Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • || শ্যামল, রাধিকা ও স্বপ্নার গল্প – এক ||
    Poetry

    || শ্যামল, রাধিকা ও স্বপ্নার গল্প – এক ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    A story of Shyamal, Radhika and Swapna -1

    ( পুরো গল্পটি কয়েকটি কবিতায় সম্পন্ন হবে। আজ প্রথম পর্ব। )

    দুটো মেয়ে, একটা ছেলে

                  এ তো ত্রিভূজ হয়ে গেল।

    ত্রিভূজ প্রেমের ছেঁদো গল্প

                  এবার শুরু হোল?

    এক চতুর্ভূজ – শ্যামলের কথা

    শ্যামলের বাড়ীর খবর

                  বলি এবার।

    চারটি প্রাণী থাকে এখানে

                  সুখি পরিবার।

    শ্যামলের বাড়ীতে শ্যামল ছাড়া

               আছে ছোটোবোন শ্যামলী।

    এছাড়া থাকে বাবা-মা

                শান্তির গৃহস্থালী।

    বাবা রিটায়ার্ড ব্যাঙ্ক অফিসার

                   মা হোম মেকার।

    বাড়ীর সব কাজ মায়ের হাতে

                   বাবার শুধু বাজার।

    ছোটোবোন কলেজে পড়ে

                  তার এখন থার্ড ইয়ার।

    শ্যামল একটা ছোট প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরী করে

                  সেলস-এ কাজ তার।

    শ্যামল, শ্যামলী বেরিয়ে গেলে

                 বাবা-মা থাকে ঘরে।

    ছেলে মেয়েটার বিয়ে দিতে হবে

                 আর নানান চিন্তা করে।

    পড়াশুনাতে কখনোই ভাল ছিল না শ্যামল

                 তাই তার গ্রাজুয়েসনই হয়েছে।

    পাশ করে সে চাকরী খোঁজে

                  সেল্সের চাকরী পেয়েছে।

    চেহাড়াতে সে সুদর্শন,

                   বাইক চালায় রাস্তা ঘাটে।

    অনেক মেয়েই দেখে তাকে

                   বন্ধু হʼতে সবাই মাতে।

    ঘুম কাতুরে শ্যামল বড়,

                 লেট রাইজিং তার স্বভাব।

    এর জন্য নানান কথা শুনেছে সে

               এখন এটাই হয়ে গেছে তার অভ্যাস।

    সেদিন একটা কাস্টমার মিটিং

                      অফিসে সাড়ে নʼটায়।

    যথারীতি দেরী হলো

                           অফিসে পৌঁছোলো এগারটায়।

    অনেকবারই বসের ওয়ার্নিং

                                     সে হজম করেছে।

    আজকে সে প্ল্যান করেছিল

                                     সময়ে পৌঁছোবে সে।

    গতকালের বিরিয়ানি আর চিকেন কষা

                                           বাধায় গন্ডগোল।

    লুজ-মোশন শুরু হয় আজ

                                        দেড় ঘন্টা ভন্ডুল।

    অফিসে আজ ঢুকছে যখন

                                   বসের ডাক আসে।

    বস বলে, ʼসবই যদি আমি সামলাবʼ,

                           ʼতবে তুমি আছ কিসেʼ?

    ʼআজ থেকে আর দরকার নেইʼ

                            ʼতোমার ফাইনাল হিসেব বোঝোʼ।

    ʼকাল খেকে আবার রাস্তায় নামোʼ

                                   ʼনতুন চাকরি খোঁজোʼ।

    চাকরি গেল এক লহমায়

                            কিছু  বলার আগে।

    দুঃখ হয় তার মনে মনে

                            পায়না কিছু ভেবে।   

    বাড়ীতে তো বলা যাবে না

                             কিছু পাওযার আগে।

    বাবার অনেক চিন্তা হবে

                             আমার কথা ভেবে।

    পরদিন থেকে অফিস টাইমে

                             খেয়ে দেয়ে বেরোয় সে।

    দূরে একটা পার্কে আসে

                             একটা বেঞ্চে এসে বসে সে।

  • || ভগবানের ভালবাসা ||
    Poetry

    || ভগবানের ভালবাসা ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Bhagabaner Balobasa

    ʼহ্যাঁ গো, আমি ভগবানেরʼ

                     ʼভালবাসা পেয়েছিʼ।

    ʼসেটা আবার কিʼ?

