Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
|| পজিটিভ মাইন্ডসেট – সেভেন প্রমিসেস ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Positive Mindset – Seven Promises
ভাল করে বাঁচতে গেলে
ভাল মন দরকার।
ভাল মন চায় আবার
ভাল কিছু করার।
# তাই দিন শুরু হোক
কোনও পজিটিভ নোটে।
এমন কিছুলিখতে হবে
যাতে মনের হাসি ফোটে।
# একটা কাজ করতে হবে
যার শেষটা হবে ভাল।
ভাল কাজে মনটা দিলে
মনটা দেখবে আলো।
#দুঃখ আছে মনের ভেতর
চিন্তা করো সেটা।
নিজে একটু আলাদা হʼলে
হাসির খোরাক ওটা।
# হেরে গেছো বলে দুঃখ কেন
হারের পরেই আসে জয়।
কাজের ভুলটা ঠিক করলে
হবেই তোমার এ কাজে বিজয়।
# মনের মধ্যে নেগেটিভ যা আছে
একটু খানি পালটে দাও
নতুন কাজটা হবেই পজিটিভ
আমার কথাটা মিলিয়ে নাও।
# পুরোনো কথাটা ভাবছো কেন
অতীত থেকে শিক্ষা নাও।
নতুন সকাল, নতুন রোদে
নতুন কাজে মন দাও।
# ভাল কাজের বন্ধু খোঁজো
ভাল মেন্টরও দরকার।
কাজের সঙ্গী ভাল পেলে
সবাই দেবে পুরস্কার।
সাতটা প্রমিস হোলো এবার
কবে থেকে করবে শুরু?
জন্মদিনে, নতুন বছর কিম্বা কোনও বিশেষ দিনে কিম্বা জানো তার কাছে, যাকে মানো তোমার গুরু।
-
|| চ্যাটজিপিটি ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
ChatGPT
চ্যটজিপিটি হʼল
চ্যট জেনারেটিভ ট্রান্সফরমার।
এটা আমেরিকায় তৈরী
একটা এ আই সফ্টওয়ের।
আমেরিকার ওপেন এ আই কোম্পানী
এর জন্ম দিয়েছে।
নভেম্বর দু হাজার বাইশে
এটা রিলিজ হয়েছে।
চ্যটজিপিটি শুরু হয় আরেকটা সফ্টওয়ের
চ্যাটবট থেকে।
চ্যাটবট একটি কোম্পানীর
কাস্টমার সাপোর্টের কাজে লাগে।
এটি ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়জ প্রসসেসিং, মেশিন লার্নিং ও
এ আই ব্যবহার করেছে।
চ্যাটবটকে যা শেখানো হয়েছে
সেটাই সে বলতে পারে।
কিন্তু চ্যটজিপিটি যে কোনও বিষয় জানে
তাই অনেক ক্ষেত্রেই এটা ব্যবহার করা যেতে পারে।
ফাইন্যানসিয়াল এক্সপার্টের বদলে
কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ করে।
তেমনি টিচারের জায়গায়
পড়াতেও পারে।
তবে কি মানুষের জায়গায়
চ্যটজিপিটি চলবে?
সেটা আগামী দিনে
মানুষই বলবে।
ক্লাসের লাস্টবয়কে মানুষ টিচার
জানে কি ভাবে শেখাতে হবে।
সেট কি এ আই সফ্টওয়ের দিয়ে
সম্ভব হবে?
ভগবানের সৃস্টি মানুষ আর
মানুষের তৈরী এ আই।
তাই বেশীরভাগ সময়ে মানুষই জিতবে
এটাই বলতে চাই।
-
।। সূর্য্য পৃথিবীকে গিলে খাচ্ছে ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sun is swallowing earth
মন খারাপ কেন?
পৃথিবী ধ্বংস হবে তাই?
এসব ভেবে কোনও লাভ নাই।
প্রশ্ন হচ্চ্ছে মানুষ কি এটা আটকাতে পারবে?
উত্তরটা তো ʼনাʼ, তাই ভেবে কি হবে?
