Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| আমি জানতে চাই ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Ami Jante Chai
আমি জানতে চাই।
আমি যা জানি, কিছুই জানিনা
আরও অনেক কিছুই জানতে হবে।
পড়াশুনা অনেক করি
তাও এটা চালিয়ে যেতে হবে।
আমি জানতে চাই।
কোনও এক বিষয় জানতে গেলে
গুগুল সার্চ করে দেখ।
তাতেও যদি আশ না মেটে
কত বই আছে, পড়তে থাক।
আমি জানতে চাই।
ইউটিউবে অনেক আছে
দেখতে হবে সময় করে।
কত মানুষের বানানো এ সব
সত্যি, মানুষ অনেক বুদ্ধি ধরে।
আমি জানতে চাই।
আমার নলেজ কিছুই নেইরে ভাই
জানতে হবে অনেক কিছু।
যত জানছি, ততই মনে হয়
না পাওয়ার চিন্তা, ছাড়ছে না পিছু।
আমি জানতে চাই।
কোনোও কিছু প্রয়োগের আগে
জানতে হবে পারফেক্ট।
সমস্ত দিনে তো অনেক দেখলাম
তাও মনে হয়, হʼল না বেস্ট।
আমি জানতে চাই।
পৃথিবীতে ঘটছে কত
মানুষ যাচ্ছে কত দূরে।
আমিই আছি না জেনে সব
আমিই আছি একা পড়ে।
আমি জানতে চাই।
কে বলবে কোন জানার পর
জানাটা হবে একেবারে সঠিক?
এর উত্তর দেবে কে আমায়
আমি জানিনা, আমি কোন পথের পথিক।
আমি জানতে চাই।
জানার স্পৃহা ছেড়ে তুমি
যা জেনেছো তা প্রয়োগ করো।
দেখবে তুমিই অনেক জান
লোকে বলবে, তুমি অনেক বড়।
-
|| নিজের শক্তি ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Nijer Shakti
নিজের শক্তি জান কি তুমি,
জান, কি পারো করতে?
এতটা পথ যে হাঁটলে তুমি
কেউ ছিল কি তোমার হাতটা ধরতে?
বাবা-মা ছিল, গুরুজনেরাও ছিল
হাতটা ধরেছে অনেকবারই।
হোঁচট খেয়েছো, আছাড় খেয়েছো
দাঁড়িয়েছো তার পরেতেই।
এরা ছাড়া কি দেখ না কাউকে
কে ধরলো তোমার হাত?
ভাল করে ভাব, আর কেউ নেই
করতে সেই সব পুরোনো বাজিমাত?
কর্মের জোরে চলেছি এখনও
করতে হবে কর্ম আরও।
পদে পদে ভাবি, করছি কি ঠিক
চলছি কি ঠিক আজও?
এসব ভেবে লাভ নেই কিছু
করে চলো তুমি নিজের কাজ।
যা ঠিক মনে হয়, তাই করে যাও
তবে চোখ খুলে চলো আজ।
চর্মচক্ষে দেখতে না পেলেও
দেখো মনের চোখে।
কোন শক্তিতে এগোচ্ছ তুমি
কে আছে তোমার সাথে?
তোমার কাজের লিস্ট করা আছে
কোন এক অদেখা ডায়েরিতে।
তাই চলো পুতুল নাচের রাজার মতো
নিজের রাজ্য উদ্ধার করতে।
-
|| যন্ত্র-মগজে পথ চলা ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Jantra-magage Path Chala
এটা একটা সত্যি ঘটনা।
গল্পের নায়কের বাড়ী নেদারল্যান্ডে
চীনে গেছিলেন সাইকেল রেসে।
সেখানে সাইকেল চালাতে গিয়ে
এক্সিডেন্টে পড়েন অবশেষে।
চীনের হসপিটাল জানায় তাকে
তার স্পাইনাল কর্ডে আঘাত লেগেছে।
তাই তার পা ও নিম্নাঙ্গ
পুরো প্যারালাইজড হয়ে গেছে।
চীনের মানুষের সাহায্যে তিনি
ফিরে যান নিজের বাড়ীতে।
চেনা-মানুষেরা হাসি মুখ দেখালেও
দেখতেন তাদের কাঁদতে।
অসহায় জীবন থেকে পালিয়ে,
যান এক নতুন বাড়ীতে।
চেষ্টা চলে ফিজিওথেরাপি ও
বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতিতে।
হঠাৎ জানা যায়, সুইজারল্যান্ডে হিউম্যান ট্রায়ালে
এক নিউরো-সায়েনটিস্ট এরকম পেসেন্ট চান পেতে।
ইমেলে পাঠান উনি নিজের জন্যে
আর কনসেন্ট দেন যেতে।
এর পরে অপারেসনে মাথার মধ্যে
দুটি ইলেকট্রোড বসে।
আর হাঁটার জন্যে দু-পায়ে লাগে
দুটি চার্জেবল ইমপ্ল্যান্ড।
ব্রেন থেকে পায়ের নার্ভের সংযোগ
করা হয় এক ডিজিট্যাল ব্রীজ দিয়ে।
ছোট্ট একটা বাক্স পিঠে বসানো হয়