                           ʼভগবানকে দেখেছোʼ?

    ʼনা, ভগবানকে তো দেখিনিʼ

                  ʼকিন্‌তু ভালবাসা উপলব্ধি করেছিʼ।

    ʼআরে চুপ চুপʼ,

                     ʼপেলেও, এসব কথা কেউ বলে নাʼ।

    ʼকেন কি হবে বললেʼ?

                            ʼভালবাসা থাকবে নাʼ?

    ʼআরে ভগবান তো তোমাকেও ভালবাসেʼ

                                      ʼজানো না তোʼ?

    ʼতুমি যখন ভাল কাজ করোʼ,

                       ʼনিজের মনে একটা শান্তি পাও তোʼ?

    ʼওটাই তো ভালবাসাʼ

                       ʼকি বুঝলে তোʼ?

    দেখ ভগবান আমাদের

                                      সব্বাইকেই ভালবাসেন।

    এই প্রাণী জগৎ তাঁর সৃষ্টি

                            তাদের রক্ষণাবেক্ষণ তিনিই করেন।

    ʼতোমার কবিতা লেখার শখ হয়েছে জানিʼ

                           কিন্‌তু এসব উল্টোপাল্টা কিʼ?

    ʼএসব উল্টোপাল্টা নয়ʼ

                         ʼসবই সত্যিʼ।

    ʼআমরা সবাই ভগবানেরʼ

                                     ʼচারিদিকে ঘুরছিʼ।

    ʼঘুরছি কেন ʼ?

                           ʼসবাই হাঁটছি তো জীবনের পথেʼ।

     ʼসবাই ভগবানকে ডাকছি বা দোয়া করছিʼ

                          ʼভগবানকে সামনে রেখেʼ।

    তাহলে আমাদের গতিপথটা

                                গোলই হʼলো তো।

    পৃথিবীর চারদিকে

                         উপগ্রহরা যেমন ঘোরে।

    আমাদের প্রত্যেকের অরবিট

                                   আলাদা আলাদা।

    কেউ কারো অরবিট জানেনা

            তোমার প্রিয় ছেলের অরবিটও তুমি  জান না।

    তুমি যেমন কাজ করে চলেছ

                             তোমার রাস্তা তেমনই তৈরী হচ্ছে।

    ভাল কাজ করলে ফুল বেছানো

                                         রাস্তায় সাঁ সাঁ করে এগোবে।

    ভাল কাজ না হʼলে, এবড়ো খেবড়ো রাস্তায়

                                  হোঁচট খেয়ে মুখ থুবরে পড়বে।

    আবার অনুশোচনা করে

                           ঠিক পথে ছুটে যাবে।

    সবারই ভগবান আছেন

                           সেটা তুমি মানো কিম্বা না মানো।

    ডাক্তারেরা  ʼও গডʼ বʼলে 

                                  ক্রিটিক্যাল অপারেসনে হাত দিচ্ছে।

    মহাকাশচারীরাও তাঁকে স্মরণ করে

                                মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে।

    ক্রিকেটারাও সেন্ঞ্চুরি করে

              ওপরের দিকে তাকাচ্ছে বা মাটিতে চুমু খাচ্ছে।

    তাই ভগবান

                         সবাইকে ভালবাসেন।

    তোমার নিজের সব ভাল কাজেই

                          তিনি লুকিয়ে মিটি মিটি হাসেন।

  • || চাওয়া পাওয়া  ||
    Poetry

    || চাওয়া পাওয়া  ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Chawa Pawa

    আচ্ছা, আমরা যা চাই,

            তাই কি পাই?

    আর যা পাই,

            সেটাই কি আমরা চাই?