দু হাজার কুড়ি সালে ক্যালিফোরনিয়ার এম আই টির
এক এস্ট্রোফিজিসিস্ট দেখেছেন –
একটা তারা সামনের গ্রহকে গিলে খাচ্ছে।
ভেঙ্গে চুরে নয়,আস্ত গ্রহটাকে গিলে ফেললো।
হঠাৎ তারার মধ্যে গ্রহটা চলে গেল ।
তারার নিজস্ব আলো আছে, গ্রহের নেই।
বয়েস হʼলে তারারা, একদিন মরবেই।
সেই সময়ে কাছের গ্রহদের খেয়ে সে আরও বড় হবে।
আর সেই সব বেচারা গ্রহের প্রাাণ যাবে।
এস্ট্রোনমিস্টদের গবেষণায় জানা যাচ্ছে –
এখন থেকে পাঁচ বিলিয়ন বছর পরে
পৃথিবীকে পেটে পুরে
সূর্য্য আরও বড় হবে।
আশার কখা এটাাই যে সূর্য্য
প্রথমে মঙ্গলকে তারপর শুক্রকে খাবে।
তরপর পৃথিবীর দিকে হাত বাড়াবে।
এখনও চিন্তা? এসব ছেড়ে, বাঁচুন।
ক্যলকুলেসনের তো কিছু ভুল হʼতে পারে,
তাই এবারে হাসুন।
-
।। ভিটামিন,এর স্বল্পতা ও খ্যাদ্যাভ্যাস ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Vitamins, its deficiency & food
আমাদের দেহের বৃদ্ধিতে
দরকার ভিটামিন।
পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধেও
খেতে হয় প্রতিদিন।
সুষম খাবারে
এগুলো আমরা পাই।
নিয়ম মতো খাবার খেলে
শরীরে যা দরকার তা পেয়ে যাই।
বিষয়টি খুবই জটিল
তাই সাধারণ তথ্যটুকই থাকবে এখানে।
বেশী কিছু জানতে গেলে
ডাক্তার বা খাদ্য বিশেষজ্ঞ চাই সেখানে।
ভিটামিন এ
সুষ্ক ত্বক আর চোখের
নানান সমস্যা এড়াতে,
দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে
এটি হবেই খেতে।
রাত কানা হয়
এর অভাবে।
গলা ও বুকের রোগ হবে না
এটির যোগে।
সন্তান কামনায় পিতা মাতার
এটি খুবই জরুরী।
ক্ষত তাড়াতাড়ি ঠিক করতে
সত্যিই দরকারি।
এটা ডাল, দানা শস্য, গাজর
ও নানান শাক সবজী,
মাছ, ডিম ও মাখন
খেতে হবে ডুবিয়ে কব্জি।
ভিটামিন বি ওয়ান
বদহজম,পেটের নানাান সমস্যাা,
আর বেরিবেরি,
ঘুমের অ্সুবিধায়য
এটি খুব দরকাররী।
ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্ত হওয়াও
এর অভাবে।তাই ঢেঁকি ছাটা চাল, ডাল, ফুলকপি, গাজর
ও ডিমের কুসুম খেতে হবে।
ভিটামিন বি
এর অভাবে চোখ, ত্বক ও স্নায়ুতন্ত্র
সমস্যায় পরে।
জিভে ও ঠোঁটে ঘা,
আর ঘা হয় মুখের ভেতরে।
খেতে হবে শাক –
পালং, কলমী ও নটে।
অঙ্কুরিত ছোলা খেয়েও
এর ঘাটতি মেটে।
ভিটামিন সি
ঠান্ডা লেগে জ্বর হলে
ডাক্তারবাবু দেন ভিটামিন সি।
দাঁত পড়া, মারী ও ত্বকের রোগে, আ্যানিমিয়া,
ও হজমের রোগে খেতেই হবে এটি।
চুলের নানা সমস্যা ও নাক ডাকা
এটি খেলে ঠিক হয়।
স্কার্ভি রোগও এর প্রভাবে
কমে যায়।
পেয়ারা, আপেল লেবু,
পেঁপেও খেতে হবে।
টমেটো, আমলকি
এগুলোরও দরকার পরবে।
ভিটামিন ডি
সূর্যদেবের আশীর্বাদে
আমরা ভিটামিন ডি পাই।
রিকেটস, হাড়ের ঘনত্ব কমা, ক্যানসাার, হার্ট ও
ডায়বেটিকের জন্য এটি অবশ্যই চাই।
খেতে হবে দুধ, মাখন ও
ডিমের কুসুম।
কর্ড লিভার তেল, মাসরুম
খাওয়া যায় হরদম।
ভিটামিন ই
এটির অকুলান হʼলে
নার্ভ ও মাসেলের ক্ষতি হʼয়।
এর থেকে আরও সমস্যা – হজমের, হাঁটা চলায়
ও রাত্রে দেখায়।
সূর্য্যমুখী ও সয়াবিন তেল, পালং শাক,
পী-নাট ও তার মাখন।
খাও কুমড়ো আর আ্যালমন্ডস
যখন তখন।
ভিটামিন কে
এটির কমে রক্তক্ষরণ ও হাড়ের
বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
অস্টিওপোরোসিস এবং হার্টের রোগের
প্রবণতা বাড়ে।
সবুজ শাকশব্জি, বাঁধাকপি
খাওয়া দরকারী।
বরকোলি, লেটুস, কিউয়ি,
ব্লু ও ব্ল্যাক বেরীও উপকারী।
সংক্ষেপে এখনেই শেষ করি
ভিটামিন ও খাবার দাবাড়ের খবর।
খাদ্য-বিষারদের সাহায্য নেওয়া যায়
