-
|| চাঁদে মানুষ থাকবে? ||
Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Chande Manush Thakbe?
মানুষ কল্পনা করে
কি না করতে পারে?
চাঁদের বুড়িকে দেখে একদিন কল্পনা করেছে
তার পাশে সে গিয়ে বসতে পারে।
সে কল্পনা আজ বাস্তবে
রূপায়িত হয়েছে।
মানুষ চাঁদে পারি দিচ্ছে
বারবার বিভিন্ন কাজে।
লিওনার্দো দা ভিঞ্চির কল্পনায়
মোনালিসা ছবি সৃষ্ট হয়।
শিল্পির কল্পনার ক্যানভাস
বাস্তবে হয়ে ওঠে মনোমুগ্ধময়।
বৈজ্ঞানিকরা কিছু দেখে
লজিক্যালি কল্পনার ছবি দেখান।
পরে সেটি বিভিন্ন পরীক্ষায়
হয় তার সত্যতা প্রমাণ।
আমবা স্বপ্ন দেখে কোনও
ভবিষৎ কল্পনা করি।
যা পরে প্ল্যানমত কাজ করে
বাস্তবায়িত হয়েছে দেখতে পারি।
কিন্তু সেই কল্পনা শক্তিকে
ভ্রান্ত পথে ব্যবহার ঠিক নয়।
তাতে কল্পনার সোনার হরিণ ধরার নেশা
হতাসায় পরিবর্তিত হয়।
তাই কল্পনা শক্তিকে
ভালো কাজে লাগাতে হবে।
নিউটনের গাছের আপেল পড়া দেথে
পৃথিবীর মার্ধাকর্ষন শক্তি আবিস্কৃত হবে।
-
|| ফ্রাসট্রেশন থেকে মুক্তির উপায় ||
Audio File Please Visit & Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
Frustration Theke Muktir Upay
কাজ করতে গেলে
ভুল হতেই পারে।
তাতে ফ্রাসট্রেশন এলে
কাজ পন্ড হতে পারে।
এতে যে কাজ
সবথেকে আগে দরকার,
কাজের ফাঁক ফোঁকর
করতে হবে বার।
সেই ফাঁক ফোঁকরগুলো
এক এক করে রিপেয়ার করতে হবে।
এটা করলে জয়
আগামী দিনে হবে।
কনটিনিউআস ইমপ্রুভমেন্ট করেই যেতে হবে
যতক্ষণ না অভিষ্ট পূরণ হয়।
এভাবে কাজটা ঠিক হলে
ফ্রাসট্রেশন পরিবর্ত্তিত হবে সার্থকতায়।
-
|| শ্যামল, রাধিকা ও স্বপ্নার গল্প – তিন ||
Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita
A story of Shyamal, Radhika & Swapna -3
পঞ্চভূত – স্বপ্নার কথা
স্বপ্নার বাড়ীর খবর
বলি এবার।
পাঁচজন মানুষের পঞ্চভূজের এতই সমন্বয়
যে এটা সবার শেখার।
পঞ্চভূজের মধ্যমণি
বড় মেয়ে স্বপ্না।
বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে ছোট ছেলে দীপক
আর ছোট মেয়ে রত্না।
পাঁচ জনের এই সংসার
এ কথা সবাই জানে।
য়ে যার কাজ করে যায় এখানে
ঝগড়ার প্রবেশ নিষেধ এখানে।
বাবার আছে মুদির দোকান
ভায়ের চাকরী কারখানায়।
হসপিটালের নার্স রত্না
মায়ের পছন্দ ঘরকন্যায়।
স্বপ্না করে
শাড়ীর ব্যাবসা।
শাড়ী আসে নানান জায়গা থেকে
স্বপ্নার কাজ সেগুলো বিক্রি করা।
শ্যামল একদিন বাড়ী থেকে বেরিয়ে
পার্কে বসে আছে।
ব্যাবসা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলার থাকলে
স্বপ্না এই পার্কে চলে আসে।
সেদিন স্বপ্না একজনের সঙ্গে কথা বʼলে
বাড়ী ফিরে যাচ্ছে।
এমন সময় সে শ্যামলকে দেখে বলে,
ʼআপনি রোজ আসেন, সমস্ত দিন বসে চলে যানʼ।
ক্লিষ্ট শ্যামল শুনে
প্রথমে একটু থতমত খেয়ে যায়।
তারপর বলে, ʼআপনি কেʼ?
ʼআপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলাম নাʼ।
ʼআমি স্বপ্না, কাছেই থাকিʼ,
ʼকাজের জন্য এখানে প্রায়ই আসিʼ।
এরপরে দুজনে অনেক কথা বলে
তারপর দুজনেই বাড়ী ফিরে যায়।
পরদিন আবার দুজনে
কথা বলতে আসে এখানে।
স্বপ্নার ভবিষৎ পরিকল্পনা শুনে শ্যামল ঠিক করে
দুজনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এরপর ব্যাঙ্কে এপ্লিকেসন, ব্যাঙ্ক লোন,
প্রজেক্ট এক্সেকিউসন সারে।
একটার পর একটা কাজ শেষ করে
প্রোডাকসন শুরু করে।
একসঙ্গে দুজনে কাজ করে
এতটাই কাছাকাছি এসে যায়
যে তারা প্ল্যান করে
এবারে দু-বাড়ীতে জানাতে হবে।