    এটা একটা গোলোক ধাঁধার মতো, চিন্তা করলে

                   সব গন্ডগোল হয়ে যায়।

    তবে এই চাওয়া-পাওয়ার

                   একটা ব্যালান্সিং হয়।

    কেউ ছোটোবেলায় ভাবে ডাক্তার হবো

      কিন্তু অঙ্কে ভাল বলে বাবা ইন্জিনিয়ারিং-এ পাঠায়।

    আবার কারো বা নাচের শখ ছিল 

             শেষমেষ কাকুর ইচ্ছায় গান শেখা হয়।

    ক্লাসের কোনোও টিচারকে দেখে করো মনে হয়

               এই রকম টিচার হতে হবে।

    চেহারাটা রাগী রাগী, কিন্তু পড়ানোর সময়

                 সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনবে।

    এক ছেলের টিভির নিউস-রিডারকে দেখে

      মনে হয় সে ঐ রকম সে খবর বলবে ।

    সত্যি, পৃথিবীর সব খবর জেনে লোকটা

         কি অবলীলায় সব ঝরঝর করে বলে যাচ্ছে।

    ঐ ছেলেটি হয়ত বড় হয়ে

            কোনো ফার্নিচারের দোকান করে।

    ছোটোবেলায় এরকম অনেক ভাললাগাগুলো নিয়ে

            সবুজ মনে অনেক কিছু হতে ইচ্ছে হয়।

    পরিবেশ, আত্মীয়স্বজন, সিনেমা, টেলিভিশন

       এসব শিশুদের মনে বিভিন্ন ছবি তৈরী করে।

    নিজের পড়াশুনায় ভালোলাগা থেকেও

                    অনেক স্বপ্ন সৃষ্টি করে।

    কোনোও একটি স্বপ্নকে ধরে, তাকে লালন-পালন করে

       এগোলে সেটিই হয়ত তার জীবিকা হয়ে উঠতে পারে।

    তারপর পরীক্ষা, রেজাল্ট,ইন্টারভিউ নানা গন্ডি পেরিয়ে

      তার স্বপ্নের পথটি জীবিকায় পরিণত হয়।

    জীবনের অনেকটা পথ পেরিয়ে মানুষ অবসরে

                         এটা নিয়ে চিন্তা করে।

    কিছুক্ষণ ভেবে, কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ

              এসব কিছুই না বুঝে, সে চিন্তা ছাড়ে।

  • || মর্নিং ওয়াক ||
    Poetry

    || মর্নিং ওয়াক ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Morning Walk

    ʼবাটা মাছ কত করেʼ?

                          ʼকিলো আড়াইশো টাকাʼ।

    ʼপাঁচশো দেʼ, মাছওলা বলে, ʼনা ছʼশো করে দিʼ,

                                        ʼদেড়শো টাকাʼ।

    ʼআচ্ছা দেʼ, আসলে জ্যান্ত মাছ দেখে

                                      ইচ্ছা হলো কিনতে।

    আধ ঘন্টা আগে বাড়ী থেকে বেড়িয়েছি

                                এসব কাজ ফেরার পথে।

    তার আগে অবশ্য গরম জিলিপি কিনলাম

                                  মিষ্টির দোকান থেকে।

    হেঁটে যেটুকু ক্যালোরি কমলো

                                  তার সবটাই যাবে এতে।

    নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া করলে

                                   শরীর ঠিক থাকে।

    তবে একটু-আধটু গন্ডগোল করলে

                           এক ঘেঁয়েমি কাটে এতে।

    পার্কের ভেতরে ঢুকিনি আজকে

                            পাশ দিয়ে আসছিলাম।

    দেখি বেশকিছু ছেলেমেয়েরা

                          পার্কের লেকে সাঁতার কাটছে।

    গরম যা পড়েছে , জলে নেমে

                          সবাইকে বেশ উৎফুল্ল দেখাচ্ছে।

    কোনোও এক বেঞ্চে এক প্রৌড় স্বামী-স্ত্রী

                              কিছুকথা বলাবলি করছে।

    কিছু বৃদ্ধ-বৃদ্ধার দল

                         আলাদা আলাদা করে বসেছে।

    মানে বৃদ্ধরা একদিকে

                             আর বৃদ্ধারা  অন্যদিকে।

    বৃদ্ধরা মনে হʼল পলিটিক্স নিয়ে

                             গুরুগম্ভীর আলোচনায় ব্যস্ত।

    ওদিকে বৃদ্ধারা বেশ হাসাহাসি করছে

                            কি নিয়ে তা বোঝা কষ্ট।

    এই সব দেখতে দেখতে আর সকালের

                               রোদ্দুর গায়ে মেখে হাঁটছি।

    মাছওলার কাছে মাছ কিনে

                                বাড়ীর পথে রওনা দিয়েছি।

  • ||এ আই পরমানু বোমার থেকেও মারাত্মক হতে পারে||
    Poetry,  Poetry on hot topics

    ||এ আই পরমানু বোমার থেকেও মারাত্মক হতে পারে||

    Audio File

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    AI can be dangerous than atom bomb

