Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| ওজন বেড়েছে ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Gaining Weight
চিন্তা হচ্ছে খাবার নিয়ে
বাড়ছে বয়েসের সঙ্গে ওজন।
কেমন করে থামাই তাকে
বলতে পারে কʼজন?
সমস্যাটা সাধারণ
অনেক আছে উপায়।
বয়েস বাড়লে মেটাবলিজম কমবে
এতে তুমি নিরুপায়।
খাবারটাতো দেখতেই হবে
সাত-আট ঘন্টা ঘুম।
হাঁটা, ব্যায়াম চাইই চাই
বেকার চিন্তায় হয়োনা নিঝুম।
মিস্টি খাবার কম খাওয়া,
কম রান্না খাবার ও স্পাইস।
মাংস ছেড়ে ডিম, মাছ, ফল খাও
খাও নাটস, ওটস ও ব্রাউন রাইস।
হোল ফুডস বাড়াতে হবে
কম চাই প্রসেস্ড খাবার।
শরীরের কোনও সমস্যা থাকলে
ঠিক করা দরকার।
রোজ সকালে বা বিকেলে হাঁটা
সঙ্গে একটু ব্যায়াম।
মনের কষ্ট ছেড়ে দিয়ে
প্রাণটা করো আরাম।
খাবারটা ক্যালোরিতে এমন
যা ব্যায়ামের সমান হয়।
নতুন করে মেদ জমবে না
ওজন বাড়ার কখাই নয়।
-
|| হাসতে ভুলে গেছেন ? ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Haste Bhule Gachen
আমি তো হাসতে ভুলে গেছি
কত দিন কে জানে?
কেন হাসবো এ কথার
উত্তর কি আছে মনে?
হাসির কথা হলে
হাসি পেতে পারে।
কিন্তু কে বলবে হাসির কথা
যাতে হাসির উদ্রেগ হতে পারে?
ছোটোবেলায় কথায় কথায়
মুখে আসতো হাসি।
তখন চোখে থাকতো অপার জিজ্ঞাসা
আর মনে থাকতো হাসি।
সবার মতো আপনি, আমি, আমরা সবাই
হাসতে ভালবাসি।
তাও আমরা সুকুমার রায়ের
ʼরাম গড়ুড়ের ছানাʼর মতো আছি।
লাফিং ক্লাবের লোকেদের
অনেকের অনেক দুঃখ থাকতে পারে।
তবু তারা একটা সময়ে
সবাই মিলে এসে হাসা প্রাকটিস করে।
মনটা ভারী কেন?
কি আছে ঐ ভারে?
নানান সমস্যা, নানান না পাওয়ার দুঃখ
এসবই ঠেসে ভরা?
সমস্যাগুলো যদি এক জায়গায় লেখা যায়
আর দুঃখগুলো যদি বাদ দেওয়া যায়,
তাহলে বোধহয় ভার
অনেকটা পরিস্কার হয়ে যায়।
সমস্যাগুলো যা নিজের হাতে
সেগুলো প্লান করে ঠিক করা যেতে পারে।
যেগুলো নিজের হাতের বাইরে
সেগুলো সত্যিই ভুলে যাওয়া যেতে পারে।
তাহলে মনটা ফাঁকা হলো তো?
মনের মধ্যে ঢেঁড়া পিটিয়ে বলুন,
মনটা ফাঁকা হলো, মনটা ফাঁকা হলো
মনটা ফাঁকা হলো।
এবারে মনে মনে হাসির কথা ভাবুন।
মন পুরোটা
হাসির আইটেমে ভর্ত্তি।
দেখুন এবারে কত হাসি আসছে
আর মনে কত ফুর্তি।
-
|| মন ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Mind
সবসময় ভালো কাজে
মন সাড়া দেয় না।
নানান ওজর আসে চলে
নানান রকম বায়না।
মর্নিং ওয়াকে যাব কি করে
ভাল ঘুম না হলে?
কিম্বা জুতো ভিজে, অন্যটা টাইট
পায়ে ব্যাথা হবে এর ফলে।
সিঙ্গারা আজ কিনেই ফেলি
একদিন খেলে হবে কি?
ডাক্তারের নিষেধ জানি
মনটা আসলে মানবে কি?
মেয়ে আসছে না আজ
ফ্লাইটের টিকিট পায়নি।
কি করবো এই সিনেমার টিকিট নিয়ে
ওকে ছাড়া তো যেতে চাইনি।
আর্সেনেল-ম্যানচেস্টার
খেলা দেখবো আজ।
তাড়াতাড়ি শোয়া দরকার ছিল
আগে করেছি কাজ।
পরীক্ষা আছে কালকে
রিভাইস করা মাস্ট।
সময় কোথায় যে বই খুলি
টিভিতে হচ্ছে টেলিকাস্ট।
বিয়ে বাড়ীর নেমন্তন্নে
স্যুটটাই কি পড়তে হবে?
পাজ্ঞাবী-পাজামা পড়তে মন চায়
কি করি এবার বলুন তবে?
বিয়ে বাড়ীর কাজের শেষে
আমি খুব টায়ার্ড।
বন্ধুর বাসরে গান গাইতেই হবে
যতই হোক এবসার্ড।
অনেক সময় আমরা করি
বুদ্ধি বলে যা করতে।
মনের ইচ্ছা অন্যরকম
থাকে সেটা মনেতে।
তাই মনটা বাঁধ ডিসিপ্লিনে,
তার বাউন্ডারীটা বেঁধে দাও।
নইলে পরে কষ্ট হবে
যদি মনের কথা শুনে যাও।
-
|| কুকুরের ডাক বোঝা ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Understand the barking of dog
একসঙ্গে অনেক কুকুর ডাকলে
বিরক্ত হই আমরা।
কেন ডাকে ভেবেছেন কি
দেখেছেন তখন ওদের চেহারা?