এক ডিজিটাল ডিকোডার বসিয়ে।
যেটা এ আই সফ্টওয়ার
ব্রেন-স্পাইন-ইন্টারফেস করে।
এভাবে মাথা থেকে ইম্পালসিভ মেসেজ
পাʼকে চালনা করতে পারে।
শেষটা মনের জোর আর চেষ্টা,
এটারই জোরে হাঁটতে পারা।
উইল পাওয়ারই শেষ কথা,
মানুষের সার্থকতায় ফেরা।
কিছু দিন আগে, লন্ডনে ʼউইংস ফর লাইফেʼ
অংশ নেন দৌড় প্রতিযোগিতাতে।
একশো গজ হেঁটে, তিনি জীবনের পথে চলেছেন
হারিয়ে প্রতিবন্ধকতাকে।
-
|| হাই টেক রান্নাঘর ||
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
High Tech Rannaghar
দারুন দারুন আইটেম সব
তৈরী হচ্ছে এই রান্নাঘরেই।
এসব করছে জুনিয়াররা
কোনোও শেফের তদারকি ছাড়াই।
রান্নাঘরে একটা কম্পিউটার তো আছেই
এছাড়া এক ছোটোখাটো রোবটও আছে।
যে রোবট জিনিষপত্র মাপা ছাড়াও
টেম্পারেচার ও সময় মাপে তার কাজে।
যে সব রান্না হবে তার ডিটেলস রান্নাঘরে আসে
শেফের কম্পিউটার থেকে।
রান্না ঘরের একজন কম্পিউটার খুলে
রান্নার ডিটেল্স দেখে তার থেকে।
শেফের ডিটেল্সে রান্নার লিস্টের
সঙ্গে পেয়ে যায় সব ইনগ্রাডিয়েন্ট।
লিস্ট মত জিনিষপত্র দিলে, টেস্ট হবে একইরকম
লাগবে না কোনোও এক্সপেরিমেন্ট।
কিচেনে অনেক রান্না একসঙ্গে হবে
কিনতু থাকবে না কোনোও শেফের হুকুম।
যারা আছে তারা কম্পিউটার বোঝে আর
রোবটকে দেবে হলুদ, জিরে আর নুন।
রান্নার সময় ঠিক করা আছে
ঠিক করা আছে টেম্পারেচার।
নিজে থেকেই এসব হবে
কারও নেই কিছু দেখার।
রঙের দোকানে যেমন বেশ কালারগুলো থেকে
তৈরী হয় যে কোনোও শেড মেশিনে।
কোন বেস কালার কতটা লাগবে
তা সব কম্পিউটার জানে।
লাউ চিংড়ি আর চিকেন রেজালা
একই রকম ভাবে তৈরী হবে।
রান্নাটা হাইজিনিক হবে
আর হেরফের হবে না একটুও স্বাদে।
তারপরে প্যাকেজিং মেশিন থাকলে
ওজন মতো রান্না, মেশিন প্যাক্ট করবে।
সোজা ফ্রীজিং স্টোরে চলে যাবে
তারপর ডিস্ট্রিবিউসন হবে।
প্রোডাকসনের তদারকি ছেড়ে
শেফরা মন দেবে নতুন রেসিপিতে।
নতুন নতুন খাবার হবে
বিভিন্ন গুণাগুণ নিয়ে তাতে।
-
|| সাবুর উপাখ্যান ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sabur Upakhyan
কাকার সাথে রতন আসে
তাদের ভাত-পরোটা-মাছের দোকান।
বাস স্ট্যান্ডের পাশেই এটা
তাই ভীড় থাকে রোজই সমান।
ড্রাইভার-কন্ডাকটাররা ভাত-মাছ খায়
পয়সা বেশী হʼলে চিকেন।
পদগুলো হয় বেশ সুস্বাদু
রান্নাটা কাকু ভালই জানেন।
পাশেই একটা চায়ের দোকান
মালিক রাম কাকুর বেশ বয়েস হয়েছে।
দরকার হʼলে অনেক সময়
রতন চায়ের দোকান সামলেছে।
অনেক দিনের রতনের ইচ্ছা
ওই চায়ের দোকানটা যদি পাওয়া যায়।
হোটেলটা একটু বড় হয় তাহলে
কিছু চেয়ার-টেবিল বাড়ানো যায়।
হঠাৎ একদিন সকালে দেখে সে
একটি মেয়ে এসেছে চায়ের দোকানটাতে।
একি, রামকাকু এমন ঠকালো তাকে যে
স্বপ্নেও ভাবে নি এটাকে।
চায়ের সঙ্গে যোগ করে মেয়ে
ঘুগনি, টোস্ট আর ডিমভাজা।
চায়ের দোকানে এ সব দেখে
আশেপাশে খদ্দেরদের ভারী মজা।
ভাত-মাছ ছেড়ে অনেকেই চায়
টোস্ট-ঘুগনি খেতে।
পয়সা বাঁচিয়ে হাল্কা খাবার
সবাই উঠলো মেতে।
মুখ বদলাতে মেয়ের দোকানে
দিনে দিনে বাড়ে ভীড়।
কাকা-ভাইপোর সব খদ্দের যায়
চিন্তায় তারা অধীর।
হঠাৎ একদিন মেয়েটি দেখে
রতন দোকানে নেই।
ম্লান মুখে কাকা খাবার নিয়ে
খদ্দের সামলাচ্ছে একলাই।
সন্ধ্যেবেলা কাকু যখন
দোকান বন্ধ করে।
মেয়েটি ডাকে,ʼকাকু,
আজ রতন কেন ঘরেʼ?
