Poetry

In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.

  • || পথের পাঁচালী – অপূ ও দূর্গা – ২ ||
    Poetry

    || পথের পাঁচালী – অপূ ও দূর্গা – ২ ||

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Pather Panchali – Apu o Durga 2

    অপুর বাবা বৈশাখ মাসের প্রথমে

        গ্রামের বাড়ী ছেড়ে কাশী যাবার ঠিক করলো।

    সব জিনিস নেওয়া যাবে না

        তাই বাকী জিনিস বিক্রির ব্যবস্হা হলো।

    গ্রামের একজন অপুকে বলে, ʼতুই যে বলিস, এই গ্রামের মতো

                       এমন নদী, এমন মাঠ কোখাও পাইনি।

    অপু বলে, ʼআমি কি করব, আমি তো গ্রাম ছেড়ে যেতে চাইনিʼ।

    অনেকদিন আগে সে আর দিদি

                       বাছুর খুঁজতে রেল লাইন দেখতে পায়।

    সেদিন ওরা রেল লাইন দেখতে

                        মাঠের জল ভেঙ্গে ছুটে যায়।

    আজ দিদি নেই, সে মারা ঘেছে

           কিন্তু অপু পথে, ঘাটে, বাঁশবনে, বাড়ীতে দিদির স্পর্শ পায়।

    দিদির সঙ্গে সত্যিই কি তার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল?

                                    দিদিকে কেউ ভালবাসতো না।

    অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরে যায়।

                 সেটা দুঃখ, শোক, বিরহ নয়, কি সে জানে না।

    তরগর মনে মনে বললো,

                        আমি যাইনি দিদি, আমি তোকে ভুলিনি।

    ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে

                         আমি সত্যিই যেতে চাইনি।

    বিঃ দ্রঃ – এটি শ্রী বিভূতিভূযন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী থেকে অনুসৃত।

  • ||পথের পাঁচালী – অপু ও দূর্গা  – ১ ||
    Poetry

    ||পথের পাঁচালী – অপু ও দূর্গা  – ১ ||

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Pather Panchali – Apu o Durga

               (১)

    অপুর বাড়ীর সামনে

                একটি অশত্থ গাছ দেখা যায়।

    জানলা দিয়ে গাছ দেখতে

                  অনেক দূরে মন চলে যায়।

    মায়ের কাছে গল্পে, সেই সব দূরের দেশের

                 রাজপুত্রদের কথা সে শুনেছে।

    ভাবতে ভাবতে চোখে পড়ে

                  আকাশে একটা চিল উড়ছে।

    দেখতে দেখতে চিল চলে যায়

                      চোখের অগোচরে।

    চিলের অন্তর্ধানে মনখারাপ হয় অপুর

            ছুটে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে সে।

    মা তখন ব্যস্ত রান্নাতে,

      বলে, ʼতোর জন্যে চিংড়ি মাছ ভাজা করছি যেʼ।

                   (২)

    অপু একদিন জানলার ধারে বসে রোদ মাখানো

            শেওড়া-ঘেটূ বনের দিকে তাকিয়ে আছে।

    মায়ের কাছে সে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের

                          গল্প শুনেছে।

    মা যখন যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনাগুলো

                      বর্ণনা করে,

    তখন সে তন্ময় হয়ে যায়,

                                      মন দিয়ে তা শোনে।

    মহাভারতের কর্ণের ওপর

                                      তার খুব মায়া হয়।

    রথের চাকা মাটিতে বসে গেছে

                                    কর্ণ নিরস্ত্র অসহায়।

    বিপন্ন কর্ণের অনুরোধ উপেক্ষা করে

                    অর্জুন তীর ছুড়ে কর্ণকে বধ করে।

    এ ঘটনা শুনে তার চোখ জলে ভরে ওঠে,

             চোখ ছাপিয়ে তুলতুলে গাল বেয়ে জল পড়ে।

                                         (৩)

    দিদি অপুকে বলে

                             ʼচড়ুইভাতি করবিʼ?

