Poetry
In Poetry category will have various poems will on bengali or bangla. These are based on various issues on the mordern life. This category is only bengali poetry.
-
।। শখ ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Sokh
শখ আছে নানান জনের
নানান রকম শখ।
গাড়ী চালানো নেশা করোর
কারোর বকবক।
বচিক শিল্পের শেষ কি আছে
আবৃত্তি, নাটক কিম্বা হাসির কথা বলা।
নাচ করা, গান করা
আর নানান রকম খেলা।
কবিতা আর গল্প লেখায়
কারও আছে দিনটি জুড়ে।
ছবি এঁকে দিনটি কাটে
কারও আবার বিদেশ ঘুড়ে।
কুকুর পোষা, বিড়াল পোষা
কেউ করছে বাগান।
শরীর চর্চা, ম্যারথন দৌড়
কেউ ব্যস্ত নিয়ে তান।
আচ্ছা, শখ কেন হয়
ভাবি কেন?
কিছু না পারার কারনে
ইচ্ছার উদ্রেগ জেন।
গান গাইতে জানে
কিনতু গায় বাথরূম সঙ।
ওটা পুরো শেখা হয়নি
তাই শখ দুঃখের রঙ।
কারো আবার কাজের পরে
বিরাট এক মনের আরাম।
অবসরে মন চাঙ্গা হয়
যখন হয় মনের বিরাম।
শখ থেকে প্যাশন
আর প্যাশন থেকে প্রোফেসন।
সার্থকতার ছোঁয়া লেগে
সেটার থেকে উপার্জন।
একটা শখের সার্থকতায়
আরও একটাও এসে জোটে।
পুরোনো শখের প্রোফেসনের
বাইরে এসে মাথায় ঢোকে।
শখ পাল্টায় বয়েসের সাথে
শখ পাল্টায় সঙ্গীর শখে।
এর কোনোও নিয়ম হয় না
মনের ভেতর চলতে থাকে।
শখের থেকে জন্ম নেয়
আমার সময় – মি টাইমের।
প্রাণের আরাম, কাজের বিরাম
জবাব নেই নিজের শখের।
-
।। কাজ ।।
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Kaaj
কাজ তো সবাই করে জানি
আমিও করি কাজ।
এক ছেলেকে দেখেছি আমি
তার কথা বলি আজ।
হরির ছেলে গোপাল
কাজে এসেছে বাবার।
রঙের মিস্ত্রি হরি
অনেক দিনের কাজ তার।
ছেলেকে শেখায়
কাজ করবে এমন।
যা শুধু তোমার নয়
হবে সবার মনের মতন।
মানুষের সব কাজ
একদিনে তো শেষ হয়না তারা।
ভাল কাজ করলে পরে
ডাকবে সারা পাড়া।
তাই শুধু নয় ছেলে
কাজটা এমন করবে যাতে
সবটুকু যেন শেষ হয়
অন্য কাঊকে ডাকতে না হয় তাতে।
গোপাল একদিন বড় হয়
সবাই ডাকে গোপাল মিস্ত্রিকে।
রঙের কাজটা ছেড়েছে হরি
সবটাই এখন গোপাল দেখে।
গোপালের মনের কথা
একবার কাজ করব যেখানে।
বারবার যেন ডাক পাই
সব কাজে সেখানে।
তাই সে এমন ভাবে
কাজটা শুরু করে,
অন্য মিস্ত্রির কাজটাও করে
তার কাজের পরে।
কাজের শেষে পারিশ্রমিক
সে তো আছে পাকা।
বকশিশটাও আছেই পরে
সেটাও থাকে রাখা।
গোপাল নামে আদরের ছবি
সবারই আদরের গোপাল।
করে যাও তুমি এমনই কাজ
মনে রাখবে সবাই চিরকাল।
-
।। ফিরে দেখা জীবন l।
Audio File Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Mon Kharap
মন ভাল নেই মনটা খারাপ।
কি যে করি এখন।
শরীরটাও তো কেমন কেমন
বুড়ো মানুষের মতন।
বুড়ো মানুষ নই তো আমি
বয়স পেরোলো সত্তর।
এই তো সেদিন স্কুল পেরোলাম
এক্ষুনি এই মাত্তর।
স্কুল পেরিয়ে কলেজ গেলাম
অঙ্ক নিয়ে পড়তে।
শেষ করে তা ইউনিভারসিটি
আরেকটু বেশী জানতে।
এসব করে ভাবতে বসি
কি করা যায় এখন।
ডক্টরেটা করলে কি
চাকরি পাব মনের মতন।
মনের টানে কম্পিউটার সায়ান্সে
পড়াশুনা শুরু করি।
শেষ করে তা ইউনিভারসিটির
অধ্যাপনায় হাতে খড়ি।
শুরু হয় এরপর কম্পিউটার সায়ান্সে
পি এইচডির কাজ।
একমাএ ছেলের দায়িত্বে
চাকরি দরকার মনে হʼল আজ।
মাথায় তখন একটাই চিন্তা
পি এইচ ডি আর চাকরি।
একসঙ্গে চালাতে হবে
এটা ভীষণ দরকারি।
বানিজ্যিক সংন্থায়
কাস্টমার সাপোর্টের কাজ।
সিরিয়াস প্রফেসনলের ছুটির পরে
মাথা জুড়ে সেই চিন্তা আজ।
পি এইচ ডির কাজ পিছিয়ে পিছিয়ে
শেষমেষ হʼল ভন্ডুল।
ডক্টরেট পাওয়া অধরাই থাকে
মন চাকরি নিয়েই মসগুল।
উন্নতি হয় চাকরির
ছোটো থেকে অনেক ওপরে।
বেস্ট প্রফেসনলের তকমা নিয়ে
নেপাল ভ্রমণ পুরস্কারে।
একটা থেকে অন্য সংস্থায়
সেখান থেকে অন্য।
কাজের নেশায় ছুটে বেড়াই
সবাই করে ধন্য ধন্য।
ইনডাসট্রি থেকে এডুকেসন
অবাধ গতি এল।
অধ্যাপনায় শুরু করে
অধ্যাপনাতেই শেষ হʼল।
চুলের রঙ সাদা হʼল
আর আমি হলাম রিটায়ার্ড।
বেকার লোকের দলে মিশে
আমি এখন টায়ার্ড।
এসব ভেবে মন ভাল নেই
মাথাটাও একটু ধরেছে।
আরও কতকি করার ছিল
সেই সব মনে পড়ছে।
-
|| আই পি এল ২০২৩ – অবিশ্বাস্য রিঙ্কু মহারাজ ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
IPL 2023 – Unbelievable Rinnku Marharaj
RINKU SINGH 5 SIXES SLAP ON GUJRAT আই পি এলের খেলা জমে
বছরে একবার।
এবার আবার নিজের দেশে
জমবে না আবার ?
