেসন মার্কস দেখে

         বাবা-মাʼই ঠিক  করে দেন কোন স্ট্রীমে সে পড়বে।

    কিন্তু বাবা-মাʼরা ছেলে-মেয়েদের মেধা এবং 

               তাদের ইচ্ছা জেনে সেটি ঠিক করা উচিত।

    এটি সঠিক না হলে ছাত্র-ছাত্রীরা পরবর্ত্তী সময়ে পিছিয়ে পড়ে,

                 এবং শেষে মিডিওকার হয়ে পরে।

    অঙ্কে ভাল ছেলে-মেয়েরাও অনেকক্ষেত্রে আর্টস পড়ে ও

                            ভবিষতে দিকপাল মানুষ হয়ে উঠরে পারে।

    আবার সায়েন্সেও জেনারেল সায়েন্স না

                                        মেডিক্যল সায়েন্স, কোনটি নেবে?

    এটিও অনেকক্ষেত্রে বাবা-মা, দাদা-দিদিকে দেখে

                                        স্ট্রীমটি ঠিক করে, নিজে না ভেবে ।

    পড়াশুনার প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই, ছাত্র-ছাত্রীদের

                       কোনটা পছন্দ সেটি দেখার খুবই দরকার।

    তার পছন্দ যদি মেধার সঙ্গে মিলে যায়

                  সেক্ষেত্রে সেই বিষয়টি তার প্যশনে পরিবর্তিত পারে।

    যা তাকে পরে আরও নানান সাকসেস এনে দেয় এবং

                              ভবিষতের উন্নতির সোপান হতে পারে।

    এক্ষেত্রে একটি কথা  মনে রাখা উচিত

     যে কোনোও একটি বিষয় যেটি অ-দরকারি হতেও পারে,

    কোনোও ছাত্র-ছাত্রী সেটিকে যদি প্যাশনেটলি সেটি পড়ে

        তাহলে সে একদিন সাকসেসের চূড়ায় পৌঁছতে পারে।

    সবশেষে শিশুর ভবিষৎ জীবিকার পথ

                        তার মেধা ও পছন্দ মতো হওযা চাই।

    তার জন্য তার বাবা-মা বা আরো অনেকে যারা

                    তার পড়াশুনার সঙ্গে যুক্ত তাদের গাইডও চাই।

  • ||করমন্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    ||করমন্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Accident of Coromandel Express

    এটি একটি সত্যি ঘটনা

    গত তিন জুনে এই এক্সিডেন্টে মারা গেছেন

              প্রায় তিনশো জন।

    আহত হয়েছেন

              প্রায় নʼশো জন।

    বালেশ্বরের কাছে

                  বাহানাগা বাজার স্টেশনে

    গাড়ীটি না দাঁড়িয়ে

                   দ্রুতবেগে চলে যাওয়ার কথা।

    ট্রেনটি ঘন্টায় একশো ছাব্বিশ কিলোমিটার

                                           বেগে দৌড়চ্ছিল।

    ট্রেনটির সিগনাল প্রথমে

                                    মেন লাইনে ছিল।

    পরে সেটি পালটে

                         লুপ লাইন করা হয়।

    সেখানে কিছু আগে

                         একটি মালগাড়ীকে পাঠানো হয়।

    মালগাড়ীর সঙ্গে ধাক্কায়, করমন্ডলের কামরার ওজন

              ও গাড়ীর গতিবেগ মিলিয়ে এত বেশী ভরবেগ হয়,

    যে ইন্জিন সহ কুড়িটি কামরা

                        দেশলাই-এর বাক্সের মতো ডিগবাজী খায়,

    এবং পাশের লাইনে ডাউন যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের

                                                  ওপরে আছড়ে পড়ে।

    দুটি ট্রেনের বহু মানুষ

                                     সঙ্গে সঙ্গে মারা যান।

    লাইনের পয়েন্টের বিভ্রাটে লুপ লাইনে

                   ঢোকাটাই এক্সিডেন্টের প্রধান কারন।

    কিছু আগে মালগাড়ীটি ঢোকে লুপ লাইনে

                     তারপর রেলের ট্র্যাকের পয়েন্টিকে

     মেন লাইনে চেঞ্জ না করার জন্যই

                                          এক্সিডেন্টি ঘটে। 

    উনিশশো সাতাত্তরের পরে করমন্ডল এক্সপ্রেসে

                            এই প্রথম এতবড় দুর্ঘটনা হয়েছে।

    নিহত মানুষের পরিবার  যেমন শেষ হয়েছে

                              আহতরা এখনও তেমন  ট্রমায় রয়েছে।।

  • || ছায়াহীন শহর   ||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    || ছায়াহীন শহর   ||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Shadowless City

    সূর্য্য ওঠার পরে দেখি

                ছায়া সবথেকে বড়।

    ছায়ার দৈর্ঘ্য কমতে থাকে

                বেলা যত হয় বড়।

    পশ্চিম দিকে সূর্য্য ঢললে

                ছায়া হয় আবার বড়।

    এই ভাবে ছায়ার খেলা চলে

                    দিনের পর দিন।

    কোনোও কোনোও শহর

             ছায়াহীন হয় বছরে দুʼদিন।

    ইকোয়েটরের সাড়ে তেইশ ডিগ্রী নর্থে

                                  ট্রপিক অফ ক্যান্সার।

    ইকোয়েটরের সাড়ে তেইশ ডিগ্রী সাউথে

                             ট্রপিক অফ ক্যাপ্রিকন।

    এই দুই অক্ষাংশের মধ্যে

                            যে শহরগুলি পড়ে,

    তারাই বছরে দুʼদিন

                         ছায়াহীন হয়ে পড়ে।

    ভারতের আটটা স্টেটের সব শহর

                          পায় এমন শ্যাডোলেস ডে ।

    দু হাজার তেইশে পাঁচই জুন আর সাতই জুলাই

                          কোলকাতার শ্যাডোলেস ডে ।