কাকু বলে, ʼদেখ মা,
আজকে ওর দারুন জ্বরʼ।
ʼডাক্তার বলেছে শুয়ে থাকতে
দোকানে আসবে সাতদিন পরʼ।
ʼতোমার নামটি কি মাʼ,
কাকু জিজ্ঞেস করে।
ʼআমার নাম সাবিনা,
সাবু বলে সব ডাকেʼ।
ʼকার কাছে তুমি থাক বাড়ীতে
সেখানে কে কে থাকেʼ?
প্রশ্ন শুনে কাকু দেখে
সাবুর চোখে জল।
বলবে কি সে, জানে না সে তা
পায়না সমুদ্রের তলাতল।
ছোটোবেলাতে এক মেলাতে
আমার বাবা-মা হারিয়ে গেছে।
ঝড় বৃষ্টির দাপটে সেদিন
ছাড়াছাড়ি হয় তাদের সাথে।
জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিলাম আমি
কোনোও এক বাড়ীর কোনাতে।
চোখ খুলে দেখি
শুয়ে আছি এক ফকির বাবার বাড়ীতে।
সেই আমাকে মানুষ করেছে
তাকেই বাবা বলে ডাকি।
এখন আমিই তার আশ্রয়
তার কাছেই আমি থাকি।
কাল খেকে কাকু, ʼআপনি চাইলে
দু-দোকান একসঙ্গে চলুকʼ।
ʼবিক্রি যা হবে, ভাগ করে নেব
রেষারেষিটা বন্ধ হোকʼ।
তেমনই হোল পরদিন থেকে
কাকুর মুখে হাসি ফোটে।
ভাগাভাগির লভ্যাংশে
কাকুর ভাগ্যে বেশীই জোটে।
কʼদিন বাদে রতন ফেরে
এখন রতন-সাবুর এক দোকান।
এর পরে কি হোলো ছেড়ে
শেষ করি এই উপাখ্যান।
-
|| সোনার সংসার ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sonar Sansar
এক সাধারণ মেয়ে অপরাজিতা,
প্রাইমারী স্কুল টিচার।
ছাত্র-ছাত্রীদের কাছের মানুষ
ভালবাসা তার অপার।
অন্য টিচাররাও পছন্দ করে তাকে
কাজের ধরন দেখে।
কোনও টিচার না এলে
তার ক্লাস নেয় একটু বেশী থেকে।
শ্যামলা রঙের চেহারা হলেও
পাড়াতেও খুব পপুলার।
ঝামেলাতে পড়লে সবাই
আসে সাহায্য নিতে তার।
মাইনের টাকা কম হলেও
কারো দরকারে দেয় সে টাকা।
জানে মাস-শেষে মুস্কিল হবে
হাত যে হবে ফাঁকা।
যে স্কুলে পড়ায় সে
সেটি হʼল সরকারী।
অনেক গরীব ছেলেমেয়ে পড়ে
যাদের বাবা-মা করে মজদুরি।
সবাই কে সে ক্লাসে বলে থাকে
তুমিও হʼতে পার চ্যাম্পিয়ন।
পড়াশুনা কর মনের খুশিতে
ভেবনা শুধু এক্সজামিনেসন।
স্কুল স্পোর্টসে সব কাজে সে
এগিয়ে আসে সব সময়।।
ছেলেমেয়েদের উজ্জীবিত করে সে
পুরস্কারে তাদের হাত ভরে যায়।
সরস্বতী পুজোর আলপনা দেওয়া
এটা তারই কাজ।
অন্য সব কাজের তদারকি দেয় সে
ছেলেমেয়েদের আজ।
মায়ের সঙ্গে থাকে সে একটা
ছোট্ট টালির বাড়ীতে।
পরিপাটি করে সাজানো সবকিছু
শ্রী আছে ওই ঘরটিতে ।
ছোট্ট ঘরে থেকেও যে তার
সোনার সংসার।
শান্তি নিয়ে সে হাসি মুখে চলে
অপরাজিতা নামটি য়ে তার।

