নয়ই এপ্রিল মোদি স্টেডিয়ামে
খেলা গুজরাট বনাম কলকাতার ।
সবাই জানে গুজরাটের কাছে
আজ নিশ্চিত হার ।
রেষারেষির চলছে লড়াই
ব্যাট করছে গুজরাট দল ।
শুভমন গিল আঊট হতেই
কলকাতার দিকে গেল ফল ।
এর পরেতেই সুদর্শন আর বিজয়শংকর
করে ব্যাটে পন্চাশ পার ।
দুশো চার রান করে গুজরাট যখন থামে
সবাই ভাবে কলকাতার হার ।
ভেঙ্কটেশের বিরাশি রান
আর পঁয়তাল্লিশ করে নিতীশ ।
এরপর রশিদ খানের হ্যাটট্রিকে
কে কে আরের সব শেষ ।
রাসেল, নারিণ, ঠাকুর
তিন বলে তিন আঊট ।
গুজরাটের ক্যাপটেন ভাবতে থাকে
দল জিতবে নো ডাঊট ।
রানের পাহাড টপকাতে হবে
রিঙ্কু ভাবে এসব দেখে ।
কলকাতার অনুরাগী সব
হারের দুঃখে মগ্ন থাকে ।
শেষ ওভারে উনত্রিশ রান
এক রান নেয় উমেশ ।
বাকী রইলো পাঁচটা বল
এখনই কলকাতার শেষ ।
রিঙ্কু তখন স্বপ্ন দেখে
জিততে হবে কলকাতাকে ।
পাঁচটা বলে পাঁচ ছক্কা
রিঙ্কু রূপকথার গল্প লেখে ।
ম্যাচটি জিতে সবাই ছুুটে
দেয় এসে অভিনন্দন ।
ক্রিকেটের এই শেষ বলে জিত
অবিশ্বাস্য মনোরন্জন।
-
।। গোপালদাদার কথা বলা ।।
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Gopaldadar Katha Bola

আমার গোপাল, মাটির গোপাল
রঙটা আবার চটা।
হʼতো যদি সোনার গোপাল
দেখতে কেমন ছʼটা।
আরে সোনার মূর্তি নয়তো এটা
সোনার মতো দেখতে।
সোনার গোপাল হলে তুমি
কখা বলছে শুনতে।
সোনার গোপাল, রূপোর গোপাল
তামার গোপাল হতেই পারে।
মনের মাঝে যে মুখ দেখ
তাতেই যেন মন ভরে।
ডাকো তুমি মনের গোপাল
মনের মধ্যে দেখতে পাবে।
নাড়ুর প্রসাদ না থাকলেও
মনের প্রসাদেই তৃপ্ত হবে।
কথা বলা গোপাল চাও তো
তাঁর সঙ্গে কথা বলো।
সব সময়ে দিনের মাঝে
ভাল কাজ করে চলো।
ভাল করো নিজের তুমি
ভাল করো পরের।
এমন কিছু করো না
যা পরের হয় দুঃখের।
দেখবে তুমি চটা গোপালও
কেমন কথা শুনছে।
যা ভাবছ তাই হচ্ছে
গোপালজী কথা বলছে।
-
।। পাথর ।। Stone
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
একটা নয়,দুটো নয়
এতো পাথর বইছো কেন?
কষ্ট হবে, হাঁপিয়ে যাবে
বসে পড়তে হবে জেন।
কোথয় পাথর, নেই তো পাথর
ঘরের মধ্যেই বসে আছি।
মন ভাল নেই, বেঠিক শরীর
ওষুধ খেয়েই যেন বাঁচি।
সবাই চায় মসৃন পথ
সহজ করে হাঁটতে।
এবড়ো খেবড়ো পথে তোমায়
হোঁচট খেতে হচ্ছে।
রাস্তা তোমার নিজের করা
অন্য কেউ তো দেখায়নি।
নিজের রাস্তা নোংরা করতে
একটুও তো বাধেনি।
সরাও পাথর, আবর্জনা
সড়াও তোমার রাস্তা থেকে।
মসৃন পথ করতে পারো
যদি তোমার ইচ্ছে থাকে।
দুঃশ্চিন্তার পাথরগুলো
নিজের বোঝা করছে বড়।
গীতার বাণী মনে করে
ফলের আশা ত্যাগ করো।
কাজ করে যাও নিজের মনে
ঠিক সময়েই ফলটি পাবে।
চিন্তা মুক্ত হাসি নিয়ে
নিজের আশা পূর্ণ হবে।

