দিনের খাদ্য-তালিকার হিসেব পত্তর।
-
।। ভয় ।।
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Bhoy
মানব মনে আবেগে সুখ দুঃখের
আরেক দোসর ভয়।
এটি বেড়ে গেলে বুদ্ধিভ্রংশে
নানান বিপদ হয়।
ভয়ের দোসর দুঃখ
অতি ভয়ে এসে পরে।
রাতদিন সেই চিন্তায়
কুঁরে কুঁরে মন মরে।
ভয়ের উদ্রেগ দেখি তার চোখে
তার নানা আচরণে।
এই ভয় জন্ম নেয়
বিভিন্ন কারণে।
কোনো কিছু হারাবার ভয়
আসে দুঃচিন্তায়।
অপরাধী ভয় পায় তার অপরাধ
ধরা পড়বে এই চিন্তায়।
আবার অনেকগুলো ভয়ের
কারন একটি ভয়ের উৎস।
সেই ভয়গুলো তাড়া করলে মনে
মানুষটি হয়ে পড়ে অপ্রকৃতিস্থ।
খ্যাপা কুকুরে কামড়ালে
জলাতঙ্ক হয়।
তখন সে জল দেখলেই
ভয় পায়।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞেরা
খোঁজেন ভয়ের উৎস।
কথাবার্তা বলে বেরিয়ে পড়ে
আসল রহস্য।
উৎস থেকে বেড়িয়ে পরে
কোনোও পুরোনো ঘটনা।
পুনরাবৃত্তি করতে তিনি
সৃস্টি করেন নাটক রচনা।
এই নাটকে দেখানো হয়
কোথায় সে যুক্ত।
নাটকের বিশ্লেষনে
সে হয় ভয়টি থেকে হয় মুক্ত।
এসব ঘটনা আমাদের
সকলেই জানা।
কিন্তু ভয় থেকে
নিষ্কৃতির পথ আছে নানা।
ভয়কে ছেড়ে নিজের পথে এগোনো
একটি উপায়।
আরেকটিতে ভয়ের সামনে এগিয়ে
তাকে করো জয়।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
দেখিয়েছেন ভয় মুক্তির পথ।
ভয় থেকে তুমি অভয়ের মাঝে
আমার নতুন জীবন দাও।
সুখ, দুঃখ, স্বার্থ, সংশয় ছেড়ে
থাকি সত্য, শান্তি মঙ্গলময় কাজে।
দীনতা ছেড়ে যেন মুক্তি খুঁজি
অমূল্য অক্ষয় ধনের মাঝে।
রবীঠাকুরের সেই ʼতুমিʼ
আমাদের প্রভু বা ঈশ্বর।
আমাদের একমাত্র অবলম্বন
তিনি অবিনশ্বর।
-
।। একটি গাছের কথা ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Ekti Gacher Katha
মালীর ঘরে
আরে করছ কি মালী ভাই
আমার যে লাগে।
যত্ন করে বড় করেছ
পাতা পচা সার খাইয়েছো আগে।
কিনতু এখন কি করবে
আমাকে নিযে?
ততক্ষণে মালী গাছটিকে তুলে
একটি ছোট্ট টবে নেয় লাগিয়ে।
মালী যায় বাজারে
দাদা ভালো জবা গাছ
নিয়ে যান না।
বড় বড় অনেক ফুল ফুটবে
এমন গাছ পাবেন না।
অনেক পরে আসে একজন
সে গাছটি কেনে, নেয় কিছু সার।
বাড়ীর পথে হাঁটা দেয় বিপুল বাবু
নতুন কালেকসন এটি তার।
বিপুল বাবুর বাড়ী
আবার গাছ আনলে
বিপুল বাবুর স্ত্রী রেগে বলে।
আরে এ জবা গাছটা খুব ভাল
বড় বড় ফুল দেবে রোজ সকালে।
তোমার তো এত গাছ আছে
আবার নতুন গাছ কেন?
না এবারে সার এনেছি
কোনও অবহেলা হবে না জেন।
বিপুল বাবুর যত্ন
সময় নেই বিপুল বাবুর
মাঝে মাঝে বাগানে আসে।
নতুন জবার জায়গা হʼল
পুরোনো জবাদের পাশে।
নতুন একটা ভাল টবে
সব সার মিশিয়ে লাগায়।
অনেক ফুল ফুটবে এ গাছে
এই মনের আশায়।
কোন সারেতে কি হয়
এসব নয় তার জানা।
গাছের যত্নে সব সারই দেয়
যা আছে তার আনা।
জল দেয় সে রোজ
একটু একটু করে।
গাছের পাতা কুঁচকে যায়
বেশী জল পড়ে।
গাছের এখনকার অবস্থা
পাতা পচা সার খেয়ে
সে মালীর বা়ড়ীতে বড় হয়েছে।
হঠাৎ এত সব খাবার পেয়ে
তার বদহজম হচ্ছে।
জলও খাচ্ছে বেশি বেশি
তাই পাতা কুঁকরে যায়।
সাদা পোকা এসে ধরে
ডগাগুলির গায়।
আবার খুব গরমে
প্রাণ যখন তার আই ঢাই করে।
জল পায় না সে সময় মতন
শুকিয়ে সে মরে।
গাছের শেষ কথা
গরীবের ঘরে ছিলাম ভাাল
তার তো এত পয়সা নেই।
যত্ন ছিলাম তার বাগানে
সে বুঝতো কখন কি চাই।
বিপুল বাবুর পয়সা আছে
নেই তার সময় ও জ্ঞান।
নতুন গাছ আসবে আবার
বেঘোরে গেল মোর প্রাণ।
