    পাড়ার সকলে কুলুইচন্ডির ব্রতে

                              বনভোজন করে।

    সবাই চাল, ডাল, ঘি, দুধ

                               নিয়ে আসে জোগাড় করে।

    দিদি ও ভাই তাদের রান্নাঘর থেকে আনে

             খানিকটা চাল, একটা বেগুন আর দু-পলা তেল।

    আরেক বন্ধু বিনি ওদের সঙ্গে

                                    এসে মিলিত হয়।

    বিনি কয়েকটা শুকনো কাঠ

                                      এনে দেয়।

    দূর্গা ভাত বসায় তিন জনের জন্য

                              আর বেগুনটা ভাজে তেল দিয়ে।

    জোগার করা কয়েকটি আলুও

                                ভাতের সঙ্গে সেদ্দ করে।

    জঙ্গলের মধ্যে বসে কলাপাতায় ভাত

                  , আলুসেদ্দ আর বেগুন ভাজা বাড়ে।

    পরিতৃপ্তি করে তিনজনে

                                  বনভোজন সাড়ে।

    বিঃ দ্রঃ – এটি শ্রী বিভূতিভূযন বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত পথের পাঁচালী থেকে অনুসৃত।

  • || পথের পাঁচালী – এক ||
    Poetry

    || পথের পাঁচালী – এক ||

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Pather Panchali one

    দু-এক দিনে

          ঘনীভূত বর্ষা শুরু হয়।

    পূবের হু-হু করা হাওয়া পশ্চিমে চলে।

             খানা ডোবা সব জলে থৈ-থৈ করে।

    বাঁশ বনে ঝড়ের তান্ডবে

                বাঁশের মাথা সব লুটিয়ে পড়ে।

    আকাশের কোথাও ফাঁক নেই

                     অন্ধকার ঘনিয়ে আসে।

    মেঘের রাশ উড়ে চলে

                  পূব থেকে পশ্চিমে।

    দূর আকাশের কোথায় যেন

                  চলে দেবাসুরের মহাসংগ্রাম।

    কোনোও এক বিরাট দৈত্য সৈন্য
                জলস্থল-আকাশ ছেয়ে ফেলে।

    অক্ষৌহিণীর পর অক্ষৌহিণী অদৃশ্য

        রথী মহারথীদের চালনায় ঝড় এগিয়ে আসে।

    দেববজ্র আগুন উড়িয়ে নিমেযে বিশাল মেঘকে ছিঁড়ে ফুঁড়ে

                   ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়।

    আবার কোত্থেকে রক্তবীজের বংশের দাপটে

            করাল কৃষ্ণছায়ায় পৃথিবী অন্ধকার হয়ে যায়।

    এই মহাঝড়ে দিন রাত শুধু সোঁ সোঁ শব্দ,

          নদীর জল বেড়ে কত জায়গায় ঘর পড়ে যায়।

    নদী-নালা জলে ভেসে গিয়ে গরু-বাছুর সব দাঁড়িয়ে ভেজে

               ছাচতলায়, বাঁশবনে বা গাছের তলায়।

    পাখীদের শব্দ থাকেনা

                  এই সময় কোনোও দিকে।

    চার পাঁচদিন একই ভাবে কাটে

       কেবল ঝড়ের শব্দ আর অবিশ্রান্ত বৃষ্টি থাকে।

    বিঃ দ্রঃ – এটি শ্রী বিভূতিভুষন বন্দ্যোপাধ্যয়ের পথের পাঁচালী

            অনুসৃত।

  • || অনেক কাজ – পারব না ||
    Poetry

    || অনেক কাজ – পারব না ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Anek Kaag – Parbo na

    অনেক কাজ আছে আমার,

                যেতে পারবো না।

    কি যে করি এখন

           ভাবতেও পারছি না।

    অফিসে আগে আমার

                তিনতে কাজ ছিল।

    তারপর চার, পাঁচ, ছয়

                এত কাজ বেড়ে গেল।

    ডবল কাজ

            কি ভাবে যে করি?