    আজকের দিনে মানুষ

              ভাবতে পারে না এ আই ছাড়া।

    সৃষ্টির উন্নয়নে আজকে

               দিনরাত এক করছে তারা।

    যে কোনোও কাজের উৎকর্ষে

                 এখন এ আই-এর সাহায্য লাগে।

    পড়াশুনা থেকে শুরু করে

                  মেডিক্যাল সায়েন্সের কাজে।

    কিন্‌তু উৎকর্ষের শেষ নেই

                    এ কাজ চলতেই থাকবে।

    চলতে চলতে মানুষ

                  কোথায় পৌঁছবে?

    মানুষের নিজের ক্ষমতা থেকে

                  আগামী দিনে একদিন আসবে,

    যেদিন মানুষের সৃষ্ট মেশিনের

                  ক্ষমতা অনেক বেশী হবে।

    সেদিন মেশিন হয়তবা

                 মানুষকেই অবহেলা করবে।

    আর মানব সভ্যতার অস্তিত্ব

                 সংকটের মধ্যে পড়বে।

    এছাড়া এ আই-কে যদি কেউ

                  খারাপ কাজে ব্যবহার করে।

    সেদিন ফ্রাকেনস্টাইনের মতো

                যন্ত্রদানব সৃষ্টি হতে পারে।

    সেই যন্ত্রদানবের ক্ষমতা অতিমারী বা

              পরমাণু বোমার থেকেও বেশী হতে পারে।

    যা নষ্ট করতে হলে

                সেদিন মানুষেই বিপদে পড়তে পারে।

    আবার এ আই সমৃদ্ধ কম্পিউটার

              অনেক মানুষের মেধার থেকে উন্নত হবে।

    তখন এ আই-এর জন্যে সেই সব মানুষের

               চাকরি হারাবার সম্ভাবনা থাকবে।

    এসব চিন্তায় বিজ্ঞানীরা

                  এখন নিজেরাই শঙ্কিত।

    চ্যটজিপিটির জন্মদাতা, গুগুল এবং আরো

           অনেক বিজ্ঞানীরা এব্যাপারে একত্রিত।

    এরা সবাই চায় এ-আই-এর

                   ক্ষমতা যেন সীমাবদ্ধ হয়।

    যাতে মানুষের বিকাশের কারণ

             ভবিষ্যতে মানুষের বিরুদ্ধে না যায়।

    এজন্য বিজ্ঞানীদের একটি দল

           আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবে।

    যাতে এ আই-এর প্রগতির সীমা

                  আইন করে বেঁধে দেওয়া যাবে।

  • || আমি কি পারবো? ||
    Poetry

    || আমি কি পারবো? ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Ami ki Parbo?

    আমি এটা পারবো না।

        এত কিছু এতে আছে, আমি জানি না।

    সব কিছু ভালভাবে না জেনে

             করতে গেলে কিছুই হবে না।

    আসলে যে কোন মানুষের

              প্রধান বন্ধু সে নিজে।

    আবার যে কোন মানুষের

              প্রধান শত্রু সে নিজে।

    তাই সত্যিই কাজটা করতে চাইলে

      প্রথমেই মনে মনে বলতে হবে, ʼআমি পারবোʼ।

    নিজের মনকে বোঝাতে হবে, একবার নয়,

      বারবার বলতে হবে, ʼআমি পারবো, পারবো, পারবোʼ।

    নিজের মনে উপলব্ধি করতে হবে

               যে আমি পারবো।

    নিজের প্রধান শত্রুকে

               নিজের দলে নিতে হবে।

    এবারে ভাবতে হবে, করতে গেলে

               কি কি জানতে হবে?

    না-জানা কাজগুলো, একটার পর একটা

                কাগজে লিখতে হবে।

    না-জানা কাজ প্রত্যেকটা আলাদা আলাদা করে

       দেখতে হবে কি জানতে হবে ওটা করতে গেলে।

    এবারে সেই নতুন জানাটা শেষ হলেই

                       কাজটা করা হবে।

    শেষে সমস্ত কাজটাই

               করা যাবে অনায়াসেই করা যাবে।