• || নিজের শরীরের – সব জানেন? ||
    Poetry

    || নিজের শরীরের – সব জানেন? ||

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    Do you know your body fully?

    আমরা সত্যই সম্ভবতঃ জানিনা

         ভগবান আমাদের কতটা ʼইউনিকʼ বানিয়েছেন।

    বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন উপায়ে কষ্ট করে

                নিজের কাজের ʼইউ এস পিʼ দেখাতে চান।

    আমরা জন্ম থেকেই যে কতটা ʼইউনিকʼ

                                সেটা আমরা খেয়াল করি না।

    আমাদের শরীরের অনেকগুলি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ

            অন্যদের থেকে যে আলাদা, তা হয়ত জানি না।

    একজনের কান

                      অন্য একজনের থেকে আলাদা।

    কানের বাইরের দিকে পাতায় অজস্র উঁচু নিচু আছে,

          যা একজনকে অন্যজনের থেকে আলাদা করে।

    চোখের ʼআইরিসʼ বা চোখের তারার রঙ

                                          আলাদা আলাদা।

    দুই যমজ ভাই-বোনেদেরও

                      একজনের থেকে অন্যজন আলাদা।

    মানুষের  হাঁটা এক এক জনের

                                       এক এক রকম হয়।

    কোনোও মানুষের হাঁটা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করলে

          সে যতই মেক-আপ করুক, তাকে চিনে নেওযা যায়।

    দুটি মানুষের জিভ

                       কখনওই এক রকম হয় না।

    জীভের সাইজ আলাদা আলাদা হয়

             জীভের ভেতরে লক্ষ লক্ষ উঁচু নিচু আছে, যা আলাদা।

    গলার স্বর দুটি মানুষের

                                 একে বারে এক হয় না।

    যা কাছাকাছি মনে হলেও

                                 এক বলা যায় না।

    আমাদের যে দু-পাটি দাঁত আছে

                                         তা সত্যিই আলাদা।

    দাঁতের শেপ, সাইজ, বিন্যাস

                                          সবই আলাদা।

    চোখের রেটিনা তো

                            পাশওয়ার্ডের কজ করে।

    তাই এটি একটি মানুষকে

                         অপরের থেকে আলাদা করে।

    ফিংগারপ্রিন্ট যে ইউনিক

                                   সেটি সর্বজনবিদিত ।

    তাই এটি একজনের থেকে

                     অন্যজনকে আলাদা করে।

  • ।। হাঁটা ।।
    Poetry

    ।। হাঁটা ।।

    Please Subscribe my Youtube Channel : Keleedas Kobita

    ডাক্তারবাবুরা বলেন,

        ʼডিনার খেয়ে এক মাইল হাঁটোʼ।

    যদিও শরীর ঠিক রাখতে

               সকালবেলার হাঁটা নয় খাটো।

    কেউ আবার বিকেলবেলা

                          বা সন্ধ্যেবেলায় হাঁটতে যায়।

    শরীর চর্চা করতে হাঁটা দরকার

              এতে শরীরের অনেক গন্ডগোল কমে যায়।

    জীবনের পথে তো

                             আমরা হেঁটেই চলেছি।

    সেই কোন সকালে হাঁটা শিখে

                এ রাস্তা, ও রাস্তা দিয়ে হেঁটেই যাচ্ছি।

    ইন্জিন যতদিন চালু থাকবে

                       হাঁটতেই হবে বিভিন্ন পথে।

    সে হাঁটা পায়ে পায়ে না হাঁটলেও

                                     যেতে হবে রথে।

    কতবার হোঁচট খেয়ে

                               কত কি  হয়েছে।

    সাময়িক বিরাম দিয়ে

                               পথ বদলেছে।

    কত কিছু শিখলাম

                                  এই হাঁটতে গিয়ে।

    কত মানুষকে বুঝলাম

                               এর মধ্যে দিয়ে।

    কেউ বা বন্ধু হয়ে

                              হাত বাড়ালো।

    কেউ আবার পড়ে যাওয়া দেখে

                        ফিক করে হেসে চলে গেল।

    ফিক করে হাসা লোকটা

                            যদি সত্যিই বন্ধু হোত?

    তার মনের মধ্যে এতটুকু

                   জায়গা যদি আমার জন্যে থাকতো?

    তাহলে পৃথিবীতে সবাই

                           সবার বন্ধুত্বের সম্পর্ক পাতাতো।

    সেই একসঙ্গে হাসা

                                  লাফিং ক্লাবের মতো।

    মানষের দুঃখ, কান্না

                                এসব থাকতো না।

    সে একটা মজার দেশ

                               ভাবাই যায় না।

    কিন্তু তুমি হাঁটো

                        হাঁটতেই হবে।

    থেমে যেও না

                        হাঁটো নিজের পথে।