একঘেয়ে হয় জীবন যখন
অকারণে ডাকতে থাকে।
চায় তখন সে খেলা করতে
আদর করে কেউ যদি ডাকে।
গভীর গরগর শব্দ মানে
দুশ্চিন্তা বা ভয় পেয়েছে।
অচেনা কোনোও মানুষ দেথলে
মনিবকে সে জানাচ্ছে।
শরীরে কোনোও যন্ত্রণা হলে
এক বিশেষ ধরনের ডাক দেবে।
আশেপাশে কুকুর থাকলে
তাকে এসে সাহায্য করবে।
কুকুর যখন বিস্মিত হয় তখন
একটা লম্বা ডাকের পর ছোট ছোট ডাক দেয়।
কেউ এসে তাকে সাহচর্য্য দিলে
ক্রমে তার ডাক বন্ধ হয়।
উত্তেজনা হলে তার
খুব জোরে জোরে ডাকবে তখন।
অন্য কুকুরদের জানিয়ে দিয়ে
শান্ত হবে গুডবয়ের মতন।
ক্ষিদে পাওয়ার সময়ে তার
খাবার যদি না মেলে,
চেঁচিয়ে করবে পাড়া মাথায়
পছন্দের খাবার না পেলে।
-
|| জেনোম সিকোয়েনসিং ||
Audio File Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Genome Sequencing
হিউম্যন জেনোম প্রজেক্ট শুরু হয় উনিশশো নব্বইয়ে,
শেষ হয় দু হাজার তিনে।
মানুষকে জানতে হবে, সেই সব খবর
যা আছে তাদের জিনে।
লক্ষ খানেক মানুষের নেওয়া হলো জিন
তৈরী হলো বিরাট এক ডেটাবেস।
জিনের মধ্যে লুকানো আছে
বংশ পরাম্পরায় সে যা পেয়েছে।
প্রায় ছʼহাজার বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনার জিন
মানুষ খুঁজে পেয়েছে।
জিন টেস্টে সে সব রোগের
হদিশ পেলে পরে,
চিকিৎসা করে ভাল করা
সম্ভব হতে পারে।
অনেক বড় বড় ডাক্তারদের
এটা নিয়ে গবেষনা হলো।
তারা এ সব জন্মগত রোগের
ওযুধেরও সন্ধান পেলো।
আগামী দিনে মানুয যাবে
এ সব জেনোম আ্যনালিসিস সেন্টারে।
মানুষের জিন পরঈক্ষা করে
যারা সব বলে দিতে পারে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে একদিন
এমনই জোয়ার আসবে।
বংশগত কঠিন রোগ থেকে
মানুষেরা বাঁচবে।
-
|| বিবেকানন্দ – ১ ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Vivekananda – 1
যুবনায়ক বিবেকানন্দ
তুমি ছেড়ে গেছ আমাদের যুবাবস্হাতে।
ইতি-বাচক কখাবার্তা বলতে তুমি সবসময়ে
আর থাকতে তুমি ইতি-বাচক কাজের সাথে।
সাহসী তুমি, দৃপ্ত তুমি
তোমার মতো পুরুযকার,
রাজার মতো চেহারা তোমার
জন্মেছে কʼজন এ ভূ-ভারতে আর?
ভাতরবর্য তোমার কাছে
মাতৃভূমি, ভারতমাতা।
গরীব মানুয, দূর্বল যে
তাদের কাছে তুমিই ত্রাতা।
স্বামীজী বলতেন, ʼতোরা মানুয হʼ,
তিনি এমন মানুয চাইতেন যার
মাংসপেযী হবে লোহার।
যার স্নায়ু হবে ইস্পাতের আর
মন তৈরী হবে বজ্রের।
ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই
এমন মানুযকে বলে নাস্তিক।
তাঁর মতে, যাদের নিজের ওপর বিশ্বাস নেই
সে হʼল এ যুগের নাস্তিক।
স্বামীজীর কাছে মানুযই ঈশ্বর,
ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ প্রকাশ হলো মানুযের মধ্যেই।
তাই তাঁর মতে যে জন মানুযের সেবা করে
তার ঈশ্বরের সেবা হয় এই ভাবেই।
স্বামীজী বলেন, ভারতবর্ষ ঋযির দেশ,
এই সব মহান সাধু-পুন্যাত্মারা সব পরিত্যাগ করে হন গুরু।।
তাই ভারতবর্যকে বেঁচে থাকতে হবে
এই দেশ হবে সমস্ত পৃথিবীর ধর্মগুরু।
ভারতবর্যকে তিনি দেখতে চান
শ্রমশীল ও কর্মোৎসাহী মানুযের দেশ।
যেখানে মানুয তার নিজ নিজ কর্মদক্ষতায়
বিশ্বের দরবারে ভারতের হবে শ্রেয্ঠত্বের উন্মেষ।
মানুযের মধ্যেই দেবত্ব ঘুমিয়ে আছে,
তা জাগাতে হবে অন্তঃপ্রকৃতি ও বহিঃপ্রকৃতিকে বশ করে।
অন্তঃপ্রকৃতি বশীভূত হবে ধর্মের আশ্রয়ে
আর বহিঃপ্রকৃতি হবে বিজ্ঞানের হাত ধরে।
এই বিজ্ঞান আর ধর্ম একত্র করলে
মানুযের মঙ্গল হবে।
বিজ্ঞান দেবে শারীরিক সূখ ও স্বাচ্ছন্দ্য
আর ধর্ম নৈতিক ও আধ্যাত্মিক ঊন্নতি করবে।
