    সবগুলো শেষ করে

            তারপরে যাব বাড়ী।

    মনের সব ʼনাʼ  গুলো

              এক জায়গায় লেখা যাক।

    প্রত্যেকটা ʼনাʼ কে ʼহ্যাঁʼ করতে

                           কি করতে হবে কাজ।

    সেটা করতে বড় কাজগুলো

                            কয়কটা ছোটো ছোটো কাজে ভাঙ্গতে হবে।

    এবারে ছয়টা কাজের

                  একরকম ভাঙ্গা কাজগুলো একসঙ্গে করতে হবে।

    একরকম কাজ এক সঙ্গে করলে

                                   অনেক তাড়াতাড়ি হবে।

    বাকী বিভিন্ন কাজগুলো দেখে

                        কিছু সর্টকাট পাওয়া যাবে।

    কাজের সঙ্গে নিজের বুদ্ধি লাগালে

                          কাজটা আরও সহজে হবে।

    কিছু কাজ প্রোআ্যাকটিভলি করলে

                   কাজটা অনেক তাড়াতাড়ি হবে।

    কোনও একটা রিসোর্স না থাকলে

                               অন্য কোনোও রিসোর্স নিতে হবে।

    যতটা কাজ নতুন রিসোর্সে হয়

                                 সেটা করে যেতে হবে।

    এভাবে মানুষ তিনটে থেকে

                               করতে পারে ছয়টা কাজ।

    ছয়টা থেকে হতে পারে সাতটা বা আটটা

                                সত্যিই মাথায় পড়বে না বাজ।

    মনে ভাবতে হবে ʼআমি করতে পারিʼ

                        তখন দেখা যাবে সব কাজ হয়ে যাচ্ছে।

    সময় বাঁচিয়ে সব কাজ হচ্ছে

                            মনের খুশিতে নিজেকে ফ্রী মনে হচ্ছে।

  • ।। প্রকৃতির শব্দ ।।
    Poetry

    ।। প্রকৃতির শব্দ ।।

    Sound of Nature

    Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    পশু-পক্ষীী গাছপালা, জল হাওয়া

                 আছে প্রকৃতির কোলে।

    নানান শব্দ সৃষ্টি হয় অবিরত

            এদের নানান কাজের ফলে।

    একটি প্লাস্টিক পাত্রের ওপরে

                  জল যখন পড়ে।

    ড্রাম বাজানো আওয়াজ হয়

                                     সবারই মনে ধরে।


    নায়েগ্রা বা হুড্রু ফলসে

               কেউ বেড়তে গেলে।

    শুধু ড্রাম নয়, অনেক বাজনার

             আওয়াজ সেখানে মেলে।

    পাহাড়ের ওপর থেকে

             জলস্রোত মাটিতে যাচ্ছে।

    প্রচন্ড সেই আওয়াাজে

             সব আওয়াজ চাপা পড়েছে।

    জঙ্গলে  হাওয়র শোঁ শোঁ শব্দ।

    বর্ষাকাালে ব্যাঙের ডাকের শব্দ।

    মৌমাছি ও বিভিন্ন কীট-পতঙ্গের শব্দ।

    পাখীর ডাকের বিভিন্ন শব্দ।

    পশুদের ডাকের শব্দ।

    • এ সব আমাদের চেনা।

    মন খোঁজে কোথায় একটা শব্দ পাই

                   যা আমাদের অচেনা।

    প্রকৃতির যে লক্ষ লক্ষ

                           অচেনা শব্দ আছে।

    একটি  নতুন শব্দ শুনে

                                   ছুটি তারই পাছে।

    সব শব্দ নয় সবার জন্য

                              মানুষও শোনেনা অনেক শব্দ।

    কোনো এক শব্দে হরিণ ছোটে

                              ব্যাঘ্র মশাই তখন জব্দ।


  • || নায়েগ্রা ফলস ||
    Poetry

    || নায়েগ্রা ফলস ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Niagara Falls

    প্রকৃতির এক অসাধারণ সৌন্দর্য্য

                    এই নায়েগ্রা ফলস।

    এটি একটি বিশাল মনোমুগ্ধকর

                    সুন্দর স্থান।

    দুটি দেশ – আমেরিকা ও কানাডার

                    বাড়িয়েছে মান।

    জলপ্রপাতের যে প্রাকৃতিক শব্দ

         তা বাইরের সব আওয়াজকে ঢেকে দেয়।

    রাত্রে যখন এর ওপর লাল, নীল এবং গোল্ডেন কালারের

         আলো পড়ে তখন দৃষ্টি অপলক হয়ে যায়।

    এটি গঠিত তিনটি ফলসের সমাহারে।
    আমেরিকার আমেরিক্যান ফলস ও

                                      ব্রাাইডাল ভেল ফলস একধারে।

    কানাডার হর্স সু ফলস,

                                সবচেয়ে উঁচ, অন্যধারে।

    বিশাল এই ফলসে প্রতি সেকেন্ডে পঁচাশি হাজার কিউবিক ফুট

                                     জল আছরে পরে।

    পাহাড়ের গ্লেসিয়াররের জল গলে

                                     এর প্রবাহ সৃষ্টি করে।

    বিখ্যাত এই ফলসের সৌন্দর্য্য ছাড়াও

              এটি  বিপুল পরিমানে হাইড্রো-ইলেকট্রিসিটিও  উৎপন্ন করে।

    ক্ষমতা অনুযায়ী, এটি চার মিলিয়ন কিলো ওয়াট

                               জল বিদ্যুত তৈরী করতে পারে।

    মানুষের ঢল নেমে যায়

                               নায়েগ্রা ফলস দেখতে।

    আামেরিকার নিউইয়র্ক বা কানাডার অন্টারিও থেকে

                            যেতে হবে এর দেখা পেতে।